ল্যাম্পপোষ্টের আলো গিলে খাওয়া
অন্ধকার জেঁকে বসে না এখানে
শহুরে মানুষের অস্বীকারে।
কদর্যের ধুমে গোড়ালী ডোবানো
দালানকোঠা রাস্তাঘাট মাংস ছেঁড়ে প্রতিনিয়ত
এই শহরের
কংকালে গাঁথে দুঃস্বপ্ন কংক্রীটের।
সবুজ অতীত এখন অস্পষ্ট সিনেম্যাটিক,
নিস্প্রাণ ধূসর বর্তমানের শরীরে
আছড়ে পড়ে বেওয়ারিশ ফুটপাতে
কিংবা শাদাকালো বৈরিতায়।
তাই অনিদ্রিত প্রহরে শুধু কবিতার খাতা ছিঁড়ে
কাগুজে নৌকা বানিয়ে ছেড়ে দেয়া রাজপথের স্রোতে;
ওগুলো ডানা মেলে উড়োজাহাজ হলে
বিষন্ন নাগরিক চোখে দেখা যায়...
ধোঁয়াটে আকাশে বিষাক্ত বর্ষণে ওড়ে কাক;
দীর্ঘশ্বাস মেশে আর্দ্র ভীড়ে;
ফোটে যান্ত্রিক দ্রোহে অন্যসময়,
রাস্তার মোড়ে কিংবা একাকী চৌকাঠে
সকল শব্দের শরীরে মিশে যাবার বন্যতায়;
ছায়াঘন আবাসের
পুরনো দেয়ালে আঁচড় কাটা সবগুলো গান
নিস্প্রভ নিরুত্তাপ হয়ে শয্যার আমন্ত্রণ জানায়
সকল যুদ্ধের অবসরে,
ফিরে যাবার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে
শুনিয়ে যায় চেতনায়...
এ শহরে রাত্রি নেই,
রাত নামে না এই শহরে।
উৎসর্গঃ প্রিয় রানা ভাই যিনি সামুতে নষ্টালজিক নামে লেখেন; আমার অল্পচেনা একজন শতভাগ শহুরে এবং রাত্রিপ্রিয় মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


