আমাদের এই মহান ব্যাক্তি আইনস্টাইন, স্টিফেন হকিং এর মতো বিজ্ঞানীদের "নিজস্ব পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণার বাহিরের জ্ঞান"-কে 'প্রাধান্য' দেননা। তিনি ইউনানি শাস্ত্র মতে এ্যাজহোল নিয়ে গবেষনা করতে গিয়ে ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে বিরাট মতবাদ দিয়ে ফেলেছেন। তিনি ("ব্ল্যাকহোল" সম্পর্কে নিখুঁত তথ্যগুলো আল-কোরআনে কিভাবে এলো?- তা সত্যিই ভাবায়) টাইটেলের পোস্টে এই মতবাদ প্রদান করেছেন।
তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, তার ভাষায়: "কোরআনে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করা হলেও এই "ব্ল্যাক অর্থাৎ কৃষ্ণ”- বৈশিষ্ট্যটির বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। কারণ ব্ল্যাকহোলের স্রষ্টা সর্বজ্ঞ মহান অল্লাহপাক ভালভাবেই জানেন যে, ব্ল্যাকহোলগুলো প্রকৃত অর্থে ব্ল্যাক অর্থাৎ কৃষ্ণ নয়।"
যেহেতু কিছুই বলা নেই সেহেতু এটা তার কাছে ব্ল্যাকহোলের ইঙ্গিত
আবার উনি কোরআনের এক আয়াতের কথা বলেছেন, যেটাতে নাকি ব্ল্যাকহোলের কথা বলা হয়েছে। সেটা হলো "আমি শপথ করছি নক্ষত্রসমূহের পতিত হওয়ার স্থানের।"
প্রথম কথা, আপনারাই বলেন, এতো কিছু থাকতে ব্ল্যাকহোল কোন শপথ করার মতো বিষয় হলো????? এটা কমনসেন্সের ব্যাপার নয়? এই আয়াত পড়ে কি আপনাদের মনে হয় এটা ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে "নিখুঁত" তথ্য?
নক্ষত্রসমূহের পতিত হওয়ার স্থান বলতে ভূমিকেই বোঝানো হয়েছে। কারন আমরা আকাশের যে উল্কাপাত দেখি, সেটাকেই তখন নক্ষত্র পতন হিসেবে জানতো মানুষ। তাদের কাছে মনে হতো আকাশের তারা মাটিতে গিয়ে পড়ছে, কারন উল্কা আর নক্ষত্রের পার্থক্য মানুষ তখন জানতোনা। ব্ল্যাকহোলেরতো প্রশ্নই ওঠেনা।
আপনারা যারা এই মহান ব্যাক্তির পোস্টখানা মিস করেছেন তারা দয়া করে নিচের লিঙ্ক ভিজিট করুন। আর ভালো কথা, তার জ্ঞানের রেফারেন্স হচ্ছে "ইনকিলাব" পত্রিকা
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




