আমার প্রিয় পোস্ট
- GRE GMAT IELTS TOEFL যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড সিরিজ +উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক পোস্টের কালেকশন - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- চাউলের কেজি ১০টাকা !! - ওবায়েদ
- টাইপিং মাস্টার : ফুল ভার্সন - কোর আই সেভেন
- পছন্দের কিছু গজল - জগজিৎ সিং - মে ঘ দূ ত
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: কেউ কথা রাখে নি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জোকস: ১৮-....বুড়োদের পড়া নিষেধ। - বৃষ্টি এবং নীলা
- একটা ডাইনোসর আমলের জোকস
- অরণ্যচারী
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- যে আমাকে প্রেম শেখালো - হা...হা...হা...
- একটি (অপ) মানপত্র(১৮+) - অপরিচিত_আবির
- অনেকদিন পর একটি ১৮+ জোক - শামীম হাদী
- জনের নির্মম প্রতিশোধ!
- হাসান মাহবুব
- জনের বায়োগ্রাফি ১৮+
- হাসান মাহবুব
- ১০টি মজাদার কৌতুক। সাথে একটা ফাও... - ভিন্ন দৃষ্টি
- আরো কিছু সোভিয়েত্স্কি কৌতুকভ।(প্রায় সবই পলিটিক্যাল) - হাসান মাহবুব
- নজরুলের উদ্দেশ্যে তার 'বিদ্রোহী' কবিতা পুরাটা দিলাম - েভােরর স্বপ্ন
- কিছু অমোঘ বাণী যা আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে - ১ - পাপী
- সবচেয়ে সস্তায় যা পাওয়া যায় তার নাম উপদেশ। - আশাবাদী মানুষ
- মুভি ডাউনলোড করুন ইচ্ছেমতো - ৬০০ মুভির লিস্ট - মিডিয়াফায়ার - মইন
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- গণিতের সপ্ত কৌতুক (২) - ম্যাভেরিক
- আমার দশটি পুরানো (৩৬+) কৌতুক - আখসানুল
- খুব সহজেই ফেইসবুকের ভিডিও সংরক্ষন করুন আপনার হার্ডডিস্কে ! - তারেকবিডি
- এরকম আঁকতে পারলেতো হইতোই!
- নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- হঠাৎ-দেখা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রিয় এ কবিতা ) - সহেলী
- তোমার আমার এই যে বিরহ একজনমের নহে - অপ্সরা
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! সাথে মুভী ডাউনলোডের ইউনিভার্সাল সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- সবকথা কৌতুক নিয়া!
- তাজুল ইসলাম মুন্না
- তুমি আছো আমি আছি তাই - বরুণা
- বাংলাদেশ ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড(!), PayPal ও হতভাগা আমরা...
- আদনান™
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- হলিউড ফিল্ম(রেটিং কৃত) - আজম
- ১৮+ পোস্ট.... - উজ্বল নক্ষত্র
- মাছে ভাতে বাঙ্গালী, দুর্বল দেহ, দুর্বল মন,ঘাড়ে চাপে স্বদেশী বিদেশী দু:শাসন - পাললিক মন
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৬ [শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য] - বিডি আইডল
আবেগীয় শিক্ষা - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জীবনের প্রথম পাঁচটি বছর
১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
"আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা - আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ" লেখাটির সূত্র ধরে আজ আবেগীয় শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করবো, বিশেষ করে প্রথম শৈশবে শিক্ষার গুরুত্বটা তুলে ধরাই হচ্ছে আজকের লিখাটার উদ্দেশ্য।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী ওয়ালটার মিশেল ১৯৬০ সাল থেকে একটি পরীক্ষা শুরু করেছিলেন। তাতে তিনি প্রমান করেছিলেন যে চার বছর বয়সে একটা শিশু নিজের উত্তেজনা নিয়ন্ত্রনের যে দক্ষতা রপ্ত করে তার উপর নির্ভর করেই পরবর্তিতে পরিচালিত হয় তার জীবনের গতিপথ। চারবছর বয়সের একটা শিশুর আবেগীয় বুদ্ধমত্তা পরীক্ষা করে মোটামুটি নির্ভুল ভাবে অনুমান করা যায় বিভিন্ন বয়সে তার ব্যক্তিত্ব কেমন হবে, ছাত্রজীবনে সে কতোটা ভালো করতে পারে, তার কোন একটা কাজ করার পদ্ধতিই বা কেমন হবে। তাই জীবনের প্রথম চার/পাঁচ বছরের শিক্ষাটা খুবই বেশি গুরুত্ব বহন করে।
পরিক্ষাটি ছিল এরকম:
চার বছর বয়সের কিছু শিশু তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য তাদের উত্তজনা নিয়ন্ত্রন করার ক্ষেত্রে কি পরিমান দক্ষতা দেখাতে পারে তা বের করার জন্যই ছিল এ পরিক্ষাটি। এক্ষেত্রে চার বছর বয়সের একটা শিশুকে বলা হয় আমার কাছে মার্শম্যালো (ধরে নেয়া যেতে পারে চকোলেট) আছে এবং আমি তোমাকে তা দিবো, আমি এখন একটু বাইরে যাচ্ছি এবং একটু পর ফিরবো (১৫ মিনিট)। তুমি যদি ততক্ষন অপেক্ষা করতে পারো, তবে দুইটা মার্শম্যালো দিবো। আর যদি অপেক্ষা করতে না পারো তবে দিবো একটি। তুমি যদি একটাই নিতে চাও তবে এখনই তা দিতে পারি। অনেকগুলো শিশুর উপর একই পরিক্ষা করেন তিনি। ফলাফল কিছু শিশু দুটি মার্শম্যালো লোভনীয় হলেও অপেক্ষা করতে পারে না, তারা সাথে সাথে একটা নিয়েই খুশি হয়, আর কিছু শিশু অপেক্ষা করে দুইটা নেয়ার জন্য। এই অপেক্ষা করার সময় তারা কিছুটা উত্তেজনায় ভুগে, এই উত্তজনা প্রশমনের জন্য কেউ কেউ মাথা হাত দিয়ে বসে থাকে, কেউ নিজে নিজে কথা বলে আর কেউ বা কোন না কোন খেলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করে দুইটা মার্শম্যালো আদায় করে নেয়।
ওয়ালটার এই শিশুদের কে দুইটা গ্রুপে ভাগ করলেন। একটা গ্রুপ যারা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পেরেছিল, আর একটা গ্রুপ যারা পারেনি। ওয়ালটার ভবিষ্যৎ বানী করেছিলেন যে শিশুরা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পেরেছিল তারা অনেক বেশি মানসিক দক্ষতার অধিকারী হবে এবং জীবনের বিভিন্ন সময়ে তারা অন্যান্য শিশুদের চেয়ে অনেক বেশি সাফল্য লাভ করবে। তিনি তাঁর এই ভবিষ্যৎবানী প্রমানের জন্য প্রতিটি শিশুকে পরবর্তি ২০ বছর মনিটর করার ব্যবস্থা করলেন।
১০ বছর পর পরীক্ষা করে দেখা গেল, যে শিশুরা অপেক্ষা করতে পেরেছিল তারা সামাজিক ও মানসিক ভাবে অনেক বেশি দক্ষ, ব্যক্তিগত ভাবে অনেক বেশি কর্মক্ষম, তারা নিজেদেরকে অনেক ভালো ভাবে প্রকাশ করতে পারে এবং নিজেদের হতাসা জনক পরিস্থিতিকে অনেক ভালো ভাবে সামাল দিতে পারে। তারা চাপের মধ্যেও খুব একটা এলোমেলো আচরন করে না, সবসময়ই চ্যালেন্জ নিতে পছন্দ করে এবং সাধারনত হাল ছেড়ে দেয় না। এরা আত্মবিশ্বাসি, বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য। এরা অনেক বেশি উদ্যোগী এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনা মাফিক ধর্য্য ধারন করতে পারে।
অন্য পক্ষে যারা অপেক্ষা করতে পারেনি তাদের মধ্যে এই গুন গুলো অনকে কম পরিলক্ষিত হয়। এরা মানসিক ভাবে দুর্বল, সমাজে মেলামেশা করতে ভয় পায়, সিদ্ধান্থীনতায় ভুগে, হতাশায় এবং আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগে। এরা সাধারনত চাপের মধ্যে এলো মেলো আচরন করে। এরা সাধারনত বিশ্বস্ত বা নির্ভরযোগ্য নয় এবং প্রতিকুল পরিস্থিতিতে অনেক বেশি উত্তেজিত হয়ে পরে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ফলাফল হলো এই শিশুরা যখন পড়শুনা শেষ করলো তখন দেখা গেল যারা অপেক্ষা করতে পেরেছিল তারা অন্যদের তুলনায় SAT test এ গড়ে ২১০ নম্বর বা প্রায় ৪০% বেশি পেয়েছে।
এখন দেখা যাক চার বছর বয়সের শিশুরা যে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিলো তা তারা কিভাবে রপ্ত করেছে। এটা কি স্বভাবজাত, জেনেটিক না শিক্ষা। সাধারনত এতো অল্প বয়সে শিশুকে পরিকল্পনা মাফিক তেমন কিছু শিখানো হয় না। কিন্তু এই বয়সেই শিশুরা শিখে সবচাইতে বেশি। আমরা তাদেরেক কিছু শিখাতে চাই বা না চাই, আশেপাশের পরিবেশ থেকে বা শিশুদের সাথে কি রকম আচরন করা হচ্ছে তা থেকেই তারা নিজেদের মতো করে অনেক কিছু শিখতে থাকে। এই শিক্ষার শুরু একেবারে জন্মের পর থেকে।
যেমন কোন শিশুর আবেগকে যদি তার আশেপাশের লোকজন মূল্য না দেয় তবে শিশু এক সময় তার সে আবেগের প্রকাশ বন্ধ করে দিবে এবং শেষ পর্যন্ত এমনকি সে সেই আবেগ অনুভব করাও ভুলে যাবে। শিশুর যখন ক্ষুধা লাগে তখন শুরুতেই সে কান্নকাটি করে না। সাধারনত এদিক ওদিক তাকাতে থাকে, ঠোট দিয়ে এমনি এমনি চোষার চেষ্টা করে বা কখনো হাত চুষতে থাকে। এর পরও যদি তা লক্ষ্য করা না হয় তখন সে কান্না দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করে। কান্নার পর যদি তাকে খাবার দেয়া হয় এবং এই ঘটনা নিয়মিত ঘটে তবে শিশু এক সময় বুঝতে থাকে তার শুরুতে আবেগের (ক্ষুধার) প্রকাশটা কার্যকরি নয়, কান্নাটাই কার্যকরী। এ ক্ষেত্রে শুরুতে কিছুটা ধর্য্য ধরে অপেক্ষা করাটা সে ভুলে যাবে এবং প্রথমেই কান্না করতে থাকবে। এটা গেলো একটা উদাহরন। এভাবে তার আশেপাশের প্রতিটা ঘটনা থেকেই সে শিখতে থাকে।
শিশুর আবেগকে ক্রমাগত অবজ্ঞা করা হলে, অন্যের আবেগকে যে বুঝার চেষ্টা করা দরকার এ বিষয়টাও সে শিখতে পারে না। শুধু শিশুর সাথে অন্যান্যের সম্পর্ক নয় বরং তার আশেপাশের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেও সে শিখে।
শিশুর আবেগকে অবজ্ঞা করার অন্যতম উদাহরন দেখতে পাওয়া যায় যখন শিশুরা খাবার প্রতি অনিহা দেখায়। মায়েরা সাধারনত প্রকৃত কারন বুঝতে পারে না এবং শিশুকে জোর করে খাবার জন্য। এতে করে ফল কখনোই ভালো হয় না। আমাদের যেমন মন খারাপ থাকলে ক্ষুধা লাগে না, শিশুদের ক্ষেত্রেও ব্যপারটা তাই, এমনকি কয়েক মাস বয়সি শিশুর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এখন যদি তার মনখারপ বিষয়টাকে গুরুত্ব না দেয়া হয় তবে এ ধরনের আবেগকে অবজ্ঞা করা যায় বলেই ধরে নিবে। বরং শিশুর মন ভালো করার ব্যবস্থা করা গেলে (হতে পারে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া) খাবারের অনিহা দূর হতে পারে।
কনসেপ্ট অভ মাল্টিপল ইনটেলিজেন্স এর অধ্যাপক থমাস হাচ এবং গার্ডনার এর বর্ননা থেকে দেখা যায় চার বছর বয়োসে শিশুরা যে সামাজিক দক্ষতা, অন্যের অবেগকে বুঝার ক্ষমতা বা অন্যকে ইতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করার যে ক্ষমতা রপ্ত করে তা সারাজীবন তার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ন গুনাবলীর পাথেয় হয়ে থাকে।
চার বছর বয়সের কিছু শিশু স্কুলের মাঠে দৌড়াচ্ছিল। এর মধ্যে রিজ নামে একজন পড়ে যায় এবং ব্যথা পেয়ে কাঁদতে থাকে। অন্য সবাই তা খেয়াল না করে দৌড়াতে থাকে। শুধু রজার নামে একজন তা খেয়াল করে এবং রিজ এর কাছে এসে নিজের হাটু মালিস করতে করতে বলে যে সেও ব্যথা পেয়েছে। হাচ এবং গার্ডনার রজারের এই গুনকে অন্যের আবেগকে বুঝার এবং তাকে ইতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করার অসামান্য উদাহরন হিসাবে উল্লখ করেন যা সে মাত্র চার বছর বয়সেই রপ্ত করেছে। রজারের এই গুন পরবর্তিতে তাকে আরও অনেকগুলো গুন অর্জনে সাহায্য করবে বলে তারা অনুমান করেন। এর মধ্যে পরে সাংগঠনিক দক্ষতা, নেগোসিয়েশান স্কিল, ব্যক্তিগত এবং সামাজিক সম্পর্ক এবং সহজাত নেত্রীত্বের গুন। লক্ষ করা যায় রজারের সহজাত নেত্রীত্ব তার সমসাময়ীক শিশুরা আগ্রহভরে অনুসরন করে।
আমরা শিশুদের শিক্ষার ব্যপারে স্বাভাবিক ভাবেই চেষ্টার কোন ত্রুটি করি না। কিন্তু সঠিক ধারনা না থাকার কারনে অধিকাংশ সময়ই তা খুব একটা ভালো ফল দেয় না। অধিকাংশ শিশুই তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া শিক্ষাটা আগ্রহ ভরে গ্রহন করে না বরং চাপ অনুভব করে। যে সময় তাদের মানসিক দক্ষতা শিক্ষা দেয়া দরকার সে সময় তাদের সাধারনত সে শিক্ষা দেয়া হয় না বরং না বুঝে তাদের আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার শিকড়টা কেটে দেওয়া হয়। পরবর্তিতে তাদের সক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি চাপ দেয়া হয়, যার ফলাফল হয় আরও খারাপ।
শিশুর আবেগকে অবজ্ঞা না করার অর্থ কিন্তু এটা নয় যে সে যা চায় সেই মতো চলা, বরং এর অর্থ হলো শিশুর আবেগকে সঠিক উপায়ে পরিচালিত করা। সর্ব প্রথম দরকার তার আবেগকে উপলব্ধি করা, তাকে বুঝানো দরকার যে তাকে অবজ্ঞা করা হচ্ছে না এবং তার চাওয়াটা সঠিক না হলে এ ক্ষেত্রে তার করনীয় কি হবে সে বিষয়ে তার মধ্যে সঠিক উপলব্ধি তৈরী করা। যেমন শিশু হয়তো এমন একটা কিছু নিয়ে খেলতে চাচ্ছে যা তার উচিৎ নয়, তখন তাকে এটা বললে ঠিক হবে না যে ওটা নিয়ে খেলো না। বরং বলতে হবে এটা নিয়ে খেললে এই সমস্যা বরং তুমি অন্য একটা কিছু নিয়ে খেল।
আর একটা ব্যপার হচ্ছে আমাদের শিশুদের খুবই পরনির্ভরশীল করে তোলা হয়, হতে পারে তাদের প্রতি ভালোবাসার কারনেই তা করা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা আমাদের সন্তনদের ক্ষতিই কিন্তু করি। পরে যখন নির্ভর করার মতো মানুষ পায় না তখন তারা সমস্যায় পরে। আমাদের দেশের মানুষ স্বাবলম্বি হতে অনেক বেশি সময় নেয়, কখনো কখনো তারা পুরাপুরি সাবলম্বি হতে পারে না কখনোই।
সন্তানের প্রতি ভালোবাসার কারনে আমাদের ভালোলাগা গুলোকে তাদের জন্যও ভালো মনে করি আমরা সবসময়। অবজ্ঞা করি তাদের আবেগ। কিন্তু মনে রাখি না যে জীবন কখনো পশ্চৎ মূখী নয়। কাহলিল জিব্রানের একটা কবিতা আমার খুব ভালো লাগে: পড়তে চাইলে Click This Link
যেহেতু একান্ত শৈশবের আবেগ শিক্ষাটা একেবারেই পরিবারের মাধ্যমে হয়, তাই এক এক পরিবারের শিশু এক এক রকম সক্ষমতা নিয়ে বেড়ে উঠে। তাই বাবা-মায়ের সচেতনাটাই এই ক্ষেত্রে এক মাত্র সমাধান। জাতির সমৃদ্ধ ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে তাই প্রয়োজন রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সচেতনা বৃদ্ধির উদ্দোগ।
আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে আরও পড়তে চাইলে:
১। আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা - আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ Click This Link
২। বাঙ্গালীর আবেগ প্রবণতা - বিজ্ঞানের চোখে দেখা Click This Link
এই বিষয়ের প্রতিটি লিখার ক্ষেত্রে আমি Daniel Goleman এর Emotional Intelligence বইটার কাছে আমি ঋনি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিক্ষা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ। অনেক দিন পর ব্লগে একটা ভালো লেখা পড়লাম। প্রিয়তে তো গেলই। আরও লেখার অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শামীম ভাই, আপনার মন্তব্যর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনুপ্রানিত হলাম, ভালো লিখা উপহার দিবার জন্য।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
জোস লেখা হয়েছে। পড়ে অনেক উপকৃত হলাম। প্রিয়তে রাখলাম। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম।
ধন্যবাদ সৌভাগ্য (সাদাত) ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:
আমার একটা বদঅভ্যাস লেখকের নাম না দেখেই পড়তে শুরু করা। এই লেখাটিও সেভাবেই শুরু। যখন ভালো লাগায় বুঁদ হয়ে পড়ছিলাম এক জায়গায় এসে কাহলিল জিব্রানের নাম দেখেই বুঝতে পারলাম কার লেখা। আপনি কি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত?
লেখক বলেছেন:
আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুব ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
চমৎকার লেখা।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:
বি এড করার সময় (বাউবি) শিশু মনোবিজ্ঞানের একটা হালকা ধারণা লাভ করি। খুব আগ্রহ এ বিষয়ে পড়াশোনা করার।
লেখক বলেছেন: তাহলে আপনার ভালো ধারনা আছে এ বিষয়ে। ব্যাক্তিগত আগ্রহ থেকেই আমার এই বিষয়ে পড়াশুনা।
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:
লজ্জা দেবেন না। আমি কোন কালেই ভাল ছাত্র ছিলাম না।
লেখক বলেছেন: ভালো ছাত্র হওয়াটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ন নয়।
আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা - আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ
লিখাটা পড়তে পারেন।
জুমানজি১১ বলেছেন:
লেখাটি যেমন উচ্চমার্গীয় হয়েছে...তেমন ই তথ্যবহুল...আমাদের সমাজের প্রতিটি মানুষের এ জাতিয় জ্ঞ্যান থাকা আবশ্যক। প্রিয় এর খাতায় এটা লিখে রাখলুম।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।
মহলদার বলেছেন:
খুব ভাল লেগেছে। বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধন্যবাদ আপনাকে।।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো জেনে খুশি হলাম।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
খুশি হলাম এমন একটা লেখা পড়ে
লেখক বলেছেন: আপনাদের ভালো লাগাই আমার লিখার অনুপ্রেরণা।
ধন্যবাদ
হামোম প্রমোদ বলেছেন:
দরকারী পোষ্টতো অবশ্যই। ইমুশোন্যাল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে আমার আগ্রহ অনেকদিনের। কারণ আমিও কিছুটা ঐ টাইপের আর কি। তবে শিশুদের শিক্ষা নিয়ে পড়াশুনার সময়ও এর গুরুত্ব নিয়ে পড়েছি। আসলেই বিষয়টা নিয়ে বাংলাদেশে আরও জানাশোনা আবশ্যক। তাইলে শিশুদের ডান্ডা - বেতের শাসন টা একটু হলেও কমে যেত।
লেখক বলেছেন: একমত আপনার সাথে।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি কি ফাজিল শিশু?
লেখক বলেছেন: আশাকরি ভালো লাগবে।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
যীশূ বলেছেন:
ভালো একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: একটা শিশুকে বড় করার সময় যখন মা-বাবা অনুভব করে, এই শিশুটি একদিন নেতৃত্ব দিবে, সকল হতাশা আর স্থবিরতা থেকে বের করে নিয়ে যাবে সবাইকে, তখন শিশুটির প্রতি তাঁদের আচরন হয় একজন শীল্পির মতো যে জগৎ বিখ্যাত একটা ছবি আঁকছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
গৌতম রায় বলেছেন:
পুরোটা পড়া হয় নি। পড়ার জন্য শোকেসে তুলে রাখলাম। তবে বিষয়টা পছন্দ হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
আমি নিজেও ছোটবেলা থেকেই একটু অস্থির প্রকৃতির... পরবর্তী জীবনে বিভিন্নভাবে আমাকে তার মাশুল দিতে হয়েছে।অনেক কিছু জানা ছিলো না, জানা হলো। ভালো লাগলো। দেখি, নিজের সন্তানকে মানুষ করার ব্যাপারে এর সামান্যতম হলেও কাজে লাগাতে পারি কিনা।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনাদের ভালো লাগাই আমার লিখার প্রেরনা।
ধন্যবাদ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
দারুন। কোন লিখা মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য যে যুক্তি-ছন্দ-সাবলিলতা দরকার, সবই আছে এই লিখায়। আর বিষয়ের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারও খুব ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ।
মুঘল সম্রাট বলেছেন:
বর্তমান এবং আগামীর বাবা-মায়েদের জন্য লেখাটা খুব জরুরী।গণমাধ্যমে এ বিষয়গুলো নিয়ে কিছু ছোট চলচিত্র করা দরকার।
লেখক বলেছেন: আপনার গুরুত্বপূর্ন মতামতের জন্য ধন্যবাদ মুঘল সম্রাট।
অধর বলেছেন:
মাঝে মাঝে শিশুদের জন্য কিছু একটা করার অভাব তাড়না অনুভব করি। অন্তত ভালো ব্যবহার। সব সময় হলে উঠে না। তবু চেষ্টা করি। লিখাটি পড়ে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: গোলেম্যান পড়া শুরু করেছিলাম মূলত নিজের জন্য। পড়তে পড়তে বুঝতে পারলাম শৈশব থেকে শিখে আসা আবেগের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করাটা খুব একটা সহজ নয়। এই অনুভুতি থেকেই এই লিখার প্রেরনা।
খুশী হলাম আপনার ভালো লাগলো জেনে।
লেখক বলেছেন:
![]()
নিবিড় বলেছেন:
লিখাটার জন্য থ্যাংস
লেখক বলেছেন: স্বাগতম নিবিড়।
আই আনাম বলেছেন:
অসাধারণ হয়েছে। আপনি শিক্ষাবিজ্ঞান নিয়ে লেখাপড়া করেছেন??
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে কিছুটা পড়াশুনা করি, এর বেশি কিছু না।
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন:
চমৎকার। প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রায় এক মাস পর ব্লগে আসলাম। উত্তর দিতে দেরি হলো বলে দুঃখিত।
নিপাট গর্দভ বলেছেন:
জোটিল
লেখক বলেছেন: Dhonnobad ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ![]()
অদ্ভূত আলোক বলেছেন:
অনেক কিছুই নতুন করে জানতে পারলাম ...
লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ![]()
নিঃশব্দের পৃথিবী বলেছেন:
chomotkar lekha
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পৃথিবী ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















