আমি এক কথায় বলব, না। কখনও না।উনার মতো একজন শুদ্ধ চিন্তা-চেতনার অধিকারী পরিশীলিত মানুষের কখনও ঠিক হবেনা আমাদের কলুষিত রাজনীতির কাছে মাথা নত করা, তাও বিনা অন্যায়ে। অথ্যাপক আবু সায়িদ এর বক্তব্য নিয়ে আজ সংসদে যারা ঝড় তুলছেন তারা নিজেদের বুদ্ধি-বিবেচনাকে কাজে লাগাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছেন। এটা আমার বক্তব্য। তানাহলে উনার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এভাবে সংসদকে উত্তপ্ত করতেন না সাংসদরা। একেই বলে চিলে কান নিয়ে গেছে বলে নিজের কানের দিকে হাত না বাড়িয়ে চিলের পেছনে দৌড়ানো। উদাহরণটা কাদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় আমরা সকলেই জানি।
সেদিন অধ্যাপক আবু সায়িদ স্যার যা বলেছেন তা হুবহু এরকম
‘চোর যে চুরি করে, ডাকাত যে ডাকাতি করে, সেটি কি দুর্নীতি? আমার ধারণা, এটা দুর্নীতি নয়। কারণ, দুর্নীতি শব্দের মধ্যে আরেকটি শব্দ লুকিয়ে আছে। শব্দটি হলো ‘নীতি’। চোর বা ডাকাতের কাজ ঠিক দুর্নীতি নয়। কারণ, তাদের কোনো নীতিই নেই। সুতরাং, দুর্নীতি সেই মানুষটি করে, যার নীতি আছে। একটা উদাহরণ দিই। যেমন—যদি একজন মন্ত্রী এই বলে শপথ নেন যে তিনি শত্রু-মিত্র ভেদাভেদ না করে সবার প্রতি সমান বিচার করবেন, কিন্তু পরে তিনি সেটি না করেন, সেটা হবে দুর্নীতি।’
প্রথম আলো বলেছে তাঁর এই বক্তব্যের রেকর্ড তাদের কাছে আছে।
আমার প্রশ্ন হলো এখানে কোথায় সাংসদদের চোর-ডাকাতের সাথে তুলনা করা হয়েছে ? প্রকৃত সত্য হলো অধ্যাপক আবু সায়িদদের মতো উচ্চ মার্গের পরিশুদ্ধ মানুষের চিন্তা-চেতনার ধারে-কাছে যাওয়ারও যোগ্যতা নেই আমাদের সাংসদদের। তারা নিজেরাই এটা প্রমাণ করার জন্য যথেস্ট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



