আমার প্রিয় পোস্ট
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- সাইবারপরিসরে, বিকল্প মাধ্যমের খোঁজে - ফাহমিদুল হক
- মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে ব্লগ - এস. এম. রায়হান
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- তাবিজ-কবজ সম্পর্কে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বক্তব্য এবং এর জবাব - সৈয়দ মবনু
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের জন্য আত্মহত্যা'মাওলানা আবুল কালাম আজাদ - শাহানূর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়*** - উমর
- ফ্রী ই-বুক ডাউনলোডের জন্য সেরা ১০টি ওয়েব সাইট - ইমতিয়াজ মাহমুদ সজিব
- এন্টি গল্প > সেই ডানকানা মাছটি আর ফিরে আসেনি > - মনজুরুল হক
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন - এস. এম. রায়হান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম - আকাশ অম্বর
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কমেডী ভিডিওগুলো। হা হা চে থে প গে
- শূন্য আরণ্যক
- যুগে যুগে সামহয়্যার ইন ব্লগ (স্ক্রিনশট) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- রাহুল দেব বর্মন আছেন, থাকবেন। চিরকাল.......... - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- প্রসঙ্গ নজরুল-গান্ধী : চমকে ওঠা ইতিহাসে কিছু বিভ্রান্তির জবাব - আবু নাঈম
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- দিগন্ত ছোঁয়া বাঁশরীর সুর - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- সব বাংলা বর্ণ নিয়ে বাক্য -এর উদাহরণ - সিউল রায়হান
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- জয়নুল আবেদিনের কিছু ছবি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
জীবনে যা পড়েছি-৫ (মানিকের পুতুল নাচের ইতিকথা)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
মানুষ যত উপরের দিকে উঠতে থাকে ততই বুঝি সে একা হতে থাকে?! কর্তব্যের চাপে, ব্যস্ততার কোলাহলে বুঝি বা একে একে হারিয়ে যেতে থাএক সব চেনা চেনা মুখ! শ্বাশত এই কথাই যেন "পুতুল নাচের ইতিকথা"য় বলে দিয়েছেন অমর কথাশিল্পী মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায়।
আমাদের প্রজন্মের বেশীরভাগেরই মানিকের সাথে পরিচয় উচ্চ মাধ্যমিকে "পদ্মা নদীর মাঝি" দিয়ে। আর সাহিত্যকে বড়-ছোট প্রশ্ন আর ব্যাখ্যা-টীকা-টিপ্পনীর যাঁতাকলে ফেলে এর মূল মজা নষ্ট করে দিয়ে পাঠক সত্ত্বাটিকে মেরে ফেলতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কোন জুড়ি নেই (অবশ্য নটরডেমের মুখতার স্যারের ছাত্রদের কথা আলাদা)
। আমার সৌভাগ্য পদ্মা নদীর মাঝির আগেই আমি পুতুল নাচের ইতিকথা পড়তে পেরেছিলাম। আর মানিকের অসাধারণত্বকে তখনই ধরতে পেরেছিলাম।
সেই টিনএজ বয়সে শশীডাক্তার আর বন্ধু পত্নীর মাঝে গড়ে ওঠা ঘরভাঙা প্রেমের অমন পরিণতি মনের উপরে সত্যিই কেমন একটা ছাপ ফেলেছিল। মানিকের প্রায় সব উপন্যাসেই যে প্রেমগুলো উঠে আসে সেগুলো কেন যেন সামাজিকভাবে সমর্থনযোগ্য হয় না। অথচ, মানবপ্রেমের গহীন প্রদেশের কোণায় কোণায় আলো ফেলে এত দারুনভাবে চিত্রকল্প তৈরী করেন মানিক যে, সে প্রেমগুলোকেও অস্বাভাবিক বলে মনে হয় না। এখানেই বোধ করি মানিকের সাফল্য!
পুতুল নাচের ইতিকথার গল্প আবর্তিত হয়েছে গাওদিয়া গ্রাম ও এর আশেপাশের জনপদকে ঘিরে। গ্রামের সুদী মহাজন গোপালের একমাত্র ছেলে শশী কোলকাতা থেকে পাশ করা ডাক্তার। পিতার কাজে অসন্তুষ্ট শশী যেন পিতৃপাপের প্রায়শ্চিত্য করতেই যেন গ্রামের গরীব-দুঃখীর সেবায় আত্ননিয়োগ করে। অন্যদিকে, পরান ঘোষের স্ত্রী কুসুম। সুখে-অসুখে শশী পরানের পারিবারিক পরামর্শদাতা-বন্ধু। এভাবেই কখন যে কুসুমের মন জুড়ে শশীর রাজত্ব শুরু হয়ে গেল কুসুম নিজেই টের পেল না। গাঁয়ের মেয়ে হিসেবে যথেষ্ট সাহসী কুসুম। তাই, নিজের ভালোলাগাটুকু জানিয়ে দিতে কুসুমের কোন জড়তা নেই। বাড়ির পাশে তালবন; সেখানেই তাদের গোপ্ন অভিসার। কখনো আকারে-ইঙ্গিতে, কখনো সরাসরি, কখনো বা মান-অভিমানের ছলে শশীর বাগানের চারা গাছটাকে মাড়িয়ে আবার কখনো চরম মমতায় দীর্ঘ নয় বছর সে শশীর ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করে। এদিকে, সামাজিক দায়ভার আর সিদ্ধান্তহীনতায় শশী বুঝেও না বোঝার ভা করে এড়িয়ে চলে। কুসুমের আত্ননিবেদন যখন "সইতে পারি না ছোটবাবু", -এই সংলাপ আকারে বেরিয়ে আসে, তখন শশীই তাকে বাস্তবে ফেরায়। বলে, "আমরা ছেলেমানুষ নই। ইচ্ছে হলেই একটা কাজ কি আমরা করতে পারি? বুঝে-সুঝে কাজ করা দরকার।" এ দীর্ঘ সময়ে সে যে কতভাবে শশীকে জাগিয়ে তুলতে চায়! বলে, "এমনি চাঁদনী রাতে আপনার সাথে কোথাও চলে যেতে সাধ হয় ছোটবাবু।.......আপনার কাছে দাঁড়ালে আমার শশীর এমন করে কেন ছোটবাবু?"। কিন্তু, শশী অবিচল। ভাবে, "শরীর! শরীর! তোমার মন নাই কুসুম?"
মৃত যাদবকাকার উইল করে যাওয়া সম্পত্তি দিয়ে হাসপাতাল তৈরীর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে শশী। যামিণী কবিরাজের অল্পবয়স্কা শ্ত্রী সেন্দিদির বসন্ত রোগের সময় দিনরাত সেবা করে শশী। এভাবে গাঁয়ের লোকের মাঝে তৈরী হয় তাঁর একটি বিশিষ্ট স্থান। ঠিক তখনি যেন সে আবিষ্কার করে যে, অনেক লোকের ভীড়ে থেকেও আসলে সে বড়ো একা। সকলের চোখে সম্মানিত; সকলেই ভাল-মন্দ সব বিষয়ে তার মতামত প্রত্যাশী। তবু সে একা।
তাইতো, এতদিন যে শশী নিঠুর পায়ে দলেছিল প্রেমের অর্ঘ্য, একদিন সেই শশীই কাঙালের মত ছুটে যায় কুসুমের কাছে। বলে, "যেখানে হোক। যেখানে হোক চলে যাই, চল আজ রাত্রে।" কিন্তু, এবার কুসুমই তাকে ফিরিয়ে দেয়! বলে, "কেন যাব?...... আপনি বুঝি ভেবেছিলেন যেদিন আপনার সুবিধে হবে ডাকবেন, আমি অমনি সুড়সুড় করে আপনার সঙ্গে চলে যাব? কেউ তা যায়?"। শশীর রক্তাক্ত হৃদয় যখন অনুযোগে শুধোয়, "একদিন কিন্তু যেতে.", তখন আহত বাঘিনীর মত কুসুম বলে ওঠে, "স্পষ্ট করে ডাকা দূরে থাক, ইশারা করে ডাকলে ছুটে যেতাম।....আজ হাত ধরে টানলে ও আমি যাব না।" নিজেকে কুসুম সেই তাতানো লোহার সাথে তুলনা করে যা অবহেলায় ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে! তারপর, গাওদিয়ার পাঠ চুকিয়ে কুসুম স্বামীসহ চলে যায় বাপের বাড়ি।
মন ভাঙা শশীও ছেড়ে দিতে চায় গাওদিয়া। প্রথমে কোলকাতা, সেখান হতে বিলেত- এই চিন্তায় সবকিছু গুছিয়ে নিতে থাকে সে। কিন্তু, এবার, খেল দেখায় তার পিতা গোপাল। আজন্ম সংসারী-অর্থগৃধু গোপাল সবকিছু ছেড়েছুঁড়ে নিরুদ্দেশ যাত্রা করে। সাথে করে নিয়ে যায় সেন্দিদির মা’হারা সন্তান্টিকে যার পিতৃত্বের ব্যাপারে শশীর সন্দেহের আঙুল সবসময়ই তাক করা ছিল পিতা গোপালের দিকেই! অতএব, শশী আর কী করে! "এ ভার তো ফেলিবার নয়"।
শশী-কুসুম ছাড়াও উপন্যাসে কুমুদ-মতির ছন্নছাড়া জীবন আর বিন্দু-নন্দলালের অস্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনের কথকতাও উঠে এসেছে পুরোপুরি। এছাড়া উপন্যাস জুড়ে নির্বিকারভাবে ছড়িয়ে আছে অনেকগুলো মৃত্যু-বর্ণনা। আকাশের দেবতার কটাক্ষে (বজ্রপাতে) হারু ঘোষের মৃত্যু দিয়ে শুরু। গাছ হতে পড়ে ভুতো, সন্তান জন্মাতে গিয়ে সেনদিদি আর রথের দিন মরবেন এই কথা রাখতে গিয়ে যাদব-পাগলাদিদি- সবারই মৃত্যু যেন নিয়তির খেল। সবই যেন কোন এক বিরাট শিশুর পুতুল খেলা!
প্রাসঙ্গিক তথ্যঃ ১৯৩৬ সালে প্রথম বাজারে আসার পর এই অসাধারণ উপন্যাস ইংরেজী(১৯৬৮), হিন্দী, কানাড়ি, চেক, সুইডিশ, গুজরাটি(১৯৫৩), তেলেগু প্রভৃতি ভাষায় রুপান্তরিত হয়। এছাড়া ১৯৪৯ সালে এটি অসিত বন্ধ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় চলচ্চিত্রে রুপায়িত হয়। একমাসও চলেনি! ভাল জিনিসের কদর বোধহয় চিরকালই কম।
মানিক এবং পুতুল নাচের ইতিকথা নিয়ে আরো কয়েকটি লেখার লিঙ্ক।
১. সুমন আজাদের সামহ্যোয়ারইনব্লগ
২. দরিদ্রের মানিক, মানিকের দারিদ্র
৩. মানিকের পুত্র সুকান্ত বন্ধ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার
৪. গাওদিয়া নিয়ে একটি রিপোর্ট
……………………………………………………………………………………………..
আগের লেখা।
জীবনে যা পড়েছি-৪ (তারাশংকরের কবি)
জীবনে যা পড়েছি-৩ (পথের পাঁচালী)
জীবনে যা পড়েছি-২ (লোটাকম্বল)
জীবনে যা পড়েছি-১ (লা মিজারেবল)
................................................
পুতুলের ছবিটা অপ্সরার ব্লগ থেকে বিনা অনুমতিতে নেয়া হয়েছে!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জুল ভার্ন বলেছেন:
অনেক পরিশ্রমী লেখা! +
লেখক বলেছেন: ভাল বইয়ের উপর লিখাটা কষ্টকর হলেও কেমন একটা আনন্দ আছে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এবার দেখবেন?
উইকিপিডিয়ার লিঙ্কটা ঠিক করে দিয়েছি।
ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু! থ্যাঙ্কু! থ্যাঙ্কু!
সেই কবে পুতুলনাচের ইতিকথা পড়েছি।
আপনার পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে সব বাদ এখন হাতে থাকবে শুধু পুতুলনাচের ইতিকথা ।
এমন লোভনীয় ভাবে উপস্থাপন করেছেন যেন মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় আপনাকে বিজ্ঞাপনের দায়িত্ব দিয়েছেন।
খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। +++++
লেখক বলেছেন: প্যাঁচ লাগানোর জন্য দুঃখিত।
গণদেবতা পড়ি নি।
হাঁসুলী বাঁকের উপকথা পড়ার চেষ্টা করছি এক মাস ধরে। মন বসাতে পারছি না!
সুবীর বোস বলেছেন:
অসাধারণ উপস্থাপনা...এমন আরো কিছু আসুক...
লেখক বলেছেন: আরো!?
চারমাসে মাত্র পাঁচটা। আর এই পাঁচটা আনতেই কালোঘাম ছুটে গেছে!
হা হা হা; ধন্যবাদ।
আফসার নিজাম বলেছেন:
ভালো বই ভালো মানুষ গড়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অদ্রোহ বলেছেন:
মানিকের বোহেমিয়ান সমাজমনস্কতার আরেকটি চিত্র পুতুল নাচের ইতিকথা।মানিকের চতুষ্কোণ পড়েছেন? সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা একটি উপন্যাস এটি।
লেখক বলেছেন: চতুষ্কোণ পড়েছি। ভাল।
তবে, সকল বিচারে পুতুল নাচের ইতিকথাই সবার উপরে এমনকি পদ্মা নদীর মাঝিরও উপরে!
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
মোটেই রাগ করিনি । খুশী হয়েছি অনেক অনেক । এইগুলা সব আমার পুতুল আর চামচ পুতুলটাতো নিজে হাতে বানানো।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু! থ্যাঙ্কু!
আপ্নে যে বহুত কামের পাব্লিক হেইটা হগলতেই জানে! ![]()
পাথুরে বলেছেন:
"আমারে নিবা মাঝি লগে"..?
লেখক বলেছেন: আহারে কপিলা.............![]()
গৌতম রায় বলেছেন:
অফটপিক: মানিক বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে আলোচনার টেবিলে অনেককেই বলতে শোনা যায়- লেখায় রাজনৈতিক চেতনা না থাকলে মানিক বন্দোপাধ্যায় আরও গৃহীত হতেন। আমি একমত হতে পারি না। মানুষের কিছু অন্তর্গত মূল্যবোধ ধারণ করতেন বলেই মানিক পুতুল নাচের ইতিকথা, প্রাগৈতিহাসিক, পদ্মা নদীর মাঝি ইত্যাদি লেখা লিখতে পেরেছেন।লেখকের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা থাকলেই লেখককে খারিজ করে দেওয়ার যে টেনডেন্সি, আপনার লেখাটা তার বিপরীতে।
***
এই মুহূর্তে বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত উত্তরাধিকারের মানিক বন্দোপাধ্যায় সংখ্যাটা উল্টাচ্ছিলাম। আর তখনই এই লেখাটা চোখে আসলো। উপকারী কাকতালীয় ঘটনা।
লেখক বলেছেন: আমার কাছে রাজনৈতিক চেতনার ব্যাপারটা ক্লীয়ার না। মানবিকতা মূখ্য হয়ে উঠলেই আমার ভাল লাগে।
উপকারী কীনা জানি না, তবে কাকতালীয় ত বটেই!
![]()
ধন্যবাদ।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
বইটা আমার অন্যতম প্রিয় বই। আর মানিক হচ্ছে সবচেয়ে পছন্দের। তাই দেরি না করে পোষ্টটাকেও প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদিত করিয়া তোমাকে ছোট করিতে চাহি না! ![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
প্রিয় বইটির রিভিউ পড়ে অনেক ভাল লাগলো!আর আপনার বিশ্লেষনী হাতের কথা কী আর বলবো!
যথার্থ এবং যথাযথ!
লেখক বলেছেন: আর লজ্জা দেবেন না, জনাব!
ভাল লাগাতে পেরে ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনাকে, পড়ার জন্য।
গৌতম রায় বলেছেন:
মানবতা (কিছু মনে করবেন না, মানবিকতা শব্দটা ভুল) কখনও কখনও রাজনৈতিক চেতনার সমর্থক। লেখক যখন নিম্নস্তরের (!) মানুষদের বঞ্চনাটা সমাজ পরিবর্তনের দৃষ্টিকোণ দিয়ে দেখেন, তখন তার লেখায় বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠে, যেটা মানিক, সুকান্ত বা সৌমেন চন্দের লেখায় দেখা যায়। আর ঠিক এই কারণে অনেকে তাদের বড় সাহিত্যিক মনে করতে চান না।
লেখক বলেছেন: ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
যদিও আমি মানবতা অর্থে ঐ শব্দ ব্যবহার করি নি!
মানব মনের অন্তর্নিহিত রহস্যকেই মানবিকতা বলেছি; সম্ভবতঃ সে অর্থে ভুল হয় নি! যাই হোক, এটা কোন জরুরী বিষয় নয়।
/*মানুষদের বঞ্চনাটা সমাজ পরিবর্তনের দৃষ্টিকোণ দিয়ে দেখেন, তখন তার লেখায় বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠে, যেটা মানিক, সুকান্ত বা সৌমেন চন্দের লেখায় দেখা যায়। */- কথা সত্য।
তাদের কে বড় সাহিত্যিক মনে করল না করল- তাতে কী এসে যায়? ভাল লেখা এবং লেখক এসব সমালোচনার কাটাছেড়া অগ্রাহ্য করেই মানুষের হৃদয়ে স্থান নিয়ে নেয়।
ধন্যবাদ।
গৌতম রায় বলেছেন:
সেটাই। আমার কথাগুলো বুঝাতে পারলাম বলে ভালো লাগছে।আর মানব শব্দ থেকে দুটো বিশেষণ হতে পারে- মানবতা ও মানবিক। মানবিক থেকে আবার মানবিকতা হতে পারে না। এটা ভুল। এটা আমাকে বলেছিলেন ভাষাবিদ হায়াৎ মামুদ।
আবারও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাষাবিদ হায়াৎ মামুদ?
তাহলে তো আর কোন কথা নেই। ভুল সংশোধন হয়ে গেল।
কঁাকন বলেছেন:
"মানিকের প্রায় সব উপন্যাসেই যে প্রেমগুলো উঠে আসে সেগুলো কেন যেন সামাজিকভাবে সমর্থনযোগ্য হয় না। অথচ, মানবপ্রেমের গহীন প্রদেশের কোণায় কোণায় আলো ফেলে এত দারুনভাবে চিত্রকল্প তৈরী করেন মানিক যে, সে প্রেমগুলোকেও অস্বাভাবিক বলে মনে হয় না। এখানেই বোধ করি মানিকের সাফল্য!" ধন্যবাদ রিভিউ লিখার জন্য
বইটা তো এখন হাতের কাছে নেই, দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাই
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: হাতের কাছে নেই?
বলেন, পাঠিয়ে দিই!
রিভিউটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নুশেরা বলেছেন:
এই বইটার প্রচ্ছদ দেখে আমার বর্ণপরিচয়ের শুরু (মায়ের মাস্টার্সের পাঠ্য ছিলো অসামান্য কাজ করে চলেছো। আরও আসুক।
লেখক বলেছেন: অসামান্য!
দিলেন তো লজ্জা!?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
এই সিরিজে মোট নয়টি পোষ্ট এসেছে।
এটি হচ্ছে, পাঁচ নাম্বার।
অন্যগুলোও পড়েছেন নিশ্চয়ই, এতদিনে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















