কত অজানারে!

তারার ফুল (কল্পগল্প)

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

ক্লাস ফাইভের ফাইনাল পরীক্ষায় একটা মন্ত্র পারলেই পাশ। সেটা হল উড়ার মন্ত্র। জ্বিনিদের স্কুলে এই ক্লাসে আজ পর্যন্ত কেউ ফেল করেনি। সেই দিক দিয়ে ভাবলে আমাদের এই গল্পের জ্বিনিটা একদম ইউনিক! কারন সে এই ক্লাসেই ফেল করে বসে আছে!!! একটা জ্বিন উড়তে পারেনা, এমনটা কি ভাবা যায়? যাকে বলে একেবারে ‘ওয়ান-অফ-এ-কাইন্ড’!! ফেল করার অবশ্য উপযুক্ত কারনও আছে। এমনিতেই এই জ্বিনিটা বোকা টাইপের। এসব জটিল তন্ত্র মন্ত্র তার মাথায় ঢুকেনা। তার উপর এসব পেরেই বা হবেটা কি। শেষ মেষ তো তাকে সেই একটা চেরাগের মধ্যে ভরে, বাজারজাত করে দেবে। মানুষের মত একটা পুচকে প্রানীর গোলামী করতে হবে তখন!!

তবে পড়াশুনা করলে লাভ যে নেই তা না। ভাল রেজান্ট করলে লাভ কিছুটা আছে। তাদের দাম হয় অনেক বেশি। অনেক বড় বড় বাদশা, আর সউদাগররা তাদের কেনে তখন! এদের কাজ করেও মজা!! সেই যে, তাদের স্কুলের সবচেয়ে সেরা ছাত্র যে, একে বারে রেকর্ড মারক্স পেয়ে ফার্স্ট স্টান্ড করা!!! তার মনিব ছিল শাহ্‌জাদী দুনিয়া। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী আর মায়াবতী রাজকন্যা সে! শাহ্‌জাদী দুনিয়াকে পালঙ্কে বসিয়ে যখন সে বাগদাদ শহরের উপর দিয়ে উড়িয়ে নিয়ে যেত কোহেকাফের দিকে। সব লোকজন মুগ্ধ হয়ে ভয়ে ভয়ে দেখতো তাদের!! আরো একজন বিখ্যাত ছাত্র আছে তাদের স্কুলের। তার যাদু শক্তি ছিল সবচেয়ে বেশি! তার মনিব ছিল আলাদিন। তাদের গল্প তো সবার মুখে মুখে!! এদের মত জ্বিনি হওয়া হচ্ছে জ্বিনি স্কুলের সবার জীবনের স্বপ্ন।

আমাদের বোকা জ্বিনিটা কি আর করবে! সে তো আর এদের মত ভাল ছাত্র না। তাই ঐ রকম মনিবও তার আর জুটবেনা। আর জুটলেই বা এমন কি? সেই গোলামীই তো করতে হবে তখন। তার চেয়ে এই ভাল! তার চেরাগটা কেউ নেয় না! চেরাগটা দেখতেও ভালনা বেশি একটা। সে খালি বসে বসে চেরাগের মধ্যে ঘুমায়। একবার এক গরীব কৃষক কিনেছিল সেটা! তখন খুব খারাপ কেটেছে সময়টুকু। সে তো কিছুই পারেনা! তাই কৃষক প্রদীপটাকে বাতি হিসেবেই ব্যবহার করত। কেরসিনের গন্ধ সহ্য হয়না বোকা জ্বিনির। তার উপর আগুন জ্বাললে চেরাগ গরম হয়ে যায়! এসময় সে বাইরে থেকে ঘুরে হাওয়া টাওয়া খেয়ে আসে। পরে চেরাগ ঠান্ডা হলে ফিরে এসে আবার ঘুম!

তার পর অনেক অনেক দিন কেটে গেছে। কেউ আর চেরাগটা বাতি হিসেবেও জ্বালায় না। সে একবার কৌতুহলি হয়ে বাইরে বেরিয়ে দেখে। কেমন উচু উচু সব দালান!! দালানের গায়ে শত শত বাতি জ্বলছে! কিন্তু সে সবের কোনটাতেই কেরসিনের গন্ধ নেই!! এই গুলো মনে হয়ে কোন বড় জাদুকর বানিয়েছে। কি অবাক কান্ড!! ধ্যাত, তার চেরাগের একমাত্র ব্যবহারটাও গেল।

তার পর আবারো অনেক দিক কেটে গেছে। একদিন হঠাৎ কে যেন তার চেরাগটা জ্বেলে দিল! কেবলই জ্বিনিটা স্বপ্নে, তাদের ভার্সিটি থেকে পাশ করেছে। রীতিমত গোল্ড মেডেল পেয়ে! নিজুক্ত হয়েছে শাহজাদি দুনিয়ার খেদমতে। যেই তাকে পালঙ্কে বসিয়ে উড়তে যাবে! অমনি এই বিপত্তি!! মেজাজ কার ঠিক থাকে? যে এই কাজ করেছে আজকেই তার ঘাড় মটকাতে হবে!! কোন মাফ নাই। নো মাফ!

রাগে গজরাতে গজরাতে বেরিয়ে আসে বোকা জ্বিনি। বেরিয়ে দেখে বেশ অন্ধকার একটা ঘর। শুধু তার চেরাগ টাই জ্বলছে। ঘরটা কেমন যেন ভাঙ্গাচোরা। অবশ্য এমনই হবার কথা। তাকে কি আর ধনী কেউ কিনবে? প্রদীপের সামনেই বসে আছে ফুট ফুটে একটা পিচ্চিমেয়ে!! জ্বিনিটা রাগী কন্ঠে জিজ্ঞেস করে, “এই তুমি কি এই চেরাগ টা জ্বালিয়েছ?” মেয়েটা বলে, “হুমম। কিন্তু তুমি কে?”...“আমি হলাম এই চেরাগের জ্বিন!” মেয়েটা বলে, “ধুর বোকা! চেরাগে কি কখনো জ্বিন থাকে! ওসব তো গুল্প” আর তুমি এ বড় মানুষ চেরাগের মধ্যে থাক কি করে?” ...“আমি মানুষ না! আমি হলাম জ্বিন” জ্বিনির বোকামি দেখে মেয়েটা এবার হাসে। বলে,“তাইলে তুমি কি আলাদিনের সেই জ্বিন?” ...“ না আমি সে না। আমি হলাম অন্য জ্বিন।” মেয়েটা এবার অবাক হবার ভান করে। বলে,“ওমা! আরো জ্বিনি আছে নাকি!!”...“হুমম আছে। কিন্তু তুমি এই চেরাগ টা জ্বালিয়ে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিলে কেন? কি মজার একটা স্বপ্ন দেখছিলাম! সেই জাদুর বাতিটা জ্বালাতে পারতে তো। ঐ যে যেটাতে কেরসিনের গন্ধ নেই।” মেয়েতা বলে“ঐ টা জ্বালানো মানা! আব্বু বলেছে রাতে ঐটা জ্বালালে তারার ফুল পড়তে পারে ঘরে। তার উপর আজ বিকাল থেকে সেটা জ্বলছেও না।”...“তারার ফুল!! সে আবার কি?”...“তারার ফুল আমার খুব প্রিয় একটা জিনিশ! আরেকটু পরেই দেখতে পাবে।”

অনেক কথা হয় বাচ্চাটার সাথে। এক সময় মেয়েটা বলে,“আচ্ছা জ্বিনি, তুমি কি উড়তে পার? পারলে আমাকে একটা তারার ফুল এনে দিবা”। এই বার জ্বিনিটা লজ্জা পেয়ে যায়। মাথা চুলকে বলে, “না মানে, ইয়ে উড়াটা শিখতে পারিনি। সেকারনেই তো ক্লাস ফাইভে ফেল করলাম!”...“ওমা! তুমি ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছ। আমি পড়ি ক্লাস ওয়ানে। তবে এখন স্কুল বন্ধ।”

এই মেয়েটা কে মনিব হিসেবে বেশ পছন্দই হয় বোকা জ্বিনির। শাহ্‌জাদী দুনিয়ার চেয়ে অনেক ভাল! কি সুন্দর! আর বুদ্ধিমতি। শাহ্‌জাদীদের মত হুকুম দিয়ে কথাও বলেনা। নাহ্‌! এর ঘাড় মটকানো যাবেনা। এর গোলামী করা যেতে পারে। মনে মনে খুশি হলেও একটু রাগী রাগী কন্ঠে সে বলে, “আমার চেরাগটা তুমি যখন জ্বালিয়েই ফেলেছ তখন আমি বাইরে থেকে একটু ঘুরে আসি। অনেক দিন বাগদাদ শহরটা দেখিনা” মেয়েটা বলে, “যাও ঘুরে আস। কিন্তু একটু সাবধানে!” সে হাতনেড়ে বিদায় জানায়। বোকা জ্বিনিটার এত ভাল লাগে! মনে হয় থাক বাইরে যেতে হবেনা। তার চেয়ে এখানে বসে মনিবের সাথে গল্প করি। কিন্তু বিদায় জানানো তো শেষ! তাই সে বাইরে চলেই যায়।

একটু পরেই হন্ত দন্ত হয়ে ফিরে আসে সে। মেয়েটা তখনো সেই ভাঙ্গা ঘরে বসে আছে। একা। মেয়েটা বলে শোন জ্বিনি তোমার জন্য একটা রাইমস বানিয়েছি! এর পরই হাত তালি দিতে দিতে সে ছড়া কাটে...

জ্বিনি জ্বিনি ব্যাড জ্বিনি
জ্বিনি কান্‌নট ফ্লাই,
ফাই ফাই ফাই!

ছড়াটা না বুঝলেও। বাচ্চাটার যে খুব বুদ্ধি তা বুঝতেপারে সে। ছড়া টাও ভাল লাগে তার। কিন্তু “একি! শহরটার এই অবস্থা হল কি করে? সেই উচু দালান গুলো কই! ঐ যে যেগুলোয় হাজার হাজার জাদুর বাতি জ্বলে” প্রশ্ন করে সে। মেয়েটা জ্বিনির বোকামি দেখে অবাক হয়। একটু বিরক্তও হয়। বলে, “ধ্যাত, তুমি তো খুব বোকা। কিছুই জান না! ঐগুলোতে তারার ফুল পড়েছে!! তারার ফুল পড়লে খুব আওয়াজ হয়। তার পর বিল্ডিংটা ভেঙ্গে যায়। সেখানে যেসব লোক থাকে তারা আর ফিরে আসে না। আব্বু বলে ওরা সবাই খুব মজার একটা যায়গায় চলে জায়। তবে, সেখানে নাকি এরকম তারার ফুল নেই। তারার ফুল না থাকলে মজাটা থাকলো কি? আব্বুর খুব ভয় তারার ফুলকে! আমার কিন্তু খুব ভাল লাগে” জ্বিনিটা বোকা বলেই হয়তো তারার ফুল ভাল লাগার ব্যাপারটা বুঝতে পারেনা। তার তো কেমন জানি ভয়ঙ্করই মনে হচ্ছে ব্যাপারটা।

মেয়েটা আরো বলে, “আব্বুর ভাল লাগে বৃষ্টি। যদিও সেটা হয় বছরে খুব কম। আব্বু বলেছে, আল্লাহ এখন বৃষ্টির চেয়ে তারার ফুল বেশি দিচ্ছেন। যাতে আমরা সবাই সেই মজার যায়গাটাতে যেতে পারি তাড়াতাড়ি! এই তো কিছুদিন আগেই আম্মু চলে গেল। আম্মু যে হাসপাতালে ডাক্তার ছিল সেখানে একদিন হঠাৎ করে তারার ফুল পড়ল একটা। আব্বু বলে, রাতে আলো জ্বাললে তারার ফুল পড়তে পারে ঘরে। আব্বু খুব মানা করে। তবু আব্বু যখন থাকেনা, তখন আমি ঘরে আলো জ্বেলে দেই। মজার দেশটায় যেতে আব্বু কি যে ভয়! বুঝিনা!! কিন্তু আজ লাইট জ্বলছেনা। সেই জন্যেই তো তোমার চেরাগ টা জ্বালালাম!”

এমন সময় কেমন যেন গর্জন শুরু করে আকাশটা সাথে শো শো আর চিইই করে একধরনের শব্দ। মেয়েটা বলে, “ঐ তো তারার ফুল এসে গেছে। দেখ দেখ!” জ্বিনি জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকায়। দেখে আকাশ চিরে তারার মত কি যেন ছুটে যাচ্ছে। শত শত হাজার হাজার। এরা দূরে গিয়ে পড়ছে কোথাও। সাথে সাথে প্রচন্ড একটা শব্দ! জ্বিনিটা বোকা বলেই হয়তো তার কাছে কেমন অসুভ লাগে ব্যপারটা!! এমন সময় শব্দ গুলো যেন এগিয়ে আসতে থাকে তাদের দিকে। একটার পর একটা, ক্রমাগত আরো জোরে শব্দ করতে করতে।

জ্বিনির ভয়টা যেন আতঙ্কে রূপ নেয় এবার। এই ছোট্ট মনিবের প্রতি কেমন যেন মায়া পড়ে গেছে তার। সে কিছুতেই যেতে দিতে চায় না মেয়েটাকে। সেই মজার দেশে! শব্দ আরো বেড়ে গেছে। তার ছোট্ট বুদ্ধিমতি মনিবটাকে কোলে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে বোকা জ্বিনি। প্রানপনে দৌড়াতে থাকে সে। সন্ধার অন্ধকারে সেই ভাঙ্গাচোরা একটা শহরের মধ্য দিয়ে। মেয়েটার তারার ফুলে কোন ভয় নেই। এ আর এমন কি! নিয়মিত ব্যপার। মেয়েটা ছড়া কাটতে থাকে...

জ্বিনি জ্বিনি ব্যাড জ্বিনি
জ্বিনি ক্যান্‌নট ফ্লাই
ফাই, ফাই, ফাই!

জীবনে এই প্রথম উড়তে না পারার জন্য প্রচন্ড আক্ষেপ হয় বোকা জ্বিনির। প্রচন্ড ব্যার্থ মনে হয় তার নিজেকে.....

গল্প এখানেই শেষ হবার কথা। কিন্তু জ্বিনিটা ছুটতেই থাকে, ছুটতেই থাকে। তারার ফুল গুলোর কাছে হেরে যাবার ভয়ে; তীব্র হাহাকারে বাচ্চাটাকে বুকে আঁকড়ে ধরে সে। তার পর যেন হঠাৎ করেই সে খেয়াল করে, তার চোখটা ভিজে যাচ্ছে পানিতে!!! পাঠক হয়তো ভাববেন, জ্বিনিরা আগুনের তৈরি। তার চোখে পানি আসবে কি করে?!!! আসলে বোকা জ্বিনির কোন দোষ নেই। দোষ হচ্ছে লেখকের। সেই লোকই রূপকথা লিখতে গিয়ে, এরকম একটা জগাখিচুড়ি পাকিয়ে ফেলেছে।

[গল্পটা উৎসর্গ করছি ইরাকের সেই সব শিশুদের প্রতি, যারা বড় হবে তারার ফুল দেখতে দেখতে। অথবা চলে যাবে সেই মজার দেশটাতে! বড় হবার অনেক আগেই...]

 

 

  • ১০৫ টি মন্তব্য
  • ৬৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৭
comment by: বিলাল বলেছেন: গল্পটা উৎসর্গ করছি ইরাকের সেই সব শিশুদের প্রতি, যারা বড় হবে তারার ফুল দেখতে দেখতে। অথবা চলে যাবে সেই মজার দেশটাতে! বড় হবার অনেক আগেই...] এই লাইনগুলোই গল্পটার প্রাণ।
এই ব্লগার "বিলাল" ও সাহিত্যে ফেল করেছে, তাই লিখতে পারে না।
শুধু পড়ে চোখ অশ্রুসজল করতে পারে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই!
এত বড় গল্পটা পড়ার জন্য! :)

সাহিত্যে ফেল করেছেন বলছেন কেন?!! প্রাণ খুলে-হাত খুলে লিখলেই হয়।

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪০
comment by: মাজুল হাসান বলেছেন: দারুন। আমি ছোটবেলায় কল্পকাহিনী বা ছড়া পড়িনি। আমার বাসায় চল ছিলো না। আপনার লেখাটা
ভাল লাগলো।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আপনি কিন্তু দারুণ কবি! :)

৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: আমার চোখটাও ভিজে গেল বোকা জিনির মতো

++
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :(

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৫
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: কি দারুণ লিখেছেন ভাইয়া!!
সত্যি, আমি পুরো বাকহারা......এত সাধারণ ভাষা, কিন্তু এত মর্মস্পশী!
প্রত্যেকটা গল্পই কি প্রিয়তে রাখা যায়?
আপনাকে আমার লিঙ্কে রেখে দিলাম, কেমন?

অনেক অনেক শুভকামনা।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: অবশ্যই! কারো প্রিয় তালিকায় ঠাই পাওয়াটা খুবই সৌভাগ্যের ব্যপার। :-B

আমার লেখাগুলো ভাল লেগেছে জেনে আমারো খুবই ভাল লাগছে! :)

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
সভ্যতার পাপিষ্ট রক্তের গালিচায় বসে জ্বিনির আগুন কান্না হাতে নিলাম । হাত পুড়ে যাচ্ছে, পুড়ুক ! সকল মায়া মায়া ফুলেল অনুভব তারার ফুলের দুর্গন্ধে হটিয়ে দেয়া সাম্রাজ্যবাদের বিরোদ্ধে এরচেয়ে কোমলতর ইনসার্জেন্ট আর কি হতে পারে?
অসাধারন গল্প ।
+ ।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। :)

৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: কত্ত বড়রে:(
আস্তে আস্তে পড়মু
অল্প একটু পড়চি
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিকাসে বস! :)

৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কি লিখলি ? শেষ লাইনটা পড়ে মনে হলো অনেকদিন পর চোখ ভিজে গেলো
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: লিখতে গিয়ে আমারো চোখ ভিজে গেছিলো! :(

সেই অনুভুতিটার কিছুটা হলেও লেখনীতে আনতে পেরেছি জেনে ভাল লাগছে!

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: :(
অভীভূত
আমার ভাষা নাই:(
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! চিকনমিয়া ভাই! :)
আসলে আমার পিচ্চি দুই বোনের জন্য প্রায়ই রূপ কথা টাইপের গল্প লিখি! এই গল্পটা রূপ কথা হতে হতেও শেষ পর্যন্ত হয়নি। :(
তাই ওদের না দিয়ে এইখানে দিয়ে দিলাম!

আপনি 'অভীভূত' হয়েছেন জেনে ভাল লাগছে! উৎসাহ পেলাম আরো লেখার! :)

৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: প্রলয় হাসান বলেছেন: আপনার পোস্টটাতে কমেন্ট করার জন্যই লগইন করলাম। অসাধারন একটা গল্প। জিনি যখন বলেছে, "যাই বাগদাদ শহরটা একটু ঘুরে আসি, তখনই সব বুঝতে পেরেছিলাম।"
আর বেশী কিছু বল্লাম না। কারন যাই বলি না কেন, আপনার লেখার হাতের সঠিক প্রশংসা করা হবে না। আর আমিও ভাবছিলাম আপনাকে আর আকাশচুরি ভাইকে আমার লিংকসে রেখে দেব। ++++
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: অবশ্যই রাখুন লিঙ্কে! :) আমার জন্য ব্যপারটা সৌভাগ্যের! :)
গল্প ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগছে!
ধন্যবাদ।

১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: অসাধারণ !!
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে!

১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: ইমির বলেছেন: আপনে নাকি আমার লেখা আমার ভাইরে লিংক পাঠান?
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: তোমার ভাই তো আমার কলিগ! তোমার লেখা নিয়ে অফিসে আলোচনা করছিলাম আজ।
কেন কোন প্রব্লেম ছোট্ট বন্ধু? B:-)

১২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: সব্যসাচী বলেছেন:
আবারো ভালো একটা লেখা পড়লাম। ধন্যবাদ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

১৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: লিখা ও তার নিয়ন্ত্রন নিজের হাতে নেয়ার ক্ষমতা। আমি গল্পটা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। অন্যরা যথার্থ করে ফেলেছেন।

কারও সম্মন্ধে ধারনা নিতে হলে অপেক্ষা করতে হয়। বুঝতে হয়, দেখতে হয়।

তোমার গল্পগুলো পড়ছি। গল্পগুলো সম্পর্কে ভেবেছি, মন্তব্য করেছি। তোমার লেখনি শক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করার জন্য সময় নিয়েছিলাম। দিনে দিনে অবাক হয়ে যাচ্ছি। চালিয়ে যাও। আমার অবাক হবার পালা বাড়ুক।

আমি সত্যি খুব খুশি হব যা এই মুহুর্তে লেখক সম্পর্কে ভাবছি, যা আরও অবজারবেশনের পর বলা হবে, তা যদি সত্যি হয়।


তা সত্যি হবার সম্ভাবনাই বেশী।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ! :)
আপনার অসাধারণ মন্তব্যের জন্য।
তবে এই কমেন্ট পড়ে আমি একটূ ভয় পেয়ে গেলাম! B:-)

আমি নরমালি ফাজলামি টাইপের 'আব্‌জাব' লিখেই বেশি আনন্দ পাই। ইদানিং একটূ ভাব ধরসি এই আরকি! :-B

আমি ছোট খাটো মানুষ [আসলে কিছুটা লম্বু :P ] তাই উচ্চধারনা করলে ভুল হবার সম্ভবনা!

আবারো অনেক অনেক ধন্যবাদ! :)

১৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এইরকম লেখতে পারলে তবেই না লেখা!
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান ভাই! :)

১৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: তারার হাসি বলেছেন: ইচ্ছা করছে খুব কাঁন্না করতে ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি, লিখতে গিয়ে আমিও কেঁদে ফেলেছিলাম :(
সেই অনুভুতির কিছুটা যে লেখনীতে আনতে পেরেছি আপনার কমেন্ট দেখে বুঝলাম।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। গল্পটা পড়ার জন্য। আসবেন এদিকে! মাঝে মাঝে :)

১৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:২৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: তুমি আমারে পুরা হতভম্ভ করে দিছো। এতদিন যা লেখছো সেইগুলা কিছুই না এই লেখাটার কাছে। সত্যি হতভম্ভ আমি।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: গল্প টা একটূ বড় হয়ে গেছিল। তার পরও অনেকেই পড়েছে দেখে ভাল লাগছে! আর ভাল লাগছে আপনাকে হতভম্ব হতে দেখে! :P
অবশ্য গল্পটা করুণ। :(

১৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: ব্লগে ভালো লেখা এখন অনেক কম। এইটা এই সপ্তাহের সেরা লেখা বলতে আমার আপত্তি নাই।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: ইদানিং আমার লেখা কেমন যেন ভারি ভারি হয়ে যাচ্ছে! :(
এদিকে কিছু 'আব্‌জাব' এসে জমা হয়েছে আমার মাথায়!
দেখি এবার কয়েকটা আব্‌জাব লিখবো। একটু হাসি তামাসার ও তো দরকার আছে নাকি? :)

১৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৪৫
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: লেখাটা পড়ে তখনও কোন মন্তব্য করতে পারিনি, এখনও না!
এত্ত অসাধারণ একটা লেখা কেমন করে লিখলেন ভাইয়া!
চোখ ভিজে উঠলো !
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: "ধন্যবাদ প্রিয়তমা!"

আপনার কমেন্টের রিপ্লাইতে এই বাক্যটা লিখলে একধরনে ফাজলামি টাইপের আনন্দ হয়! :P

আসলে লিখতে গিয়ে আমার চোখ এবং কীবোর্ড টাও ভিজে গেছিলো :(
সেই অনুভুতির কিছুটা তাই লেখাতেও চলে এসেছে মনে হয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ!
আসবেন এদিকে! :)

১৯. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: খুব বেশী কথা নয় ! একটা মাত্র শব্দ বলবো--"অসাধারণ ! "তারপরও যেন কিছুই বলা হলো না ! এরকম গল্পকারই চায় আমাদের সাহিত্য ।

নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হচ্ছে । কখনও এরকম লিখতে পারবোনা বলে।
প্রিয়তে যোগ করে নিজেকে ধন্য করছি । এখন থেকে আমি আপনার নিয়মিত পাঠক ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই! :-B

কিন্তু হায় হায়! পূরো সাহিত্যের ভার দিয়ে দিলেন তো!!

জানেন? আমি এইচ এস সি তে বাংলা প্রথম পত্রে ৪১ আর দ্বিতীয় পত্রে ৪২ পেয়েছিলাম!! দুটা মিলে ৮৩!!! B:-)

এমন লোকের হাতে সাহিত্যের ভার দিলে খবরই আছে! B:-/

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: আর নিজেকে তুচ্ছ মনে কবার কি হল!!!

আপনার প্রিয় তালিকায় ঠাই পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। :)
আর খুব ভাল লাগছে। একজন নিয়মিত আমার 'আব্‌জাব' লেখা পড়বে জেনে।

২০. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: সব কিছুই লেখবা। ডেইলি লেখা দিবা। একগাদা লেখা চাই তোমার কাছ থেকে। :)
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: :-B

২১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:১৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: থ্যাঙ্কু। :D
২২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: নয়া লেখার হেডিং কি আব্জাবই দিবা নাকি! :|
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: আবার জিগায়!
আব্‌জাব লেখার হেডিং তো আব্‌জাবই হবে!! :-B

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: আব্‌জাব দেখে লোকে বুঝবে এইটা সিরিয়াস কিছুনা! কমেডী! :-B
নাইলে হুদা কামে দুঃখ পাওয়ার জন্য আমার গল্প পড়বে কে এত!! ?

২৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: মাইনাচও রেডি! :-P
২৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
comment by: রাশেদ বলেছেন: আব্বে! তুমি কি একরকম লেখা দাও নাকি খালি যে সবাই মনে করবে দুক্কের পুশট! :P

যুক্তি যাই দাও, মাইনাচ রেডি! :P
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ভয় খাইসি!! :||

এত ভৈ দিলে লিখুমিনা কইলাম! /:)

২৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভুই পাইছো! আহারে! :P
২৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৫২
comment by: রাশেদ বলেছেন: যাইগা। ঠা ঠ!

সকাল ৫ টা বাজে। :)
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: টা টা

২৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: চমতকার লিখেছেন ভাই,
অসহিষ্নু অগ্নিবলয় থেকে চিরায়ত আশাশীল প্রশান্তিতে ভরে ওঠুক সব শিশুদের মন।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! আপনার কাব্যিক মন্তব্যের জন্য। :)

২৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩২
comment by: ইমির বলেছেন: অনেক দেরিতে পড়লাম ভাইয়া।তারপরেও বলছি অনেক সুন্দর লিখেছেন। হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: আগের বার পড়নাই তাইলে!!

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ! :)

২৯. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
comment by: ইমির বলেছেন: আগের বার হাফ পড়ছিলাম
৩০. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
comment by: নিয়ান্দার্থাল বলেছেন: লিখাগুলা কোত্থেকে আসে... চিন্তাগুলো কোত্থেকে বের হয়। আমার জীবনেও অনেক সৃতি আছে কিন্তু আমিতো এত ভালো লিখতে পারিনা।

অদ্ভুত......... এক কথায় অসাধারন। ১০০০ টা +

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

I become a fan of you.
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই! :)

লিখে ফেললেই পারেন কিন্তু! স্মৃতি সম্পর্কে কে যেন বলেছিল, "স্মৃতি সে যতই মধুর হোক, বিষাদ ময়"

আপনার স্মৃতিকথা আর অভিজ্ঞতা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম!
আমি মেইনলি লিখি আব্‌জাব! কমেডি টাইপের! ইদানিং একটু ভাব ধরছি! আমার আব্‌জাব লেখা পড়ার আমন্ত্রন রইলো। B:-/

৩১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন।
অনেক ভালো লাগল।
ভালো থাকুন।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার ব্লগে আসবেন মাঝে মাঝে! :)

৩২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: আইজকা দেখি নয়া পুস্ট নাই! /:)
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: নয়া লিখা লিখছি!! :-B
তবে করুণ লেখা হয়া গেছে!! :( মজার কিছু ছাড়া পোস্টামুনা ঠিক করছি! তাই ওয়েট করতেছি। আব্‌জাব লেখা কম্পলিট হওয়ার। :P
আর ডেইলি ডেইলি পোস্ট দিলে পরমু কখন??
অন্যদের লেখা ও তো পড়তে হবে। আর আমার লেখা পড়তে পড়তে সবাই হাপায়া যায় যদি??? B:-)

৩৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: এই লাইগা কাউরে পাম দিতে নাই! :-P

কয় কি! তার লেখা পইড়া হাপাই যাইবে! :-P কি এমন ভাল রেখে রে! :-P
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: :-P
দাঁড়ান দিতেছি! লেখা ভাল না লাগ্লে কিন্তু মাইনাচ দিতে পারবেন না কৈলাম!!

৩৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অসাধারন লাগলো । মারাত্মক ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই! :)

৩৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:০৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: আপনিতো অনেক পুরান ব্লগার .. লেখা লেখি করেন না কেন ?
এত অল্প পোস্ট !!
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: পুরান ব্লগার কে বলল?!!!
পাব্লিকলি লেখা লেখি করছি এই ইরতেজা আর রাশেদ ভাই এর প্ররোচনায়। এইতো কদিন হল।
আগে এমনি প্রাইভেট ব্লগে লিখতাম শুধু মাত্র বন্ধুদের জন্য। ৩৬০ তে।
:)
এখন পুরাতন আর নতুন লেখা মিলিয়ে ঝিলিয়ে পোস্ট করি সামহয়ার ইন এ।

৩৬. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: ৩৬০ ৩৮০ শোব বাড ডাও। এইখানে লেখো। :D
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: ডিসি টও!! :P

৩৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪২
comment by: রাশেদ বলেছেন: গুড! :D :D
৩৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
comment by: বোকা মানুষ বলেছেন: এইটা কী লিখলেন :(
এইটা পইড়া মন খারাও হইলো ক্যান , মাইনাস :|
৩৯. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
comment by: বোকা মানুষ বলেছেন: মন খারাপ :|
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: সরি ভাই! মন খারাপের জন্য দুঃখিত!! লেখার সময় আমারো মন খারাপ হইসিলো।
সেই মন খারাপ এখন আপনার মধ্যে চলে গেছে ! তাই এখন একটু খুশি :)

ধন্যবাদ!
আমার লেখা গুলো পড়ার জন্য।

৪০. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: সারিয়া তাসনিম বলেছেন:

বলছিলাম না ?? চলতেই থাকবে -----
৪১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: সারিয়া তাসনিম বলেছেন:

বলছিলাম না ?? চলতেই থাকবে -----

চাপটা ভালোই হৈছে
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!

৪২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০১
comment by: সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:

+++++

অসাধারন গল্প।
৫ টা পিলাস দিসি। :)
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!!
B:-/

৪৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৪
comment by: বোকা মানুষ বলেছেন: এইটা ঠিক না, আমি আপনার আয়ু বাড়ায় দিলাম, আর আপনি কিনা ...... :(
আপনার আগের লেখা গুলাও পড়তেছি আস্তে আস্তে , আর টাসকি খাইতেছি , বুঝতেছি আরও টাসকি খাইতে হবে :)
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সব গুলো পড়তেছেন!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই! :)

৪৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন:

বিচ্ছিরী...সাথে++++
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৪৫. ০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
comment by: ঝুমী বলেছেন: অ-সা-ধা-র-ণ হয়েছে লেখাটা।:)
গল্পটা পড়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল!+:(
০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: :|
মন ভাল করার জন্য আজকের গল্পটা পড়ে ফেলেন ! :)

৪৬. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫০
comment by: ঝুমী বলেছেন: আপনার এই গল্পটা আমার প্রিয় পোস্টে নিয়ে রাখলাম।গল্পের শেষের দিকে এসে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে...। অব্যক্ত একটা কষ্ট অনুভব করি...!!!
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! :)
প্রিয় পোস্টে নিয়েছেন জেনে গর্বিত! আসলে লিখতে গিয়ে আমারো চোখ ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল। ! :(
সেই অনুভুতিটার কিছুটা লেখায় ধরতে পেরেছি জেনে ভালো লাগছে!

৪৭. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২০
comment by: নিলা বলেছেন: কষ্টগুলো জ্বীনের ও মনে আঘাত করে......চোখে জল এনে দেয়। কিন্তু প্রতিটা ক্ষন ঘটে যাচ্ছে এই রকম কত নির্মম ঘটনা.....পিশাচের মত মানুষগুলো অমানষিক কাজ করে যাচ্ছে! ভাবতে অবাকই লাগে।

চোখের জল টুকু আটকে রাখলাম বহু কষ্টে রাতের আধাঁরের জন্য.........শুধু রইলো ঘৃনা মানুষগুলোর জন্য যারা সুন্দর পৃথিবীটাকে অসুন্দর করে দিচ্ছে.......যারা তারার ফুল ঝরিয়ে কিছু নিষ্পাপ তারা চিরতরে বিলীন করে দিচ্ছে

চমৎকার লেখা। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম। :)

৪৮. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫১
comment by: নিলা বলেছেন: আমাকে স্বাগতম জানানোর জন্য ধন্যবাদ
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানানোর জন্য আবার স্বাগতম ! :)

৪৯. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: কিছুই কওয়ার নাই!!কেবল পড়লাম।সুপার লেখছো।
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!! :)

৫০. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: নিলা বলেছেন: আবার স্বাগতম! এখন এর জন্য আবার ধন্যবাদ দিলে তো স্বাগতম আর ধন্যবাদ টু বি কনটিনিউ হতে থাকবে!
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: B:-)

৫১. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: একটু খেয়াল রাখিস তো এই পোস্টে কৌশিক আসে কি না। আজকাল ব্যাটা যা বলি সব ভুলে মেরে দেয়। ওকে কি বলেছি সেটা অবশ্য সার্প্রায়স থাক তোর কাছে বরং! ;)
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: সে তো বস লোক তারে আমি ভুই পাই!! B:-)