মূর্খের দেশে কী না সম্ভব!


যতোক্ষণ শ্বাস আছে ততোক্ষণ কাজ যে কখনো পিছু ছাড়বে না, এতো জানা কথা। কিন্তু মনতো মানতে চায় না—তাড়াহুড়া লাগে, দিলের মধ্যে হাপর ওঠে এবং এই করতে করতে এক সময় ফাপর লেগে এলে বুকের ছাতিটা ফুলে ওঠে। ভরা গাঙ্গে জোয়ারের জলের মতো কাজের পরিসীমা তখনও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। তবুও কাজের... বাকিটুকু পড়ুন
২০০০এর এপ্রিলে তথাকথিত এক বোকাদিবসে জ্বলন্ত সূর্যের দিকে পিঠ রেখে চিহ্নর পথচলার শুরু। তারপর পেরিয়ে গেছে একযুগ। এবার তেরোর কোলে মাথা রেখে তিশরণে সওয়ার সে। প্রথম সংখ্যা থেকেই সময়ের বিরুদ্ধস্রোতে চলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এবং যুগবর্ষযাপন উৎসবের পর মগজের ঘামে স্নান হয় যাঁদের তাঁদের আগ্রহের সীমানাকে আরও প্রসারিত এবং প্রতিচিন্তার অগ্রযাত্রাকে... বাকিটুকু পড়ুন
কিছুক্ষণ আগে আমি ঘুম থেকে জেগে উঠেছি। জানালায় দাঁড়িয়ে দেখি, বাইরে বৃষ্টির ধারা শেষ হলো। মনে হলো যেন আমি তাকে স্বপ্নে দেখেছি। পাঁচ বছর আগে, এমনই দিনে, কী মধুর কণ্ঠে সেদিন তুমি গান গেয়েছিলে! সে কথাই আবার মনে দোলা দিয়ে গেলো। হাতে হাত রেখে আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে আমরা... আমি... বাকিটুকু পড়ুন
উত্তর ফাল্গুনে নিষাদের বুক বিষাদে ছেয়ে গেছে অনেকবার। কিন্তু, কবির ভাই বা ভাবির মুখে বিষাদের ছাপ দেখিনি কখনও! কাঠালের পাতা থেকে খসে পড়া; ঝরা মুক্তোর ছবি দেখেছি যে কতবার হিসাব মেলে না মোটেও অথচ দুজন মানুষ অথবা অতিমানুষ অথবা না, যাদের বুকের একদিকে যেমন দেখেছি আগ্নেয়গিরির গলিত লাভা, ঠিক আরেক... বাকিটুকু পড়ুন
মাঘের দ্বিতীয় সকাল। সময় বিচনায় সূর্যদেবের অনেক আগেই দেখা দেবার কথা। কিন্তু তিনি কথা রাখছেন না। জিউসের রথ চালনায় ইচ্ছাকৃত এ মন্থর গতির কারণ বোঝা যায়। মাঘের গা থেকে তখনও নববধুর ঘ্রাণই যায়নি। এমন দিনে কেউ কাউকেই অসম্মান করতে চায় না। কী চমৎকার বোঝাপড়া প্রকৃতির। বৈশাখ শুরুর শেষ বিকেলে একটু... বাকিটুকু পড়ুন