আমি কোনো দিন ডায়রী লিখিনি। এর প্রধান কারণ হলো গুছিয়ে লিখতে না পারা। কিন্তু এবার জীবনের আমরণ স্মরণযোগ্য কিছু দিন কাটাচ্ছি বলে মনে করছিলাম গত কিছুদিন থেকে এবং প্রায়ই ভাবছিলাম লেখার কথা। যা হোক এরকম একটা সময়ে সামহোয়্যারইন এর বিষয়টা জানতে পারি। তাই একটু শেয়ার করার ইচ্ছে হলো। প্রথমেই আমার নামকরণের বিষয়টা বলি। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে মজা লাগে এই নামটি যা পেয়েছি এখানকার মানুষদের কাছ থেকে। আপনারা হয়তো ইতমধ্যে শুনেছেন যে উয়ারী-বটেশ্বর নামে নরসিংদীতে একটি প্রত্নস্থানে খনন কাজ চলছে এবং গত কয়েক বছরের খনন এবং তার পূর্ববর্তী বিভিন্ন পণ্ডিতের গবেষণায় এটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরাতন একটি সভ্য এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্বের প্রাক্তন ছাত্র আর যে প্রতিষ্ঠানটি এই খনন কাজে অর্থের যোগান দিচ্ছে তাদের একজন কর্মচারী আমি তাই এখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এখানকার স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বেশ ভাবও জমে গেছে এ'কদিনে। তারাই আমাদেরকে 'খনন মান'ুবলে চেনে।
আগেই বলেছি আমি গুছিয়ে লিখতে পারি না আর যত সব ভেবে রাখি লেখার সময় কিছু খুঁজে পাই না। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি আবার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য লিখবো। নেক্সট পোস্টে খনন মানুদের নিয়ে স্থানীয় কবি শরাফত আলীর (প্রায় 80) বানানো পুথি শোনাবো আপনাদের।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


