somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অনল চৌধুরী
সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

আমার দেখা সবচেয়ে নিকৃষ্ট শিক্ষক

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রবাদ আছে,শিক্ষকদের সন্মান না করলে জীবনে কেউ সফল হতে পারে না,এবং এটা সত্য।



শিক্ষকদের সন্মান করার কারণেই আমি জীবনে কোনদিন কোন নকল বা অসৎ পথ অবলম্বন না করে দুটি এম,এ এবং এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেছি।এমনও হয়েছে,একমাত্র আমি ছাড়া আমার প্রতিটা সহপাঠী পরীক্ষায় নকল করেছে।তবে সেই ব্যাক্তিই শিক্ষক হিসাবে সন্মান লাভ করতে পারেন,যিনি এর যোগ্য।ছাত্রদের উপর শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনকারী,টাকালোভী এবং ছাত্রী নীপিড়ণকারীরা শিক্ষক নামের অযোগ্য।সন্মান না,এদের,ঘৃণা আর শাস্তি প্রাপ্য।

১৯৭৯ সাল থেকে শুরু করা দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে ভালো খারাপ সব ধরণের শিক্ষকই পেয়েছি।

আমার প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের অন্যতম শিশু শিক্ষালয় হিসাবে বিবেচিত পুরানা পল্টনের লিটল জুয়েলস-এ যেমন অত্যাচারী অনেক শিক্ষিকা পেযেছি,তেমনই আবার নাজমা দেওয়ানের মতো শিক্ষিকা পেয়েছিলোম,যিনি আমার মেধা,দুষ্টামি আর মারামারি দেখে স্কুলের এতো ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে একমাত্র আমাকেই তার নিজের সন্তান বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও সংখ্যায় কম হলেও এধরণের শিক্ষক পেয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় পেয়েছি শ্রদ্ধেয় মতিন রহমানের মতো শিক্ষককে,যিনি শুধু পড়াশোনার ক্ষেত্রে বা ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়েই আমাকে সাহায্য করেননি,একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার মতো প্রচন্ড সাহসের সাথে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও আমার পাশে এসে দাড়িয়েছিলেন।তার সাহায্য ছাড়া চলচ্চিত্রের উপর এমএ ডিগ্রী লাভ করাই সম্ভব হতো না।

তবে আমার দেখা সবচেয়ে নিকৃষ্ট শিক্ষক হচ্ছে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম বিভাগের এক চেয়ারম্যান।

কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথ আউড়ানো এই ব্যাক্তি রবীন্দ্রনাথের “ অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহ্য করে তারা দুইজনই সমান অপরাধী’’-এই নীতির ঘোর বিরোধী।বরং তার চরম আনন্দ ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নকলবাজ ছাত্র,দুর্নীতিবাজ ও লম্পট কর্মচারীদের মতো বড় বড় অপরাধীদের পক্ষ সমর্থনে এবং প্রকৃত সৎ,নীতিবান ব্যাক্তিদের হেয়,তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করাতে।

আমার উপর তার প্রচন্ড আক্রোশের কারণ মূলত একটাই।আর সেটা হচ্ছে ,আমি সৎ,নীতিবান,বিশ্ববিদ্যালয়হ সমাজের সব ক্ষেত্রে নকল,দুর্নীতি নির্মূল করে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামী যোদ্ধা।

আর এর চেয়েও বড় কারণ ,সে এরশাদের আমল থেকেই সে স্বৈরশাসক এরশাদের পা চাটা ব্যাক্তি,যার বিরুদ্ধে আমি আমার প্রতিটা বইয়ে লিখি।

২০১০ সালে আমি বিভাগের শিক্ষক,মুক্তিযোদ্ধা,চলচ্চিত্র পরিচালক জনাব মতিন রহমান স্যার-কে আমার লেখা ও সম্পাদিত ‘সংবাদপত্রের পাতা থেকে ’’ নামে ১৯৯৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাসমুহ এবং এর বিশ্লেষণ নামে ২০০৯ প্রকাশিত আমার লেখা ও সম্পাদিত একটা বই দিয়েছিলাম।বইটা দেখে তিনি বিভাগে কর্মকর্তা অমল বাবুর কাছে বইয়ের একটা কপি থাকলে তাকে দিতে বলেছিলেন।কয়েকবার বলার পর আমি তাকে বইটা দেই,নিজেই থেকে তাকে দেইনি।এই বইটা পড়েই তিনি আমার গভীর নীতিবোধ,দেশপ্রেম,নৈতিকতা,বিপ্লবী চেতনা,দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনে আমার ভূমিকা এবং প্রতিটা বিষয় সম্পর্কে আমার ধারণা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারেন।একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ১৯৯২ সালে থেকে সংবাদ,ইত্তেফাক,আজকের কাগজসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশত আমার লেখাগুলির সাথে পরিচিত হন।একইসঙ্গে লম্পট,খুনী ও অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী খুনী এরশাদের বিরুদ্ধে আমার ঘৃণার বিষয়টাও লক্ষ্য করেন।

আর এতেই আমার প্রতি তার তীব্র ক্ষোভের বহি:প্রকাশ শুরু হয়।কারণ সে নিজে এরশাদ আমলে ছিলো তার বিশ্বস্ত দালালদের অন্যতম।এরশাদের দালালি করেই সেনানিবাস এলাকায় জমি বরাদ্দ পেয়ে বাড়ি বানিয়েছিলো।তার নীচতা এতাটাই নিকৃষ্ট পর্যায়ে পৌছে যে বিভাবের কর্মচারীদের দিয়েও আমাকে অপমাণিত করাতে তার বাধেনি।

একটা ৭০ উর্দ্ধ বয়সের শিক্ষক নামধারী লোক কতোটা নিকৃষ্ট হলে শুধু নীতি-আদর্শবান আর চোর-খুনী-লম্পট স্বৈরশাসকের বিরোধী হওয়ার কারণে একজন লেখককে হেয় করাতে পারে,এ ঘটনাসহ আরো কিছু ঘটনা তার প্রমাণ।

সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের খাতা খুলে নকল করার অনুমতি দিতো।একমাত্র আমি ছাড়া এমএ’র প্রত্যেকেই প্রতিটা পরীক্ষায় নকল করতো।এর ফলে আমার পরীক্ষার ফলাফল অন্যদের চেয়ে খারাপ হতো।কিন্ত প্রত্যেকেই নকল করছে এবং নকল করলে আমার কোন শাস্তি হবে না-এটা জানার পরও আমি শিক্ষাজীবনের প্রতিটা স্তরের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পবিত্র জায়গাতেও নকল করা থেকে বিরত থেকেছি।কিন্ত এই সততা তার কাছে ছিলো চরম বিরক্তিকর বিষয় কারণ সে নিজে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে ছিলো চরম নীতিহীন।দুর্নীতি-মদ্যপান-লাম্পট্য-প্রতারণাসহ এমন কোন নীতিহীন কাজ নাই ,যা সে করেনি।২০১০ সালে বিশ্বকাপ চলার প্রতিটা দিন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে অসুস্থতার মিথ্যা কথা বলে বাসায় বসে খেলা দেখেছিলো।

ছাত্রদের নকল প্রবণতা দেখে আমি তাদের নীতি-আদর্শ শেখানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে সে এর তীব্র বিরোধিতা করে।

আমি তাকে আমার একাধিক গবেষণামূলক বই প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টা উল্লেখ করলে সে অন্যান্য বইয়ের কথা উল্লেখ না করে অমল বাবুর মাধ্যমে আমার কাছ থেকে চেয়ে নেয়া বইটা সম্পর্কে বলে,‘‘কে গবেষক?তুমি?বাংলাদেশের সব গবেষণামূলক বই পেপার কাটিং।তোমারটাও তাই।বই লিখেছো বলেই কি তোমাকে শিক্ষক করতে হবে?.... তোমার অার কটা বই বের হয়েচে,অালী ইমামের ৪০০ বই বের হয়েচে।’’

বই যে টাকা বা সম্পত্তির মতো জিনিস না,যেটা পরিমাণে বেশী হলেই মূল্যবান হয়ে যায়,এটা এই মাধ্যমিক উত্তীর্ণকে কে বোঝাবে?
সে শুধু জানে কাজী আনোয়ার,হুমায়নরা ৩/৪ “শ বই লিখেছে,তাই তারা বাংলাদেশে একনামে পরিচিত।কিন্ত মাত্র একটা গ্যালিভারের ভ্রমনকাহিনী লিখেই সুইফট,রবিনসন ক্রুসো লিখে ডিফো অার টারজান লিখে বারোজ যে সারা পৃথিবীর সেরা সাহিত্যিকদের খেতাব পেয়েছেন,এটা বোঝা তার আওতার বাইরে।

অথচ সে অমল বাবুর মাধ্যমে আমাকে বারবার অনুরোধ করেই ‘সংবাদপত্রের পাতা থেকে ’’ নামে ১৯৯৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জান্তিক ঘটনাসমুহ এবং এর বিশ্লেষণ বইটা আমার কাছ থেকে নিয়েছিলো।বইটা যদি এতোই মূল্যহীন হবে,তাহলে সেটা নেয়ার কি দরকার ছিলো,এ প্রশ্নও আমি তাকে পরবর্তীতে করেছিলাম।কিন্ত সে এর কোন উত্তর দিতে পারেনি।যে বইটা সম্পাদনা ও বইয়ের প্রতিবেদনগুলি সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য লিখতে আমার দীর্ঘ ১৬ বছর লেগেছিলো,সামান্য একজন মাধ্যমিক পাস ব্যাক্তি হয়েও সে একজন সন্ত্রাসীর মতোই গবেষণার মানে না বুঝলেও গবেষণামূলক বই নিয়ে মন্তব্য করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলো।

সাকেরা নামে বিভাগেরই এক চরম অভদ্র মহিলা কর্মচারী চলচ্চিত্র বিষয়ে কোন ডিগ্রী লাভ না করেই মালিকদের সাথে ‘‘বিশেষ সম্পর্কের’’ সুযোগে এই বিভাগে চাকরী নিয়েছিলো,যে জীবনে কোনদিন কোন পান্ডুলিপি লেখেনি।অথচ তার ব্যাপারে তার কোন আপত্তি ছিলো না।

আমাদের বিভিন্ন ধরণের নাটক ও প্রামাণ্যচ্চিত্র নির্মাণ করতে হতো।২০১০ সালে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে মাদকবিরোধী গল্প নিয়ে লেখা একটা নাটকের পান্ডুলিপি তার কাছে জমা দেই।গল্পের বিষয়বস্তু ছিলো,একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের দ্রুত ধনী হওয়ার লোভে সৎ পথে জীবিকা নির্বাহের পথ ছেড়ে মাদকদ্রব্য বিক্রির সাথে জড়িত হওয়া ও পরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হওয়া।অথচ গল্পটি পড়ে সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে হেয় করার জন্য সে বলে,আমি নাকি এই নাটকের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য বিক্রিকে উৎসাহিত করেছি।

একটা লোক কতোটা নীচ প্রকৃতির হলে মাদকবিরোধী বক্তব্য নিয়ে লেখা নাটককে মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রিতে উৎসাহ দেয়া হয়েছে বলতে পারে,তা সহজেই অনুমান করা যায়।অথচ নাটকটা নির্মাণের পর পুরো বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রসংসিত হয়েছিলো।এভাবেই সে সবসময় আমাকে অপমাণিত ও হেয় করার চেষ্টা করতো।

বিভাগে সে দিপু নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক কর্মচারী আর পংকজ পালিত নামে এক নষ্ট শিক্ষক,যে পরবর্তীতে এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার কারণে ছাত্রদের অান্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যারয় থেকে ঘাড়ধাক্কা খেয়ে বিতাড়িত হয়েছিলো, মিলে দুর্নীতি,দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতা অপব্যবহারের এক চক্র গঠন করেছিলো।২০১০ সালেই মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বেতন পাওয়ার পরও তারা বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িত হয়েছিলো।
একজন বিভাগীয় প্রধান হওয়ার পরও তার ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিলো দিপু নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক কর্মচারীর সাথে।যার ফলে পংকজ পালিত ও দিপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যামেরা বাইরে ভাড়া দেয়ার বিষয়টা ধরা পড়ার পর কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেও তিনি পুরো ঘটনাটা ধামাচাপা দেন এবং তাদের চাকরীতে বহাল রাখেন।

এই দিপু তার কক্ষে বসে অবাধে অবাধে লাম্পট্য ও দুর্নীতি করতো ,যা সবাই জানতো।টাকা বা বেনসন সিগারেট না দিলে সে অনুষ্ঠান বানানোর জন্য ছাত্রদের ক্যামেরা দিতো না।

একবার আমার অনুষ্ঠান নির্মাণের জন্যই ক্যামেরা নিতে গেলেও সে আমার কাছে ঘুষ না পেয়ে চরম অশোভন আচরণ করে।অামি উক্ত চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ জানালে সে তার বন্ধু দিপুর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে পুরো ঘটনাটা ধামাচাপা দেয়।এভাবে অপরাধের শাস্তি না দিয়ে বরং উৎসাহিত করায় দিপু পরবর্তীতে আবারো একই ধরণের আচরণ করে যার ফলে আমাকে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হয়।

তাকে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার পরও সে তাকে চাকরী থেকে বরখাস্ত করেনি।ফলে আমি অপরাধে সহায়তা করার কারণে তার বিরুদ্ধেও অাইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালে সে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক মালিক নামধারী সন্ত্রাসীকে দিয়ে অামাকে হুমকি দেয়ার মতো ঘৃণ্য আচরণ করতেও কুণ্ঠিত হয়নি ।

পরিবার,প্রতিষ্ঠান,সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা স্থানে এই চেয়ারম্যানের মতো ব্যাক্তির মতো অনেক লোক আছে,যাদের জীবনে নীতি আদর্শ সততা বলে কিছু নাই।এরা সারাজীবন যেকোন উপায়ে শুধু নিজের স্বার্থ উদ্ধার ছাড়া দেশ-জাতির জন্য জীবনে কিছুই করতে পারেনি।অথচ যারা নিঃস্বার্থভাবে দেশের জন্য লড়াই করে,তাদের সমপর্যায়ে কোনদিন আসতে পারবে না জেনেই চরম পরশ্রীকাতরতার বশবর্তী হয়ে তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও অপমাণিত করে ।

এরা যে শুধু নিজেরাই নীতিহীনতার মাধ্যমে লাভবান হতে চায় সেটাই না,বরং এদের দেখে ছাত্ররাও দুর্নীতি-মদ্যপান-লাম্পট্য-প্রতারণাসহ সর্বরকম নীতিহীন কার্যকলাপের শিক্ষা পায়। এই শ্রেনীর ব্যাক্তিদের কোন যুক্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার দায়িত্ব দেয়া উচিত না।কারণ প্রকৃত শিক্ষক হওয়ার মতো কোন যোগ্যতাই এদের নাই।

এই শ্রেণীর শিক্ষক নামধারীরা শুধু ঘৃণিত হওয়ারই উপযুক্ত।


সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪২
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

" মহামানব রাসূল (সাঃ) এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও বিনম্র জীবনাচরণ ", যা হতে পারে মানব জাতির জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয়। (শেষ পর্ব )।

লিখেছেন মোহামমদ কামরুজজামান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৬


ছবি - iqna.ir.bd

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ ) এ দুনিয়ায় এসেছিলেন পথ ভ্রষ্ট মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেখিয়ে দিতে ৷ মিথ্যা ও অন্ধকার থেকে মানুষকে আলোর পথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুমিল্লা ইস্যুতে আরও কিছু কথা,

লিখেছেন সরোজ মেহেদী, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫২

অনেকেই সুর মেলাচ্ছেন সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ষড়যন্ত্র, সাম্প্রদায়িক হামলা, সাম্প্রদায়িক ধ্বংশলিলা এসব আহ্লাদিত বাক্যমালার সাথে। আহ্লাদ করেন তবে ‘সাম্প্রদায়িক’ শব্দটার জায়গায় ‘রাজনৈতিক’ বসান। ক্ষমতালোভীও বসাতে পারেন (সে যে কোনো দল, এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আফ্রিকায় টিকাও নেই, ভাতও নেই

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫৪



আফ্রিকার গ্রামগুলো মোটামুটি বেশ বিচ্ছিন্ন ও হাট-বাজারগুলোতে অন্য এলাকার লোকজন তেমন আসে না; ফলে, গ্রামগুলোতে করোনা বেশী ছড়ায়নি। বেশীরভাগ দেশের সরকার ওদের কত গ্রাম আছে তাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবির সাথে সাক্ষাত

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৪১



কবির সাথে দেখা হয়না অনেকদিন।
আগে দেখা হতো নিয়মিত।
সকালটাকে তিনি বিকেলের
চৌরাস্তায় নিয়ে যেতে পারতেন, তীব্র গ্রীষ্মে বর্ষা নামাতেন তুমুল তোড়ে।
রোদের আক্রোশে গা এলিয়ে তিনি ভাসতেন জোছনাবিহারে।
শহরের অবাঞ্ছিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামাজিক অনুষ্ঠান তথা বিয়ে বাড়ির খাওয়ার অভিজ্ঞতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৪৯

সামাজিক অনুষ্ঠান তথা বিয়ে বাড়ির খাওয়ার অভিজ্ঞতা....

যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্যে আমাকে যেটা সবথেকে টানে সেটা হল খাওয়াদাওয়ার অনুষ্ঠান, তা যতটা না খাবার জন্য তার থেকে অনেক বেশী খাদকদের আচরণ দেখতে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×