বর্তমান মহাজোট সরকার দিন বদলের ঘোষণার সাথে সাথে অবাধ তথ্য প্রবাহের কথাও বলেছে। কিন্তু গত ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় বলেছে অনুমোদনহীন কোন বিদেশী চ্যানেল কোন ক্যবাল নেটওয়ার্কে সম্প্রচার হলে সেই অপারেটরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
Click This Link
সরকার এখানে ক্যাবল টিভি এ্যাক্ট-২০০৬ এর অজুহাতে এই অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। উক্ত ক্যাবল টিভি এ্যাক্ট ২০০১ সালে তৎকালীন আলীগ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবু সাঈদের সময় খসড়া তৈরি হয়। পরবর্তী বিগত চার-দলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৬ সালে পাশ হয়। কিন্তু র্দূভাগ্যের বিষয় ২০০১ ও ২০০৬ কখনই এই বিষয়ে জনগণ তথা দর্শকগণের মতামত নেওয়া হয় নি। বরাবরের মত কিছু সংখ্যাক তথাকথিত গণ্যমান্য তথা মাতাব্বর ব্যাক্তির মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে খসড়া এবং সংসদে আইন পাশ হয়। দেশের দর্শকগণ কেমন চায় বা না চায় তথা কোন প্রকার জরিপ বা মতামত চাওয়র কোন বা বিন্দুমাত্র আগ্রহ বিগত দুই সরকারের কেউই দেখায় নি। বাংলাদেশের পরিচয় হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। যদি বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ ও দর্শকদের মতামত উপেক্ষা করে আইন তৈরির ধারা অব্যাহত থাকে তো দেশে ভোটের আর কি দরকার আছে ঐ সকল তথাকথিত গণ্যমান্য ব্যাক্তি স্পষ্টতই মাতাব্বরগণদের মতামত নিয়েই ৩০০ সংসদ সদস্য নির্ধারণ সহ কোন দল ক্ষমতায় আসবে তা নির্ধারিত হৌক। দিন যত যায় একটি সভ্য রাষ্ট্রের শাসন ও গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থায় পরিপক্কতা আসে কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা প্রায় নেই আর যাও আছে তা শম্বুক গতি। এ ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ঘটে যাওযা পলিটেকনিক শিক্ষাঙ্গনে ভাঙচুর সংঘর্ষর পর সংশ্লিষ্ট বোর্ড তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হয়। অথচ যদি শিক্ষা বোর্ড সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই ছাত্রদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত তাহলে গত ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ পলিটেকনিক শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য হত না। বাংলাদেশে বিনোদন ক্ষেত্র খুবই সীমিত। সে হিসেবে ক্যাবল টিভি তথা এর মাধ্যমে দেশী ও বিদেশী স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের বিনোদন উপভোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খবর, খেলাধুলা, সংগীত, চলচিত্র, নাটক, জ্ঞান-বিজ্ঞান-পরিবেশ-ভুগোল সহ বিভিন্ন রকম বিনোদনের সহজ মাধ্যম হল এই ক্যাবল টিভি। আমাদের সমাজে হরেক রকমের নানান অভিরুচির দর্শক আছে। পৃথিবীর কোন গণতান্ত্রিক ও সভ্য রাষ্ট্রে এই বিভিন্ন শ্রেণীর দর্শক যার যার পছন্দ মতন চ্যানেল বেছে নিয়ে বিনোদন উপভোগ করবেন এটাই রীতি। কিন্তু বাংলাদেশে এই অগণতান্ত্রিক ক্যাবল টিভির আইনের কারণে আমরা দর্শকগণ জিম্মি হয়ে আছি। মনে হয় বাংলাদেশ ইরান বা উত্তর কোরিয়ার মত জেলখানা। বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা এক রকম আর প্রয়োগ হবে তার বিরুদ্ধ, সে কেমন কথা? আমাদের সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদে বলা আছে প্রজাতন্ত্রের মালিক হইল এ দেশের জনগণ। এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে দর্শকগণের মতামত না নেওয়া সত্যিই সভ্য রাষ্ট্রের জন্য পরিপন্থী। বাংলাদেশে একজন প্রাপ্তবয়স্ক দর্শক তার টিভি সেটে কোন চ্যানেল দেখবে না দেখবে সেটা সরকারের হস্তক্ষেপ অবাঞ্চিত অভিভাবকত্বের শামিল। এটা ব্যাক্তি স্বাধীনতা কে শৃঙ্খলা বদ্ধ করা যা সংবিধানের ৭(ক) এর পরিপন্থী। ক্যাবল টিভি এ্যাক্ট-২০০৬ এ বলা আছে বস্ত্র উন্মোচন, নগ্নদেহ, নগ্ন ছায়া মূর্তি, কোন প্রকার যৌনক্রিয়া দেখায় এবং যৌন সুরসরী মূলক তা নিষিদ্ধ। চীন, কোরিয়া, জাপান, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার সিংহভাগ চলচিত্রে উপরোক্ত বিষয় তথা খোলামেলা দৃশ্য বিদ্যমান। অনেক খোলামেলা ছবি অস্কার, পুলিৎজার, কান, বার্লিণ, রোম সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত চলচিত্র। আর এগুলোর অনেক ছবিই সিডি কিংবা ডিভিডিতে বাংলাদেশে সহজ লভ্য নয়। এগুলো ষ্টার মুভিজ, এইচবিও তে দেখা গেলেও তা সেন্সর বিহীন নয়। বহু দৃশ্য কেটে ফেলা হয়। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ষ্টার মুভিজে সেন্সর বিহীন চলচিত্র দেখা যেত। কিন্তু সার্কের বিভিন্ন দেশের আপত্তিতে বিশেষ করে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার সরকারের চাপে ষ্টার মুভি(ইন্ডিয়া) তাদের ব্রডকাষ্টিং এ সকল চলচিত্র সেন্সর করে প্রচার করা শুরু করে। ঐ সময় ১৯৯৬ সালের অস্কার জয়ী সর্বশ্রেষ্ঠ চলচিত্র The English patient যেখানে বেশ খোলামেলা দৃশ্য আছে তা পুরোপুরি সেন্সর করে প্রচার করে। শুধু তাই নয় আরও কিছু বিখ্যাত ছবি তারা সেন্সর করেই দেখায়। অথচ এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড তো বটেই শ্রীলংকায়ও সেন্সর বিহীন স্যাটেলাইট মুভি চ্যানেল আছে;
http://www.satlanka.com
সমস্যা হল ভারত ও বাংলাদেশে। দুটো দেশেরই সংবিধান মোতাবেক গণতান্ত্রিক এরা রাষ্ট্র। ভারতের সমস্যার সমাধান ভারতীয় দর্শকদের মাথা ব্যাথা এবং তারাই এর সমাধান করবে। যেহেতু আমাদের দেশে সংবিধান মোতাবেক গণতান্ত্রিক আইনের দ্বারা পরিচালনার কথা বলা আছে তাই সরকারের উচিত তা বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। সরকার যদি মনে করে খোলামেলা দৃশ্যের চলচিত্র দেখলে দর্শকদের ঢালাও ভাবে চরিত্রের অধচতন ঘটবে তা পুরোপুরি সঠিক নয়। সেই ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশে VHSক্যাসেট দেখার জন্য VCRআসে তখনও দেদারসে সরাসরি ট্রিপল এক্স রেটের পর্ণগ্রাফি ছবি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন মহল্লায় ও বস্তিতে দেখানো হতো। পরবর্তীতে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আর বর্তমানে সিডি ও ডিভিডির মাধ্যমেও সারা দেশে পর্ণগ্রাফি ছবি মানুষ ঘরে বসে দেখে। তো তাতে কি বাংলাদেশের পরিবারের ব্যাবস্থা গণহারে ভেঙ্গে পড়েছে? তবে তা অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য তা ক্ষতিকর, কোন মতেই ১৮ এর নীচে নয়। সে xxxবিবেচনায় যদি আমরা বিদেশী চলচিত্র বেশীর ভাগ হলিউডের কিছু ইউরোপের ছবি দেখি তাকে পর্ণগ্রাফীর আওতায় ফেলা যাবে না। যদিও ইউরোপের কিছু নামকরা ছবিতে এক্সপ্লিসিট সেক্স থাকে। তবুও তাকে xxxভিত্তিক বলা যাবে না। তারপরেও কেউ যদি বাংলাদেশে এই ধরণের ছবি দেখতে চায় তাকে দেখতে দিতে হবে। কারণ আমি গণতন্ত্র ও মানুষের ব্যাক্তি স্বাধীনতা কে শ্রদ্ধা করি । তবে শর্ত থাকতে হবে যে কোন যৌন অপরাধ বা নারীঘটিত অপরাধে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট উৎসের কোন গণমাধ্যম কে দ্বায়ী করা যাবে না। তা এ কারণে যে প্রচলিত বিভিন্ন চলচিত্রের চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, খুন, জালিয়াতী, রাহাজানী সহ বিভিন্ন ভায়োলেন্স ও নৃশংসতা দেখে যদি বাংলাদেশে কেউ অপরাধ করে তার জন্য কি সে এই সমস্ত ছবি বা নাটক কে দ্বায়ী করলে বিচারক কি তার বক্তব্য কে যুক্তিযূক্ত বলবে? অপরাধী কে শাস্তির পাশাপাশি কি সংশ্লিষ্ট মিডিয়া কে কি দ্বায়ী করে বিদেশী হলে নিষিদ্ধ বা দেশী হলে সেই ছবির সংশ্লিষ্টগণ কে শাস্তি দিবে কি? মোটেই না, কারণ তা ফ্রিডম অভ এক্সপ্রেশন। তবে কোন ধর্ম, জাতি, রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভমেত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি ঘৃণা সূচক মন্তব্য অপরাধ। যেমন ইউরোপের ইউ কে প্রায় পৃথিবীর সবচেয়ে মূক্ত অঞ্চল বলা যেতে পারে যেখানে ইচ্ছামতন জীবন-যাপন (অন্য কারে ক্ষতি না করলে), মাদক গ্রহণ, এমন কি চরম বার্ধাক্যে পৌছলে মরণও বেছে নিতে পারে (হল্যান্ডে আছে) তারপরও বর্ণ বিরুদ্ধ মন্তব্য, ইহুদী বিরোধী, কিছু দেশে ব্লাসফেমী আছে (খ্রীষ্টান ধর্মের বিরুদ্ধে) এবং চাইল্ড পর্ণগ্রাফী নিষিদ্ধ। এই সব বিবেচনায় বাংলাদেশের কোন প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক বিশ্বের কোন দেশের চলচিত্র বিনা সেন্সরে দেখার পুরো অধিকার রাখে। যদি এইডস্ মোকাবেলায় বলা হয় বিবাহ বর্হিভূত যৌন সম্পর্ক এড়ানো না গেলে পুরুষ যেন নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্কের সময় কনডম ব্যাবহারের পরামর্শ সারা দেশ জুড়ে ফলাও করে প্রচার করা হয় তো বিদেশী চ্যানেলগুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং অমানবিক ।
এখানে আরেক টি বিষয় যেটা না উল্লেখ করলেই নয়। তা হলো বিদেশী পে-চ্যানেলগুলো যদি কেউ পাইরেসী করে তাকে যেন সরকারের প্রশাসন হয়রাণি না করে। কারণ বিদেশী পে-চ্যানেল বিশেষ করে ভারতীয় মাড়োয়ারী গোষ্ঠী বাংলাদেশের ক্যাবল ব্যাবসা উঠিয়ে সরাসরি DTHব্যাবস্থা চালু করতে চায়। যার ফলে যে ক্যাবল টিভি আমরা বর্তমানে ৩০০ টাকায় দেখছি ঐ ডিটিএইচ সিষ্টেমে তা ৬০০-৭০০ টাকায় দেখতে হবে। যার ফলে বহু দর্শক স্যাটেলাইট বিনোদনে বঞ্চিত হবে। আমি বিদেশী চ্যানেল, সফ্টওয়্যার, সংগীত, ছবি, বই ইত্যাদি পাইরেসীতে কোনই আপত্তি করি না। কারণ বাংলাদেশে এগুলো বৈধ ভাবে ক্রয় করতে গেলে আমাদের মহামূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার বিশাল অপচয় হবে। যদি সরকার এ বিষয়ে চুপচাপ থাকে তো বিদেশীরাও তেমন চাপ দিতে পারবে না। তবে আমি বাংলাদেশী চ্যানেল, সফ্টওয়্যার, সংগীত, ছবি, বই ইত্যাদির বৈধ ও ন্যায্য মূল্য এর মূল তৈরি কারী পায় তার পূর্ণ সমর্থন করি। মোদ্য কথা বাংলাদেশ ও এর জনগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেটাই আমার উদ্দেশ্য। এ সমন্ধে পূর্বের লেখায় বিস্তারিত বলেছি;
Click This Link
এবার শেষাংশে সরকারের কাছে পূর্বের ক্যাবল টিভি এ্যাক্ট-২০০৬ এর সংশোধন সহ যূগোপোযোগী গণতান্ত্রিক উদার ক্যাবল টিভি নীতিমালার ব্যাপারে কিছু প্রস্তাব করছি।
(১) সকল দর্শকদের যার যার অভিরুচি মত স্বাধীন ভাবে পছন্দসই স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখতে পারে সেই ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যে পুরো ক্যাবল টিভি ব্যাবস্থা কে ডিজিটাইজড করা। যাতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সিষ্টেম Set Top Box থাকে। শুধু পাশ্চাত্য চলচিত্র নয় হিন্দী ও বাংলাদেশী যৌন সুরসুরি মূলক নাচগানও অপ্রাপ্ত বয়স্কগণ দেখতে না পারে তার ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা।
(২) পারত পক্ষে বিদেশী পে-চ্যানেলের কোন এজেন্ট বা ডিষ্ট্রিবিউটর কে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং সর্বপরি প্রশাসনিক ভাবে তাদের কে কোন সাপোর্ট না দেওয়া। যদিও দেওয়া হয় তা যেন সীমিত শুধু স্পোর্টস চ্যানেল। কারণ পে-চ্যানেলেই যদি খরচ ৩০০ এর নিকট হয় তখন সিংহভাগ অপারেটরগণ এই ব্যাবসা চালাতে পারবে না। তাতে ভারতীয় ডিটিএইচ কোম্পানীগুলো দেশের এই ব্যাবসা দখল করে নেবে।
(৩) ক্যাবল অপারেটর ও দর্শকগণের মধ্যে ভাড়া সহ অন্যান্য খরচ একটা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা। যাতে ডিজিটাল সিষ্টেমে অপারেটরগণ অতিরিক্ত চ্যানেলের প্যাকেজ গ্রাহকরে উপর না চাপিয়ে দেয়।
(৪) বাংলাদেশী কোন সিনেমা, নাটক, গান-নাচ যেন অবৈধ বা পাইরেসীর মাধ্যমে দেশীয় কোন ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক ভিডিওর মাধ্যমে না প্রচার করে তা নিশ্চিত করা।
(৫) ডিজিটাল প্রযূক্তি যেন দেশের দর্শকগণ সূলভে এবং সহজ ঋণ কিস্তিতে লাভ করে তার ব্যাবস্থা নেওয়া। এ লক্ষ্যে ভাল মানের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের উপর শূল্ক প্রত্যাহার অথবা নাম মাত্র শুল্ক রাখা।
(৭) আইন মন্ত্রণালয় কিছু টার্মস এন্ড রেফারেন্স তৈরি করবে যাতে দর্শকগণ বৈধ গ্রাহক হয়ে সাধারণ কিছু নিয়মনীতি মেনে চলে। বিনোদনের অজুহাতে বা তার উৎস কে কেন্দ্র করে বেআইনী কাজে জড়িত হলে কোন ওজর-আপত্তি বিচারের ও শাস্তির ক্ষেত্রে না টেকে তার জন্য গ্রাহকের মূচলেকা বা বন্ড সই নেওয়া।
(৮) মহল্লা, ওয়ার্ড, শহড় বা রাষ্ট্র ভিত্তিক বিজ্ঞাপনের টেক্সট অথবা স্থির ছবির মাধ্যমে বিভিন্ন চ্যানেলে সীমিত আকারে কম করে প্রচার কোন অপারেটর পায়। তাতে অপারেটরগণ আরও কিছুটা হলেও আর্থিক ভাবে লাভবান হবে।
(৯) রাষ্ট্রের গুরুত্ব পূর্ণ সময়ে সরকারের বক্তব্য, দূর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়া বা স্বাস্থ্য বা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিনামূল্যে সচেতনতা মূলক প্রচার বিনামূল্যে করা যেন অপারেটর গণ বাধিত থাকেন তা নিশ্চিত করণ।
(১০) কর ও ভ্যাট যাতে এ ক্ষেত্র হতে সরকার যথাযথ ভাবে পায় তা নিশ্চিত করণ।
উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরো অনেক প্রাসঙ্গিক বিষয় পরবর্তীতে আসতে পারে তা যেন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের সাথে সংগতি রেখে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে ক্যাবল টিভির নিয়ম নীতিমালা করা হয় তা বিশেষ দ্বাবী রইল।
পাঠক ও ব্লগারগণের নিকট হতে সুচিন্তিত ও মূল্যবান মতামতের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


