ঘরে কুকুর পোষবেন কিন্তু যেমন তেমন কুকুর পোষবেন এমন তো হতে পারেনা। তাই, কি ধরণের কুকুর পোষা ভাল হবে এবং কুকুরের জাত চিনার উপায়সমূহ নিয়েই আলোচনা করা হল এই ব্লগ আর্টিকেলটিতে। এই আর্টিকেলটিতে বাংলাদেশে পোষা যায়, এমন পোষ মানা কিছু কুকুর সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

ইন্ডিয়ান পারিয়াহ কুকুর সম্পর্কে অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন। এই কুকুরগুলো অনেক সামাজিক হয়। এবং বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাথে খুব ভালভাবে খাপ খাওয়াতে পারে। সামাজিক হওয়ার কারণে এই কুকুরগুলোকে যদি ছোট বেলা থেকেই ঘরে পোষা যায়, তাহলে খুব দ্রুত পোষ মানানো যাবে। এই জাতের কুকুরগুলো খুবই বুদ্ধিমান হয়, এবং তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন পড়েনা। তাই, ঘরে এ ধরণের কুকুর আনতে পারেন।
ল্যাব্রাডর কুকুর সম্পর্কেও হয়তো শুনে থাকবেন। এই কুকুরগুলো খুবই হাস্যোজ্জল থাকে। তাই, এই কুকুরগুলোকে নিয়মিত খাবার এবং খেলনা দিলে খুব দ্রুত পোষ মানানো সম্ভব। তবে, এদের সাথে একটু বেশি সময় ব্যয় করতে হয়। কারণ, এই কুকুরগুলো বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকতে পছন্দ করে। তাই, যদি কোথাও এই কুকুর পান, কিনে ঘরে পোষতে পারেন।
সারাইল হাউন্ড কুকুরগুলোও বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং জলবায়ুর সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। এরা অনেক অনুগত হয়ে থাকে। তাই, পোষ মানাতে কষ্ট হবেনা। এই কুকুরগুলো সাধারণত খুজে পাওয়া খুবই দুষ্কর। তবে, যদি কোথাও পেয়ে থাকেন, কিনে আনতে পারেন।
পমারেনিয়ান কুকুরগুলো সাইজে ছোট হওয়ার কারণে ঘরে পোষা খুব সহজ। কারণ, এই কুকুরগুলো পোষতে বেশি জায়গার প্রয়োজন হয়না। এই কুকুরগুলো খুবই ব্যাক্তিত্বসম্পন্ন এবং মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করে। তাই, এগুলোকে পোষতে বেশি কষ্ট করতে হয়না। তাই, পমারেনিয়ান কুকুরকে আপনার ঘরের একজন ভাল সঙ্গী করতে পারেন খুব সহজে।
স্পিটজ কুকুরগুলোও পমারেনিয়ান কুকুরের মতোই ব্যাক্তিত্বসম্পন্ন এবং মানুষের সাথে মিশতে পছন্দ করে। পাশাপাশি এগুলো খুব সামাজিক হয়ে থাকে। তাই, এদের নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে হয়না।
তাই, আশা করছি কুকুর কেনার ক্ষেত্রে এই লেখাটি আপনার অনেক প্রয়োজনে আসবে। তাই, লেখাটি ভালমত পড়ুন এবং বাংলাদেশের জলবায়ু এবং আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়াতে পারে এমন কুকুর বাছাই করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


