somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-৮)

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


-------------------------------------
সবুজ বরণ দেশ ক্যানভাসে, রক্ত গোলাপ ছবি
হাসে সুখে দেখে গোলাপ,পূর্বাশার ঐ রবি!
বৃষ্টি ধোয়া সবুজ পাতা, মাঝে গোলাপ ফুটা
মৌমাছিদের যায় হয়ে যায়, সুখে মধু লুটা!
গোলাপ ফুলের পাপড়ি জুড়ে, স্নিগ্ধতার রঙ মাখা
ফুল ফুটা এই প্রহর যেনো, রঙতুলিতে আঁকা।
ঘ্রাণ ছড়ানো রক্ত গোলাপ, পাপড়ি মেলে হাসে
ছুঁয়ে দিলে ঝরে পড়ে, সবুজ দূর্বাঘাসে।
============
ক্যানন ক্যামেরায় তোলা বিভিন্ন সময়ের ছবি। আশাকরি ভালো লাগবে

২। =আমার বাংলাদেশ=
ইট সুড়কি আর পাথরের দেশ ঘুরতে বড় ইচ্ছে তাই না?
পাসপোর্ট ভিসা করিয়ে নাও নিরিবিলি
কতটা ঝক্কি ঝামেলা পোহায়ে পেয়ে যাও দূর দেশে যাওয়ার অনুমতি
কেবল এতটুকুন ইচ্ছে ঘুরে দেখবে দুনিয়া
কল্প ডানা বেঁধে ভেসে বেড়াও স্বপ্নঘুমে,
আর অপেক্ষার বুকে ঠাঁয় বসে থাকো-কবে যাবে দূর সীমান্তে
তাই-না?
অথচ নিজের দেশটাকেই দেখলে না আগ্রহচিত্তে,
এই মেঠোপথ, ধানের ক্ষেতের আল
বর্ষায় ডুবা মাঠ ঘাট অথবা দোয়েল শালিক ময়না শ্যামা।
দেখলে না চোখ ভরে, দূর্বাঘাসের গালিচা
চড়ুইয়ের নাচানাচি, টুনটুনির লুকোচুরির প্রহর
আর বাবুইয়ের নিপূণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরী ওদের নীড়।
দেখলে না, সবুজে সবুজে ভরা প্রান্তর,
বসলে না পা ডুবিয়ে শাপলা ফুটা স্বচ্ছ ঝিলের জলে,
মুগ্ধতায় তাকালে না ফড়িং প্রজাপতির ডানায়!



৩। =কাঠগোলাপ ভালোবাসা=
যদি আসো কাছে আমার, মিষ্টি ঘ্রাণে করবো মাতাল
কাঠগোলাপের ফুলে ফুলে, ভরা আছে মনের চাতাল।
যদি তুমি বাসো ভালো, মুগ্ধতাতে করবো পাগল
তাই শুনো রোজ রাখি খোলা, এই আবেগীর বুকের আগল।
যদি তুমি চোখ ছুঁয়ে দাও, ফুলের পাপড়ি দেবো ছুঁড়ে
বন্ধ চোখে দেখবে তুমি, প্রেম উঠে ঠিক বক্ষ ফুঁড়ে।
যদি তুমি কাছে এসে, হেসে হেসে বলো কথা
ডাকবো তোমায় আদর করে, ময়না শালিক চড়ুই তোতা।
যদি তুমি ফুল নিতে চাও, বাগান আমি করবো খালি
হবো আমি এক নিমেষে, বুক আকাশে চাঁদ এক ফালি।
যদি তুমি ফুল হতে চাও, কাঠগোলাপের পাপড়ির মতন
বারান্দাতে রাখবো রুয়ে, টবের মাঝে গাছটি যতন।



৪। =আমাদের আর ওদের ছেলেবেলা=
বউচি কানামাছি গোল্লাছুট আর ডাংগুলির ঐ বেলা
বিকেল হলেই বসতো মাঠে, হাজারতরো খেলা,
উঠোনজুড়ে ফুলের মেলা, ভাসাতাম সুখ ভেলা
ভরা বর্ষায় পুকুর জলে, বর্শি হতো ফেলা।
কলাগাছের ভাসতো ভেলা, স্বচ্ছ পুকুর জলে
বিদ্যালয়ে যাবো না তাই, ঠিক পালাতাম ছলে।
দুষ্টুমিতে ভরা ছিলো, ছেলেবেলার দিন ঐ
ফেলে আসছি ছেলেবেলা সুখের সুরের বীণ ঐ।
ছোটো বেলার সময় মোদের কত গল্পে ভরা
ছিলো নাতো ঠিক কখনো, মনের মাঝে খরা।



৫। =সাজব আমি হলদে ফুলে=
হাত দিয়ো না ফুটা ফুলে, বোলতা কামড় দেবে
খোপায় দেবে কষ্ট পাবে, দেখো আবার ভেবে?
ভালো যদি বাসো আমায়, করবে কষ্ট বরণ?
নাও শুনে নাও এমনতরো, আমার প্রেমের ধরণ।
পরীক্ষায় পাশ করো যদি, ভয় ডর দূরে ঠেলে
আসবো দৌঁড়ে কাছে তোমার, কল্প ডানা মেলে।
লাল হলুদে সাজবো আজই, ইচ্ছে মনে লাগে
ফুলের উপর বোলতা বসে, নাও নিয়ে নাও বাগে।
খাচ্ছে মধু হলুদ পোকা, ডানা মেলে রঙ্গে
চোখ পাকিয়ে তাকাচ্ছে গো,কেমন ভয়ের ঢঙ্গে।
হাত দিয়ো না কামড় দেবে, হলুদ বোলতা পোকা
ভয়ে এমন চুপসে গেলে, তুমি বড্ড বোকা।



৬। =যাবি বন্ধু গায়ে যাবি?=
যাবি নাকি গায়ে যাবি, টেংরা পুটির দেখবি নাচন?
এই শহরে ফরমালিন মাছ, খেয়ে যে আর যায় না বাঁচন।
স্বচ্ছ জলের পুকুর ঘাটে, টেংরা পুটি কাটে সাঁতার
এই শহরে দুষণ হাওয়া, কূল ছাড়া নিথুয়া পাথার।
যাবি নাকি গায়ে যাবি, খাবি ঝুলে টেংরা পুটি?
নে-না নিয়ে বন্ধু তুই রে কর্ম হতে আজই ছুটি।
খালের জলে টাকি নাচে, ডোবায় রূপের চান্দা হাসে
মলা ঢেলা স্বাধীনতায়, পুকুর ঘাটে ডুবে ভাসে।
যাবি নাকি ছুটি নিয়ে, শুদ্ধ হাওয়া গাঁয়ের বাড়ি?
ক'টা দিবস চল্ না বন্ধু, যন্ত্র শহর পিছন ছাড়ি।



৭। =নিয়ে যাও আমায় দূরে বহুদূরে=
শুকনো খরখরে ধূলোবালির পথ হেঁটে হেঁটে ক্লান্ত
মনে পোষণ করে রাখি-শত ধারণা ভ্রান্ত!
চোখের কোণে কেবল স্যাঁতস্যাঁতে জল
নিদাঘ তাপ রোদ-মন উঠোনে, জ্বালায়-করে ছল।
ইট সুড়কির পথ, পায়ে পায়ে ধাঁধা, মনে নেই জোর
নেয়ে ঘেমে একাকার জীবন, মরিচিকার পিছু দৌঁড়
কাহাতক ধৈর্য্য থাকে চোখ কিনারে
হীম হাওয়ার ঝান্ডা উড়ে না মন মিনারে!
যদি সাধ্য থাকে হাত ধরে নিয়ে যাও-অজানা শহর
যেথায় বইবে কলকল ঝর্ণার সুশীতল হাওয়ার লহর!
দূর্বাঘাসের পাটিতে বসে দিনভর তুমি আমি
কাটিয়ে দেই না হয়, হাসি ঠাট্টায়-হোক না একটু পাগলামী।
সারি সারি গাছের ছায়ার পথ ধরে যদি হাঁটতে হও রাজী
জেনে রেখো তোমায় বানাবো ঠিক, জীবন নৌকার মাঝি।



৮। =আমাদের প্রথম বিদ্যালয়=
ঘ্রাণ পাচ্ছি গো ঘ্রান পাচ্ছি, বিদ্যালয়ের পাচ্ছি ঘ্রাণ
এক গাদা বই বগলদাবায় ছুটে যেতে আনচান প্রাণ।
সেন্ডেল পায়ে হেঁটে হেঁটে, ধানের ক্ষেতের আলে আলে
আমরা সবাই যেতাম ছুটে, গল্প কথার তালে তালে।
সিমু পলি সুভাষিনী, মনোয়ারা ও শাহানা
বিদ্যালয় পালাতে চুপে, করতি তোরা শ বাহানা।
তেতুল গাছে ঢিলে ঢিলে, খেতাম তেতুল লবণ সাথে
কত মজা করতাম মিলে, ধরে তোদের হাতে হাতে।
রুমাল চোখে বেঁধে লুকোচুরি, খেলতাম তোদের পুকুর পাড়ে
সুযোগ পেয়ে উঠে বসতাম, মনোয়ারারে তোর ঘাড়ে।
কত শত দুষ্টুমিতে, প্রথম গন্ডি গেলো কেটে
এবেলাতে ভাবলে আহা, কলিজা আমার যায় ফেটে।



৯। =হেমন্তের অপেক্ষায়=
তালপাকা ভাদ্রের রোদের তাপে বিতৃষ্ণায় ছেয়ে যায় মন
চারিদিকে কেবল খাঁখা প্রান্তর,
শুকনো ধূলো বালি উড়া পথ ঘাট,শান্তি নেই একফোঁটা!
কোথায় গেলে পাই শান্তির ছায়া, তৃষ্ণা মিটাই হীম জলে!
উর্ধ্বমূখী হই, চোখ জ্বালিয়ে সূর্য হাসে,
মুগ্ধতা পাই কেবল আকাশ দেখে।
মর্ত্যে তাকাই কেবল খরখরে শুকনো মাটি আর ইট পাথর,
শহরের বুকে হা করে দাঁড়িয়ে আছে অট্টালিকা
অট্টালিকার গা জড়ানো আতশি কাঁচে
আতশি কাঁচে সূর্যের প্রতিফলন,
চোখ রগড়ালেই চোখে দেখি ঝিরিঝিরি সর্ষে ফুল!



১০। =একটি মুগ্ধতার প্রহর আমার হোক=
একটি স্নিগ্ধ প্রহর কেবল আমারই থাক্
মনের কিনারে এসে বসুক মুগ্ধতা এক ঝাঁক
ক্লান্তি ঝরে যাক, ভ্রান্তি মুছে যাক,
একঘেয়েমী হতে মন নতুন মাত্রা পাক।
আঙ্গুল ছুঁয়ে দেবো সবুজের গায়ে
স্বস্তির নি:শ্বাস নিতে, গিয়ে বসবো গাছের ছায়ে।
আমি ভুলে যাবো শত ব্যস্ততা,
পেরেশানী আর সকল তিতে কথা।
একটি মুগ্ধতার প্রহর আমার হয়েই থাকুক
ঘাসফড়িং উড়ে এসে-মনে শান্তি আঁকুক।
সবুজের গায়ে এঁকে দেবো মুগ্ধতার রঙছোপ
নিমেষে ভুলে যাবো, শত কষ্ট কথার কোপ।
রক্তাক্ত হৃদয়ে সবুজের প্রশান্তি দেবো ঢেলে,
উড়বো সবুজের উপর ইচ্ছে ডানা মেলে।
একটি স্বস্তিমূখর পরিবেশ থাক্ আমার হয়ে
কিছুটা সময় যাক ইচ্ছেমতন ক্ষয়ে।



১১। =অভিমানী পাখি=
হলি অভিমানি, ফেললি চোখের জল
মুখ ফিরিয়ে তাকাস না-
করছিস্ একি ছল রে পাখি করছিস একি ছল?
কী কারণে আছিস রেগে
বলবি আমায়? বল-বল!

চোখ কী তোর যাচ্ছে জ্বলে
বুকের ভিতর আগুন
কার প্রেমেতে হলি পাখি-দিনদুপুরে খুন?
চোখে কী তোর জল রে পাখি চোখে কী তোর জল
জলে চোখ ছলচ্ছল?

কণ্ঠে যে তোর সুর নেই আর
চুপটি আছিস বসে
যাচ্ছিস, ভুল অংক তুই কষে?
বলছিস্ না কথা তুই অনর্গল রে পাখি আর তো অনর্গল
বুকে বুঝি নেমেছে তোর অথৈ ব্যথার ঢল।



১২। =মানুষ তুমি ক্যাকটাস
মানুষ নও তুমি-যেনো বৃক্ষ ক্যাকটাস
হাতে কাঁটা, গায়ে কাঁটা, মুখে কাঁটা
কাঁটা মুখের বুলিতে,
রাগের মগজ খুলিতে;
বলো কথা লাগে গায়ে টাস টাস
তুমি একটা ক্যাকটাস।

ছুঁয়ে দিলে জ্বলে মরি, কাঁটার জ্বালা
আহারে কথার জ্বালা
পুড়ে মরি নিরিবিলি, বিতৃষ্ণার শ কথার মালা
পড়লে গলে, গলা জ্বলে......
কথা তো নয় এ যেনো গো মুলি বাঁশ
তুমি বাপু ক্যাকটাস।

ফুলের মধু নাও নি মুখে, ঠোঁট যেনো নিমের পাতা
জিভে তোমার করলা আর কথায় যেনো উচ্ছে
তিতে মানুষ, কথায় কথায় মারো খোঁচা
পেঁচামূখি নাক'টা বোঁচা...
তোমার পাশে থাকলে-জীবন কষ্টে হাঁসফাঁস
মানুষ তুমি ক্যাকটাস।



সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"শুভ জন্মদিন" ছড়ারাজ প্রামানিক

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০০



'টিং টিঙা টিং' ফেবুর নোটিশ
হঠাৎ পেলেম,সে কি!
আজ ছড়ারাজ প্রামানিকের
জন্মদিনও দেখি!!

সামুর যখন ছন্দে খরা
এগিয়ে এলেন একই;
ছন্দে একাই ব্লগ মাতালেন
ঐ এক প্রামানকিই!

কে কি বলে থোড়াই কেয়ার
ছন্দ করেন ব্রত;
তার দেখানো পথটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার তোলা কিছু ছবি (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩২



একটা ছবি ব্লগ দিলাম।
অনেকদিন ছবি ব্লগ দেই না। তাই আজ একটা ছবি ব্লগ দিলাম। ছবি গুলো পুরোনো। ছবি দেখতে সবারই ভালো লাগে। তবে কিছু ছবি মানুষকে পেইন দেয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

» বিজয়ের মাসে লাল সবুজের পতাকার রঙে আঁকা ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-১১)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮



বিভিন্ন সময়ে তোলা এই ছবিগুলো। সবগুলোই ক্যানন ক্যামেরায় তোলা। বিজয়ের মাস তো তাই এই পতাকা রঙ ছবিগুলো দিতে ইচ্ছে করতেছে। কী সুন্দর আমাদের দেশ। কত ফল ফুলে ভরা। কী সুন্দর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নগরবধু আম্রপালী মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪


ভুমিকা: উপনিষদে নারীর স্বাধীন ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণে বানপ্রস্থ এবং সন্যাস গ্রহণের বর্ণনামূলক অনেক বিবরণ পাওয়া যায়। প্রাচীন ভারতে কিছু রাজ্যে নগরবধূর মতো প্রথা প্রচলিত ছিল। নারীরা নগরবধূর ঈপ্সিত শিরোপা জয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের লোকদের ভাবনাশক্তি আসলে খুবই সীমিত!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১০



মগের বাচ্চারা আগে ছিলো দলদস্যু, বাংলার উপকুল ও নদী-তীরবর্তী গ্রামগুলোতে লুতরাজ চালাতো, গরীবদের গরু-ছাগল, ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে যেতো; এখন তাদের হাতে আধুনিক অস্ত্র, তারা রোহিংগাদের উপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×