
আলী ভাইয়া বলেছিলেন তামীমের আকা ছবি দিতে। অনেক ছবিই কালের অতলে হারিয়ে যাচ্ছে। সে খাতায় আকে না। টুকরো কাগজে আকে আর ফেলে দেয়।
ছোট ছেলে তামীম দুষ্টুও বটে, তার কাল্পনিক শক্তি অনেক ভালো মাশাআল্লাহ। তবে লেখাপড়ার মাঝখান দিয়া সে খাতায় বইয়ে যেখানে মন চায় সেখানেই অবহেলাতেই আঁকাআকি করে। বেশীর ভাগ আঁকাআঁকি করে পরীক্ষার সময়। তখন যে কী রাগ লাগে। কিছু বললে আর পড়তেই বসবে না। তাই যতক্ষণ আঁকে আঁকুক এ আশা নিয়ে বসে থাকি। রাত যখন বারোটা তখন মন চায় তার কিছুক্ষণ পড়তে। এই যা। সে এবার পিইসি দিলো, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে (মোট মার্ক ৫৮৭), এবং সে সেন্ট্রাল বয়েজে চান্সও পেয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্, সে ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় তৃতীয় হয়েছে। (পরীক্ষার্থী ছিলো ৮৫০ প্রায়)। এখন পর্যন্ত ভালোয় ভালোয় যাচ্ছে পড়াশুনা। কিন্তু এমন অবহেলা নিয়ে পড়লে সামনের দিনগুলোতে বিপদ হতে পারে (দোয়া করবেন সবাই, যাতে পড়ায় মনোযোগী হয়) । আঁকার শেষে তার সিগনেচারও এড করেছে।
২। বিশ্বকাপ খেলার সময় মনে হয়

৩। ব্রিজে উঠতেছে তার গাড়িটা

৪। বিশ্বকাপ খেলার সময়

৫।

৬।

৭।

৮। কাগজ কেটে জার্সি বানিয়েছে

৯।

১০।

১১।

১২।

১৩।

১৪।

১৫।

১৬।

১৭।

১৮।

১৯।

২০।

২১।

২২।

২৩।

২৪।

২৫।

২৬।

২৭।

২৮।থ্রিডি আঁকার চেষ্টা (কিউব

২৯। দিনমজুর টাকা নিচ্ছে

৩০। পেপারের ছবিতে পা এঁকে দিয়েছে হাহাহা

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



