ছোট বেলা থেকেই আমাদের দেশের বাচ্চাগুলোর মাথায় যেভাবে ধর্ম ঢুকানো হয় সেখান থেকে বের হয়ে এসে নাস্তিকতা গ্রহণ করা বড় কষ্টসাধ্য ব্যাপার, শুধু কষ্টসাধ্য বললে ভুল হবে এর সাথে জড়িত থাকে শেকড় উপড়ানোরর যন্ত্রনা। নিজের চিন্তার জগতের পাশাপাশি পরিবার আর সমাজকে হঠাৎ করেই ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখার ধকল গ্রহন করতে কেউ পারে কেউ পারে না, যারা পারে তারাই পরবর্তী সময়ে প্রকৃত সত্য উপলব্ধিরর জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও সমাজ সংস্কারের জন্য কিছু করার বা লেখার চেস্টা করে। যদিও নাস্তিকরা তাদের মতবাদের কথা পরিবারে বা সমাজে খোলাখুলি ভাবে বলতে পারে না, তবুও তারা সবার সাথে হাসিখুশি ভাবে মেলামেশা করে। কিন্তু প্রতিনিয়ত সমাজের ভুল দিকগুলো, ধর্মের নামে ভন্ডামী আর প্রতারণাগুলো তাদের চোখে পরে আর ভেতরে ভেতরে রক্তক্ষরণ হয় ।
এই সমাজ তাদেরকে অত্যন্ত জঘন্য দৃষ্টিতে দেখে বলেই তারা ব্যক্তিগত ভাবে খুব একা হয়ে যায়। নিজেদের একটু শান্তির নি:শ্বাসের জন্য ফেসবুকে এসে আপন জগৎ খুঁজে। এটা তাদের দুর্বলতা ভেবে কটাক্ষ করে আস্তিকেরা। কিন্তু না, ফেইক আইডি তে তারা লেখালেখি করতে বাধ্য হয়, কারণ আমাদের সমাজ কখনো নাস্তিকতা ট্যাবু। আর যে সাহস করে পরিচয় দিবে তার জন্য তো মধুর মধুর গিফট আছেই। কে হায় স্বাধ করে নিজের জীবনটা সময়ের আগে বলী দিতে ভালবাসে!
তবুও তো রক্ষে নাই frown emoticon !
(বিঃ দ্রঃ লেখতে চেয়েছিলাম , নিজের ছোটবেলার ধর্মান্ধতার কথা, লিখে ফেললাম তত্ত্বকথা ! ঠিক আছে অন্য সময় ।)
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



