somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়েব সিরিজ রিভিউ: রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি (REKKA)

১৮ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি।
নিমন্ত্রণ তো করা হয়েছিলো, কিন্তু তিনি আসেন নি। কেন আসেন নি, তা জানা যাবে ত্রিলোকনাথ বসুর কাছে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠিটা পড়লেই। তবে রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে না এলেও যারা খেতে এসেছিলো তারা কেন আর ফিরে গেলো না, তা জানতে হলে পড়তে হবে দুই বাংলার বিখ্যাত থ্রিলার লেখক তথা থ্রিলার সম্রাট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের জনপ্রিয় থ্রিলার উপন্যাস "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি", এবং দেখতে হবে এই উপন্যাস অবলম্বনে "বাইশে শ্রাবণ", "চতুষ্কোণ", "ভিঞ্চি দা"-এর মতো দুর্দান্ত সব থ্রিলার চলচ্চিত্র নির্মাণ করে নিজের জাত চেনানো ঝানু নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ওয়েব সিরিজ "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি", সংক্ষেপে "REKKA"


প্রিয় লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের এই রবীন্দ্রনাথ ট্রিলজির প্রথম খণ্ড এবং দ্বিতীয় খণ্ড অর্থাৎ "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি" এবং "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো আসেন নি" নিয়ে আমি আগেই আলোচনা করেছি( এখানে )। আজ আলোচনা করতে যাচ্ছি প্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জি নির্মিত ওয়েব সিরিজ REKKA নিয়ে।


যারা এখনো বইটি পড়েন নি, তাদের কাছে এই সিরিজটি এক কথায় অসাধারণ লাগার মতোই একটা সিরিজ। আর যারা বইটি পড়েছেন তাদের কাছে কেমন লাগবে তা নির্ভর করছে তারা কীভাবে দেখবেন তার ওপর। বই আগে থেকে পড়া থাকা সত্বেও আমার কাছে কিন্তু সিরিজটি দুর্দান্তই লেগেছে! এর একটা কারণ হচ্ছে, আমি সিরিজটি পাঠক হিসেবে না, দর্শক হিসেবে দেখেছি। তাই যারা বইটি পড়েছেন, তাদের কাছে অনুরোধ রইলো, আপনারাও দর্শক হিসেবেই দেখুন। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে। অবশ্য পুরো সিরিজটা দেখে শেষ করার পর আমার মনে হয়েছে, পাঠক হিসেবে দেখলেও সিরিজটা নিয়ে আমার মধ্যে একই রকমের ভালো লাগাই কাজ করতো।


যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসি। সৃজিত মুখার্জি এই সিরিজটি হুবহু বই অনুসরণ করেই নির্মাণ করেছেন। এবং সিরিজের কাজে হাত দেয়ার আগে বইটা যে তিনি বেশ ভালোভাবে পড়েছেন এবং আত্মস্থ করেছেন, তা এই সিরিজের প্রতিটা পর্বের প্রতিটা দৃশ্যেই স্পষ্ট। এটা ঠিক যে অনেক চরিত্রেরই নাম বদলে ফেলা হয়েছে, যেমন- নুরে ছফা হয়ে গেছে নিরুপম চন্দ, খোদদাদ শাহবাজ খান ওরফে কেএসকে হয়ে গেছে খরাজ খাসনবিশ, আসকার ইবনে সায়্যিদ হয়ে গেছে ইন্দ্রায়ুধ সেন ইত্যাদি। এটাও ঠিক যে সুন্দরপুর জায়গাটাকে বাংলাদেশ থেকে তুলে নিয়ে ভারত আর বাংলাদেশের বর্ডারে ফেলা হয়েছে। কিন্তু এত সবকিছুর পরেও দক্ষ এই নির্মাতা আমাদের প্রিয় "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি"কে সেই "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি"-ই রেখেছেন, যেটা আমরা বইতে পড়েছি! অন্যদের কথা জানি না, তবে আমি বই পড়ার সময় সবকিছু যেভাবে যেভাবে কল্পনা করেছিলাম, সিরিজের প্রায় নব্বই শতাংশ আমি ঠিক সেভাবেই পেয়েছি। একদম শুরুতে "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি" রেস্তোরাঁর সামনে এসে নুরে ছফার(এখানে নিরুপম চন্দ) গাড়ি থেকে নামা থেকে শুরু করে একদম শেষে মুশকান জুবেরির স্থানীয় এমপির(এখানে এমএলএ) ফ্ল্যাটে হানা দেয়া পর্যন্ত প্রায় সবকিছুতেই আমার পাঠক মনের কল্পনার প্রতিফলন পেয়েছি। তবে সিরিজটা দেখার আগ পর্যন্ত যে ব্যাপারটা নিয়ে খানিকটা দুশ্চিন্তায় ছিলাম, সেটা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। বইয়ে রমাকান্তকামারের ফ্ল্যাশব্যাকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটা ঘটনা আছে। এখন সিরিজটা যদি পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়, তাহলে সেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অংশটা কীভাবে আসবে? তবে কি এই অংশটা সিরিজ থেকে বাদ যাবে? কিন্তু যখন ট্রেইলার এলো, ট্রেইলারে আবার দেখলাম মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যার কিছু দৃশ্য আছে! ভেবেই পাচ্ছিলাম না যে কীভাবে কী?! পরে যখন সিরিজ এলো, তখন সিরিজ দেখে বুঝলাম, এই ঝানু নির্মাতা কীভাবে কী মিলিয়েছেন! শুধু তাই না, আন্দিজ উপত্যকায় প্লেন ক্র‍্যাশ পরবর্তী ঘটনাগুলোও বেশ চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন সৃজিত মুখার্জি। আর আন্দিজ উপত্যকার ওপরে আছড়ে পড়া প্লেনের ভাঙা অংশটাও অনেকটা বাস্তবের সাথে মিল রেখেই দেখিয়েছেন তিনি।


এবারে আসছি কলাকুশলীদের অভিনয় প্রসঙ্গে। প্রথমেই বলবো মুশকান জুবেরি চরিত্রে আজমেরী হক বাঁধনের কথা। এই ভদ্রমহিলার সঙ্গে যদি আমার কখনো দেখা হতো, তাহলে হয়তো তাকে বলেই বসতাম, "ম্যাডাম! আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন ম্যাডাম?? মুশকান জুবেরি চরিত্রে আমরা এতজনকে কল্পনা করলাম, অথচ আপনাকে কেন একটি বারের জন্যেও কল্পনা করলাম না?! আপনি-ই তো সত্যিকারের মুশকান জুবেরি!" হ্যাঁ, মুশকান জুবেরি চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন। তার অভিনয় থেকে বাংলাবাজারের প্রেসের প্রিন্টিং মেশিন থেকে অফহোয়াইট কাগজের ওপরে ছেপে বের হওয়া সেই উপন্যাসের মুশকান জুবেরির ঘ্রাণটাই ভেসে আসছিলো বারবার!


এরপর আসা যাক খোদদাদ শাহবাজ খান ওরফে কেএসকে পক্ষান্তরে খরাজ খাসনবিশ চরিত্রের অভিনেতা অঞ্জন দত্তের অভিনয় প্রসঙ্গে। একদিকে অঞ্জন দত্ত আমার অত্যন্ত প্রিয় একজন অভিনেতা, আর অন্যদিকে কেএসকে আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা চরিত্র। দুই প্রিয়র মেলবন্ধনটা পর্দায় দেখাটা বেশ উপভোগ্য ছিলো আমার জন্য। হ্যাঁ, কেএসকে চরিত্রে অঞ্জন দত্তের অভিনয় বেশ উপভোগ করেছি আমি। চমৎকার অভিনয় করেছেন অঞ্জন দত্ত এই চরিত্রটিতে। তবে হ্যাঁ, কেএসকের পুরনো ঢাকার ভাষায় কথা বলাটা খুব মিস করেছি এখানে।


ওসি তপন শিকদার চরিত্রে অভিনয় করেছেন একেনবাবু খ্যাত অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী, আরেকজন মাথা নষ্ট করা অভিনেতা! এখানে এই লোক দেখিয়ে দিয়েছেন, তিনি কেবল হাসাতেই পারেন না, বরং ভয়ও দেখাতে পারেন। এখানে তার শীতল অভিনয় বলতে গেলে অনেকটা সেরকমই।


রাহুল বোসের অভিনয় নিয়ে আসলে নতুন করে কিছুই বলার নেই। তিনি জাত অভিনেতা। অভিনয় তিনি বরাবরই অসাধারণ করেন। এখানে নুরে ছফা পক্ষান্তরে নিরুপম চন্দ চরিত্রে তার অভিনয়ও ছিলো অসাধারণ। যদিও উপন্যাসের নুরে ছফাকে তার ভেতরে কমই পাওয়া গেছে, তবুও তার অভিনয় আমার ব্যক্তিগতভাবে অসাধারণ লেগেছে। কারণ ঐযে বললাম, আমি পাঠক হিসেবে না, বরং দর্শক হিসেবে দেখেছি।


এবারে আসছি আমার সবচাইতে প্রিয় অভিনেতা যিনি কোনো চরিত্রে শুধু অভিনয় করেন না, বরং সেই চরিত্রকে যেন নিজের ভেতরে ধারণ করেন, যার অভিনয় দেখে এক মুহুর্তের জন্যেও মনে হয় না যে মানুষটা অভিনয় করছেন, সেই অনির্বাণ ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গে। "ধনঞ্জয়" সিনেমার ধনঞ্জয়, "শাহজাহান রিজেন্সি" সিনেমার অর্ণব, "ভিঞ্চি দা"-এর এসিপি বিজয় পোদ্দার, "গুমনামী"-এর চন্দ্রচূড় ধর, "দ্বিতীয় পুরুষ"-এর খোকা, হইচইয়ের "ব্যোমকেশ" সিরিজের ব্যোমকেশ, "ড্রাকুলা স্যার"-এর অমল সোম/রক্তিম চৌধুরী ইত্যাদি চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন মাতিয়ে এবার এখানে তিনি অভিনয় করেছেন আতর আলীর চরিত্রে। সিরিজে তার স্ক্রিনটাইম কম হলেও তিনি যতক্ষণ ছিলেন ততক্ষণ-ই যাকে বলে একদম ফাটিয়ে অভিনয় করেছেন! অনেকেরই অভিযোগ ছিলো যে অনির্বাণ কেন নুরে ছফা বা নিরুপম চন্দের চরিত্রে অভিনয় করলেন না, আতর আলীর চরিত্রে কেন অভিনয় করলেন। আসলে অনির্বাণ ভট্টাচার্য হচ্ছেন সেই অভিনেতা, যার ভেতরে নায়ক হওয়ার ক্ষুধা নেই, আছে অভিনয়ের ক্ষুধা। আর পরিচালক এখানে আতর আলীর চরিত্রটাকে যেভাবে দাঁড় করিয়েছেন, তার জন্যে সেই অভিনয়ের ক্ষুধাটাই দরকার। এই চরিত্রটাতে অনির্বাণ যেরকম দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন, সেরকমটা অন্য আর কেউ করতে পারতেন বলে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় না। অনেকে আবার হয়তো এরকমটাও বলবেন যে উপন্যাসের আতর আলী তো এরকম ছিলো না! তারা কেবল চোখ বন্ধ করে অনির্বাণের মুখে আতর আলীর ডায়লগগুলো শুনুন। তারপর বলুন তো, আতর আলী ঠিক এভাবেই কথা বলতো কিনা? আমার তো মনে হয়েছে, আরে! এটাই তো আতর আলী!
এছাড়া অন্য সবার অভিনয়ও দারুণ ছিলো পুরো সিরিজ জুড়ে।

এই সিরিজের আরেকটা বিষয় যেটা অসাধারণ লেগেছে সেটা হচ্ছে রবীন্দ্র সংগীত। রবীন্দ্রসংগীত যে শুধু রোম্যান্টিক অনুভূতি-ই না, বরং রোমাঞ্চকর অনুভূতিও দিতে পারে, তা দর্শক বুঝবে এই সিরিজটি দেখলে।


পরিশেষে ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রিয় নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে, প্রিয় উপন্যাসের সঙ্গে সঙ্গে সব প্রিয় অভিনেতাদেরকেও এক জায়গায় নিয়ে এসে তাদেরকে পর্দায় একসঙ্গে দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্যে।

Personal Rating: 8/10

[পুনশ্চ: ওহ হ্যাঁ! "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি" রেস্তোরাঁয় রবীন্দ্রনাথ কখনো খেতে না এলেও "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি" ওয়েব সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠিকই এসেছিলেন! কীভাবে? জানতে হলে দেখুন "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি" তথা "REKKA"!]

#REKKA
#Waiting_For_Season_02
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৫০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ট্রাম্প-জনসন আদর্শিক ভায়রা ভাই .....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:১১

ট্রাম্প-জনসন আদর্শিক ভায়রা ভাই .....



গতকাল আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশীরভাগ নিউজ হেডলাইন ছিলো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে এফবিআই'র তল্লাশী..... জানিনা ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছর পর গাধা মার্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজ্জা লজ্জা লজ্জা!!!

লিখেছেন অর্ক, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১২:১৬



ছি ছি, অতি লজ্জা শরমের ব্যাপার, সদ্য সমাপ্ত হওয়া বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে সম্পূর্ণ পদক শূন্য বাংলাদেশ! একটা তামাও নেই! বাংলাদেশের এ্যাথলেটদের চেহারাও তেমন দেখলাম না এ আসরে! ভয়ঙ্কর লজ্জা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা লুঙ্গি

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১২:৩২



গেল সপ্তাহে ঢাকার একটি সিনেমা হলে এক লুঙ্গি পরিহিত বয়স্ক মানুষকে হলে ঢুকতে দেয়নি হল দারোয়ানরা । আমার মনে হয়েছিল এ এক তীব্র কষাঘাত জাতির গালে । প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগারদের গোপন তথ্য চেয়ে আবেদন!

লিখেছেন কাল্পনিক_ভালোবাসা, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:২৯

একবার আইনশৃংখলা বাহিনীর জনৈক ব্যক্তি ব্লগ টিমের কাছে একজন নির্দিষ্ট ব্লগার সম্পর্কে তথ্য জানতে চেয়ে ফোন দিলেন। ব্লগ টিম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জানতে চাইলো - কেন উক্ত ব্লগারের তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভার্টিগো আর এ যুগের জেন্টস কাদম্বিনী

লিখেছেন জুন, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:১৩



গুরুত্বপুর্ন একটি নথিতে আমাদের দুজনারই নাম ধাম সব ভুল। তাদের কাছে আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্র ,পাসপোর্ট এর ফটোকপি, দলিল দস্তাবেজ থাকার পরও এই মারাত্মক ভুল কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×