somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ডঃ রুহুল আমিন চৌধুরী।
স্বাধিনতার শত সহস্র, লক্ষ কোটি “সুফল" - কিন্তু একটি মাত্র “কুফল” - দেশের নিতি নির্ধারণে অযোগ্য লোকেরা সব উচ্চাশনে - রাজনিতিতে ও প্রশাসনে - ফলে দেশটি যথাযথভাবে উন্নতিতে আগাতে পারছে না।তারপরেও যেটুকু এগিয়েছে, অধিকাংশ সাধারণের ব্যক্ত

ভাষা আন্দোলনের কিছু অজানা স্মৃতি –

১১ ই মার্চ, ২০২২ সকাল ৯:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভাষা আন্দোলনের কিছু অজানা স্মৃতি –
(ডক্টর মো. রুহুল আমিন চৌধুরী),

গবেষকদের মতে পৃথিবিতে ৬,৯১২ টি ভাষা রয়েছে - তারমধ্যে ৫১৬ টি ভাষা সংকটময় অবস্থায়- ব্যবহারকারির অভাবে অচিরেই হয়তো বিলুপ্ত হবে।
১৯৪৮ খৃ: ভাষা আন্দোলনের যে উন্মাতাল ঢেউ জেগেছিলো তার সেনাপতিত্বে ছিলেন টু্ঙ্গিপাড়ার ‘খোকা’- বড়ো হয়ে হলেন ‘শেখ মুজিব’ ও ‘শেখ সাহেব’ - তারপর হোলেন ‘বঙ্গবন্ধু’ – অবশেষে হোলেন ‘জাতির পিতা’।
১১ মার্চ ১৯৪৮ খৃ: শেখ মুজিব কারারুদ্ধ হন, সতির্থ আরো ৬০ ছাত্র নেতাসহ । ২০০ পিকেটার আহত হয় পুলিশের লাঠি চার্জে। ভাষা আন্দোলনের সেনাপতি শেখ মুজিব ১৯৪৮ খৃ: কারাগারে ছিলেন ০৪ মাস- ১৯৪৯ খৃ: কারাগারে ছিলেন ০৯ মাস - ১৯৫০ খৃ: কারাগারে ছিলেন ১২ মাস- ১৯৫১ খৃ: কারাগারে ছিলেন ১২ মাস- ১৯৫২ খৃ: কারাগারে ছিলেন ০২ মাস।

শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন যে বাঙলা ভাষাকে নিয়ে গভির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে নব সৃষ্ঠ পাকিস্তানের মুসলিমলিগ সরকার। বাঙলাকে তারা প্রাদেশিক ভাষার উপরে উঠতে দেবে না। শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক তার টোপ গিলেছিলেন। তিনি ‘অ্যাডভোকেট জেনারেল’ (অ্যাটর্নি জেনারেল) পদ বাগিয়ে নিয়েছিলেন । পূর্ব বাংলায় হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি অবঞ্ছিত ‍ও নির্বাসিত ছিলেন। জিন্নাহর মন পেতে তিনি ‘জিন্নাহ মুসলিম লিগ’ গঠন করেছিলেন ও ‘উর্দু রাষ্ট্র ভাষার সমর্থনে’ বিবৃতি দিয়েছিলেন।
রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিয়েছিলেন ‘আওয়ামি মুসলিম লিগের সাধারণ সম্পাদক’ জনাব শামসুল হক ও ‘রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদের আহ্বায়ক’ জনাব কাজি গোলাম মাহাবুব। তারা ১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে তুলকালাম করার ‘প্রবল বিরোধিতা’ করলেন। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনের নতুন কমিটির আহ্বায়ক হলেন ‘আব্দুল মতিন’ (ভাষা মতিন)।

১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) ভাষা আন্দোলনে যেসব যুবক সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারা হলেন – শেখ মুজিববুর রহমান, অলি আহাদ, মোহাম্মদ ইমাদুল্লাহ লালা, মোহাম্মদ সুলতান, আব্দুল মতিন (ভাষা মতিন), গাজিউল হক, এম. আর. আখতার মুকুল, মোস্তাফা নুরুল ইসলাম, কে. জি. মোস্তফা, আব্দুল্লাহ আল মুতি সরফুদ্দিন, রুহুল আমিন কায়সার, শহিদুল্লাহ কায়সার, জহির রায়হান, রণেশ দাশ গুপ্ত, আনিসুজ্জামান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, হাসান হাফিজুর রহমান, আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ, মুনির চৌধুরী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, কবি শামসুর রাহমান, মাহবুব উল আলম চৌধুরী, মুনির চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

১৯৪৮ খৃ: মার্চ মাসে যিনি আবিসংবাদিত নেতা রূপে আবির্ভুত হোয়েছিলেন সেই মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমান জেলে। তাহলে মন্ত্রদাতা কে ? গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি তুলেছিলেন সাংসদ ধিরেন্দ্র নাথ দত্ত। তিনি হেনস্তা হোয়েছেন মুসলিম লিগ সরকার কর্তৃক । প্রায় ৫৭ লাখ হিন্দু ৫০ এর দাঙ্গায় প্রাণ হাতে নিয়ে ভারতে উদ্বাস্তু শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশিক্ষণ পাওয়া ১০ হাজার কমিউনিস্ট জিবন বাঁচাতে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এমতাবস্থায় ১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) বিষ্ফোরণ ঘটলো কি করে ? প্রশ্ন থাকতেই পারে ১৯৭৫ থেকে ২০০৮ খৃ: পর্যন্ত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত নতুন প্রজন্মর। বদরুদ্দিন ওমর ভাষা আন্দোলন ও তৎকালিন রাজনিতি বইয়ে শেখ মুজিবকে আড়াল করেছেন সচেতন ভাবেই।

১৯৪৭ খৃ: দেশ ভাগের পরে ফরিদ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সহ সভাপতি (ভি. পি) নির্বাচিত হন প্রগতিশিল ছাত্র ফেডারেশনের সমর্থন নিয়ে এবং গোলাম আযম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শা্হ আজিজুর রহমান, ফজলুল কাদের চৌধুরী ও খান এ. সবুরের সমর্থিত মুসলিম ব্রাদারহুড ও বঙ্গিয় মুসলিম ছাত্র লিগের চরম দক্ষিণপন্থি অংশের সমর্থনে।

১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) বাঙলা ভাষার জন্যে ঢাকার রাজপথে জিবন দেয় একজন কিশোরসহ ৩৯ (উনচল্লিশ) ছাত্র জনতা । জন্ম হয় ‘শহিদ দিবস’। ০৭ টি লাশ পাওয়া যায়। অবশিষ্ট লাশ গুম করা হয় পাকিস্তানি পুলিশ ও মিলিটারি কর্তৃক।

১৯৬১ খৃ: ১৯ মে ভারতের আসাম রাজ্যের শিলচরে বাঙলা ভাষাকে সরকারি ভাষা করার দাবিতে জিবন দেয় ১১ জন। (০১) কমলা ভট্টাচার্য (০২) কানাই লাল নিয়োগি (০৩) সুনিল সরকার (০৪) সুকোমল পুরোকায়স্থ (০৫) কুমুদ রঞ্জন দাশ (০৬) চন্ডি চরণ সুতধর (০৭) তরণী দেবনাথ (০৮) হিতেশ বিশ্বাস (০৯) বিরেন্দ্র সুত্রধর (১০) সত্যেন্দ্র দেব (১১) শচিন্দ্র পাল ।

১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) পূর্ব পাকিস্তানের চিপ সেক্রেটারি ছিলেন পাঞ্জামি আই. সি. এস. অফিসার আজিজ আহমেদ- ভিষণ বাঙালি বিদ্বেসি ছিলেন। তিনিই ১৯৫২ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ) মিছিলে গুলি করার আদেশ দিয়েছিলেন।
১৯৫৩ খৃ: ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ দিবস পালিত হয়- বিশাল মৌণ মিছিলের মাধ্যমে। এই মৌণ মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানি ও শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৫৩ খৃ: ছিলো পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লিগের নুরুল আমিন সরকারে শাসনের শেষ বছর। পূর্ব পাকিস্তানের চিপ সেক্রেটারি ছিলেন পাঞ্জাবি আই. সি. এস. অফিসার এন. এম. খান (নিয়াজ মোহাম্মদ খান)। দীর্ঘ দিন তিনি পূর্ব পাকিস্তানে চাকুরি করায় তিনি প্রায় বাঙালি হয়ে গিয়েছিলেন। নুরুল আমিন সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ দিবস পালন করতে দেবেনা। প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারি করবেন। চিপ সেক্রেটারি এন. এম. খান (নিয়াজ মোহাম্মদ খান) ভাষা আন্দোলনের যুব নেতাদের কাছে প্রস্তাব দিলেন, একুশের শোক মিছিল যদি শান্তিপুর্ণ এবং মিছিলে কোনো শ্লোগান দেয়া না হয়, তবে ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ দিবস পালন করতে দেয়া হবে। গাজিউল হক বললেন, দরকার হোলে ১৪৪ ধারা ভাঙ্গতে হবে। মোহাম্মদ ইমাদুল্লাহ লালা বললেন, ‘আমাদের মিছিল মৌণ মিছিল হবে। মিছিল যতো বড়ো হোক তা যাতে মৌণ থাকে সে ব্যবস্থা আমি করবো’। ছাত্রদের নিয়ে কয়েকটি স্কোয়র্ড বা ব্রিগেড গঠন করে মিছিলের পাশাপাশি রাখা হবে। অলি আহাদের মধ্যে একটা নেতাজি সুলভ ভাব ছিলো। তিনি সেই শোক মিছিলে মিলিটারি কায়দায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করছিলেন। সে শোক মিছিল এতো বড়ো দীর্ঘ ছিলো যে, মেডিকেল কলেজ গেট (এখন যেখানে শহিদ মিনার) থেকে সদরঘাট পযর্ন্ত। কালো পতাকাবাহি এই মিছিলে কেউ শ্লোগান দেয়নি, ‘শাহিদ দিবস অমর হোক’, ‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’। কিংবা জেলখানা অতিক্রমের সময়, ‘রাজবন্দিদের মুক্তি চাই’। জেলখানার অভ্যন্তরে রাজবন্দিরা অবশ্য শ্লোগান দিয়েছিলো।

মহান ভাষা আন্দোলনের উত্তাল উদ্বোধন ঘটালেন, আইন ভেঙ্গে দ্রোহের অগ্নিপথে প্রথম পা বাড়ালেন শাড়ী পরা অবগুন্ঠনমুক্ত ১৪ বাঙালি নারী (০১) সাফিয়া খাতুন (০২) ফজিলাতুন্নেছা (০৩) ড. হালিমা খাতুন (০৪) প্রতিভা মুৎসুদ্দি (০৫) সুফিয়া আহমেদ (০৬) সুফিয়া ইব্রাহিম (০৭) মমতাজ বেগম (০৮) সোফিয়া খান (০৯) জুলেখা নুরী (১০) শামসুন্নাহার (১১) সারা তাইফুর (১২) বানী ভট্টাচার্য (১৩) ড. সুফিয়া খাতুন (১৪) রওশন আরা বাচ্চু । আরো যে সব নারী মহান ভাষা আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তারা হলেন, (১৫) ইডেন কলেজের ছাত্রী মাহবুবা খাতুন- ১৯৪৮ খৃ: ৩১ জানুয়ারি ঢকার বার লাইব্রেরিতে বলেছিলেন, ‘বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি স্বিকার করিয়ে নেয়ার জন্যে প্রয়োজন হলে মেয়েরা তাদের রক্ত বিসর্জন দেবে’। (১৬) বোরখা শামসুন (১৭) সুরাইয়া ডলি (১৮) সুরাইয়া হাকিম (১৯) নারায়নগঞ্জের মমতাজ বেগম এবং তার ছাত্রী (২০) ইলা বকশী, (২১) রেনু ধর ও (২২) শাবানীর মেতা কিশোরীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো। নারায়নগঞ্জের মমতাজ বেগমকে কারাবাসের সময় তালাক দিয়েছিলেন তার স্বামি। (২৩) সিলেটে কুলাউড়ার সালেহা বেগম ময়মনসিংহ মুসলিম গার্লস স্কুলের দশম শ্রেনির ছাত্রী থাকাকলিন ভাষা শহিদদের স্মরণে কালো পতাকা উড়ালে তাকে ০৩ বছরের জন্যে বহিষ্কার করা হয়। এর পরে আর তার পড়ালেখা চালানো সম্ভব হয়নি। ১৯৫২ খৃ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে। এদের মধ্যে ছিলেন (২৪) স্পিকার আব্দুল ওহাব খানের কন্যা বরিশালের বাবুগজ্ঞর মেয়ে সামসুন্নাহার এবং নলসিটির নন্দিকাঠি গ্রামের খান সাহেব বদরুদ্দিন আহমেদের কন্যা (২৫) সুফিয়া খান। বরিশালে ১৯৫২ খৃ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২৫ সদস্য বিশিষ্ট রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন (২৬) রানী ভট্টাচার্য । ১৪৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেফতার হওয়া ২১ জন ছাত্রীর মধ্যে ছিলেন (২৭) লায়লা নুর (২৮) রওশন আরা বেনু (২৯) ফরিদা বারী (৩০) জহররত আরা (৩১) কামরুন নাহার লাইলী (৩২) হোসনে আরা (৩৩) ফরিদা আনোয়ার (৩৪) তালেয়া রহমান প্রমুখ।

১৯৫৬ খৃ: ১৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বিকৃতি প্রদান করে ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান জাতিয় পরিষদ বাংলা এবং উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সংবিধানে পাশ করে। ০৩ মার্চ ১৯৫৬ খৃ: থেকে তা কার্যকর হয় ।

১৯৯৯ খৃ: ১৭ নভেম্বর ১৮৮ দেশের সরাসরি সমর্থনে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে হিসেবে গৃহিত ও স্বিকৃত হয়। সেই থেকে বাঙালির গর্বিত মুখের ভাষার একটা চিরস্থায়ি বন্দোবস্তো হয় বিশ্বমানচিত্রে। যদিও খোদ বাংলাদেশে আজো বাঙলা ভাষার ব্যবহার ও চর্চা নিয়ে চলছে নানা টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র চলছে। (যেমন উচ্চ আদালতের বাঙালি বিচারপতিগণ বাঙলায় রায় লিখতে পারেন না)।

ভাষা আন্দোলনের বির শহিদদের প্রতি যেমন সালাম জানাই- তেমনি বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা জানাই- সেইসব বিস্মৃতিময় নায়কদের প্রতি- যাদের লড়াকু ভুমিকা ছাড়া ভাষা আন্দোলন সফল হোতো না- আর ভাষা আন্দোলন সফল না হোলে বাংলাদেশও স্বাধিন হোতো না – সে অর্থে এরাও বাংলাদেশের স্থাপতি – বিস্মৃতি থেকে এদরকে তুলে আনা জাতির সকল নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য ।

(কৃতজ্ঞতা : আবদুল গাফফার চৌধুরী, শামসুল আরেফিন খান, কবির আনোয়ার, এফ. এম. শাহিন, ভায়োলেট হালদার)

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০২২ সকাল ৯:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কৈফিয়ত

লিখেছেন জটিল ভাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:০০


(ছবি নেট হতে)

আউযুবিল্লাহিমিনাশশাইত্বোয়ানিররাজিম।
বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম।
আসসালামুআলাইকুম।

উপরের মত করে সূচনা যাদের নিকটে বিরক্তিকর মনে হয়, তাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করে বলছি,

এভাবে শুরু করার ফলে আমার বিভিন্ন সুবিধা হয়ে থাকে। যেমন ঐ অংশটা লিখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবনঃ কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।

লিখেছেন জাদিদ, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:১৪

১।
মেয়েকে রুমে একা রেখে বাথরুমে গিয়েছিলাম। দুই মিনিট পরে বের হতে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে লক। পিলে চমকে উঠে খেয়াল করলাম পকেটে তো মোবাইলও নাই। আমি গেট নক... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্নরচিত গল্পনাটক

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:৪৪

গত কয়েকদিন ইউটিউবে প্রচুর নাটক দেখেছি। বেশিরভাগই কমেডি ড্রামা, অল্প কিছু ছিল সামাজিক নাটক। নাটক দেখার পর মন জুড়ে আনন্দের রেশ জেগে থাকতো। সেই রেশ এভাবে স্বপ্নেও স্থান করে নিবে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেঘের অক্ষর, ইতিউতি এবং অন্যান্য

লিখেছেন জুনায়েদ বি রাহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ ভোর ৪:৩৫

'ইতিউতি'


সন্ধ্যাতারা কলি মেলেছে মোহনকান্দার আকাশে
বাতাসে লকডাউনের ভাপসা গন্ধ আর নিশিতা বড়ুয়ার বিরহী সঙ্গীত-

'বন্ধু তোমায় মনে পড়ে, বন্ধু তোমায় মনে পড়ে....'

রুমমেট ডুবে আছে বিরহী রোমান্টিসিজমে।

আমি পাঠ করছি অতন্দ্রিতার সংসারকাব্য- মেঘের স্মৃতিকথা...
করোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোটিপতি এবং বাংলাদেশীদের সুইস ব্যাংকের হিসাব।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:১৮



স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬... ...বাকিটুকু পড়ুন

×