somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Narrative warfare এর যুগে আপনাকে স্বাগতম

০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২০২৫ সালের মে মাসে যখন ভারত পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল, তখন দিল্লির একটি প্রেস কনফারেন্স রুমে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুজন নারী সামরিক কর্মকর্তা। একজন হিন্দু, একজন মুসলিম। ক্যামেরার সামনে তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে ভারতের সামরিক অভিযানের ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। সেই মুহূর্তে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যা দেখল, তা কেবল একটি প্রেস ব্রিফিং ছিল না। সেটা ছিল একটি সাজানো বার্তা - ইসলামের বিরুদ্ধে নয়, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। এবং সেই বার্তাটি কোনো বোমার চেয়ে কম শক্তিশালী ছিল না।

এই কৌশলটা নতুন নয়। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি এমন এক মাত্রায় পৌঁছেছে যে আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না কখন আমরা একটি তথ্যের ভোক্তা, আর কখন আমরা একটি narrative-এর শিকার। ইসরায়েলের লেফটেন্যান্ট কর্নেল এল্লা ওয়াউইয়া যখন আরবিতে কথা বলেন, যখন গাজার ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে একজন মুসলিম নারী IDF-এর পক্ষে কথা বলেন - তখন আরব বিশ্বের একটা অংশ থমকে যায়। প্রশ্ন জাগে। দ্বিধা তৈরি হয়। এবং সেই দ্বিধাটুকুই যথেষ্ট।

যুদ্ধের ইতিহাস জুড়ে মানুষ সবসময় অস্ত্র বানিয়েছে। তলোয়ার থেকে পারমাণবিক বোমা - প্রতিটি যুগে অস্ত্র বদলেছে। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষ থেকে একটা নতুন অস্ত্র তৈরি হয়েছে যার কোনো শব্দ নেই, কোনো ধোঁয়া নেই, কিন্তু ক্ষতির গভীরতা অনেক সময় বোমার চেয়েও বেশি। এই অস্ত্রের নাম narrative। গল্প। যে গল্পটা তুমি মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারবে, সে যুদ্ধ তুমি জিতে যাবে — মাঠে হারলেও।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা যখন জাপানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল, তখন তারা একটা সমস্যায় পড়ল। দেশের ভেতরে লক্ষাধিক জাপানি-আমেরিকান নাগরিক। তাদের বিশ্বস্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। কিন্তু একই সঙ্গে সরকার বুঝল এই মানুষগুলোকে যদি সামনে রাখা যায়, তাহলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার গণতান্ত্রিক ইমেজ রক্ষা পাবে। ৪৪২তম রেজিমেন্ট পুরোটাই জাপানি-আমেরিকান সৈনিকদের নিয়ে ইউরোপে যুদ্ধ করল এবং ইতিহাসের সবচেয়ে সজ্জিত আমেরিকান রেজিমেন্ট হিসেবে পরিচিত হলো। তাদের সাহস প্রশ্নাতীত ছিল। কিন্তু সরকার সেই সাহসকে একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করেছিল।

এখানেই একটা জটিল সত্য লুকিয়ে আছে। এল্লা ওয়াউইয়া বা কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এরা কেউ কাল্পনিক চরিত্র নন। তারা বাস্তব মানুষ, যারা নিজেদের বিশ্বাস থেকে কাজ করছেন। তাদের ক্যারিয়ার, তাদের পরিশ্রম, তাদের পরিচয় সবটাই সত্যি। কিন্তু একটি রাষ্ট্র বা সামরিক বাহিনী যখন তাদের একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তে, একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সামনে আনে তখন সেই সত্যিকার মানুষটি একটি symbol হয়ে যান। এবং সেই symbolism-কে ব্যবহার করাই হলো narrative warfare-এর সবচেয়ে পরিশীলিত রূপ।

রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করার পর রামজান কাদিরভকে সামনে আনল। চেচেন মুসলিম যোদ্ধারা রাশিয়ার হয়ে লড়ছে এই ছবিটা তৈরি করা হলো। বার্তাটা স্পষ্ট ছিল: এটা খ্রিষ্টানদের যুদ্ধ নয়, এটা সভ্যতার যুদ্ধ। কাদিরভ নিজে একটি চরিত্র হয়ে গেলেন তার নিজের ইচ্ছা, তার নিজের রাজনীতি থাকলেও বৃহত্তর মঞ্চে তিনি একটি নির্দিষ্ট বার্তার বাহন।

আমেরিকা আফগানিস্তান ও ইরাকে যুদ্ধের সময় আরব-আমেরিকান এবং মুসলিম সৈনিকদের মিডিয়ায় তুলে ধরল। "War on Terror" যেন "War on Islam" না হয়ে যায় — এই ভয় ছিল। কারণ সেরকম হলে পুরো মুসলিম বিশ্ব একাট্টা হয়ে যেত, এবং আমেরিকার কূটনৈতিক শক্তি কমে যেত। তাই মুসলিম সৈনিককে সামনে রাখো, দেখাও যে আমরা একসাথে লড়ছি একটি আদর্শের বিরুদ্ধে, একটি ধর্মের বিরুদ্ধে নয়।

কিন্তু এই কৌশলটি কেবল পশ্চিমা বা ইসরায়েলি একচেটিয়া নয়। Taliban পাকিস্তানি পশতুন এবং বালুচ সম্প্রদায়ের মধ্যে তাদের বার্তা ছড়িয়ে দেয়, সেই সম্প্রদায়ের মানুষদের মুখ দিয়ে। ISIS যখন সারা বিশ্ব থেকে যোদ্ধা রিক্রুট করত, তখন বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন ভাষার মানুষকে দিয়ে ভিডিও বানাত। বার্তাটা ছিল: এই আন্দোলন তোমার-আমার, সবার। এটা কোনো একটি জাতির বা গোষ্ঠীর সীমানায় আটকে নেই।

তাহলে প্রশ্ন হলো এই কৌশলটি কেন এত কার্যকর? কেন একজন মুসলিম নারী যখন ইসরায়েলি সেনার ইউনিফর্ম পরে কথা বলেন, তখন সেটা একটা সাধারণ প্রেস ব্রিফিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব ফেলে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে মানুষের মস্তিষ্কের গভীরে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, আমরা তাদের কথা বেশি বিশ্বাস করি যাদের আমরা নিজেদের মতো মনে করি। যখন দেখি কেউ আমার পরিচয়ের অংশ বহন করছে — আমার ভাষা, আমার ধর্ম, আমার সংস্কৃতি — তখন তার বার্তাটা আমার কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য লাগে। এটাকে বলে in-group credibility। এবং এই মনস্তাত্ত্বিক সত্যটাকেই রাষ্ট্রগুলো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

সোশ্যাল মিডিয়া এই পুরো খেলাটাকে একটা নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। এল্লা ওয়াউইয়ার একটি TikTok ভিডিও মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছে যায় মিনিটের মধ্যে। কোনো সম্পাদকীয় ফিল্টার নেই, কোনো জার্নালিস্টের প্রশ্ন নেই — সরাসরি তার মুখ থেকে লক্ষ মানুষের হৃদয়ে। এই direct-to-audience পৌঁছানোর ক্ষমতাটা আগে কোনো সরকারের ছিল না। আগে তোমাকে পত্রিকার মাধ্যমে যেতে হতো, রেডিওর মাধ্যমে যেতে হতো। এখন একটা স্মার্টফোন আর একটা চরিত্র দিয়ে তুমি সরাসরি কোটি মানুষের মনে ঢুকে যেতে পারো।

এই বিষয়টা বুঝলে গাজা যুদ্ধের মিডিয়া কভারেজের অনেক কিছু আলাদাভাবে দেখা যায়। কেন IDF নিজে ভিডিও বানিয়ে release করে? কেন তারা আরবিতে কথা বলা একজন মুসলিম নারীকে মুখপাত্র হিসেবে রাখে? কারণ তারা জানে — তারা শুধু গাজায় যুদ্ধ করছে না, তারা একই সাথে ১.৮ বিলিয়ন মুসলিমের মনের যুদ্ধও লড়ছে। এবং সেই যুদ্ধে আমরা মুসলিম-বিরোধী নই বার্তাটা রাখতে হবে। একজন মুসলিম মুখপাত্র সেই বার্তাটা একশো গুণ বেশি কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে পারেন একজন ইহুদি কর্মকর্তার চেয়ে।

কিন্তু এখানে একটা গভীর নৈতিক প্রশ্ন আছে যেটা আমরা সবাই এড়িয়ে যাই। যে মানুষটিকে এই কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তার নিজের agency কতটুকু? এল্লা কি স্বেচ্ছায় এই পথ বেছে নিয়েছেন, নাকি তিনি একটি বৃহত্তর কাঠামোর অংশ হয়ে গেছেন নিজেও না বুঝে? এই প্রশ্নের কোনো সহজ উত্তর নেই। সম্ভবত দুটোই সত্যি। তিনি নিজের বিশ্বাস থেকে কাজ করছেন, এবং একই সঙ্গে একটি রাষ্ট্র তার পরিচয়কে একটি strategic asset হিসেবে ব্যবহার করছে।

ভারতের Operation Sindoor-এর প্রেস কনফারেন্সে ফিরে আসি। সেই মুহূর্তে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি কি জানতেন তিনি শুধু তথ্য দিচ্ছেন না, তিনি একটি বার্তাও বহন করছেন? সম্ভবত হ্যাঁ। একজন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা এই রাজনীতি বোঝেন। কিন্তু তিনি কি সেটাকে ভুল মনে করেন? এখানেই বিষয়টা আরও জটিল হয়ে যায়। কারণ যদি সত্যিই ভারত একটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে থাকে, এবং যদি সোফিয়া সত্যিই বিশ্বাস করেন সেটা সঠিক তাহলে তার উপস্থিতি কি manipulation, নাকি representation?

এই দ্বৈততাটাই narrative warfare-এর সবচেয়ে মারাত্মক দিক। এটা মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে থাকে না। এটা সত্যের একটি বিশেষ অংশকে, একটি বিশেষ কোণ থেকে দেখায়। একটি ছবির মধ্যে কোথায় আলো ফেলবে, কোথায় অন্ধকার রাখবে এই পছন্দটাই ছবির অর্থ বদলে দেয়। একজন মুসলিম নারী অফিসারের উপস্থিতি সত্যি। তার ক্যারিয়ার সত্যি। কিন্তু তাকে ঠিক এই মুহূর্তে, ঠিক এই ফ্রেমে রাখাটা একটি সচেতন পছন্দ। এবং সেই পছন্দটা আর নিরীহ থাকে না সেটা হয়ে যায় কৌশল।

ইতিহাস বলে, যে পক্ষ narrative জেতে, সে প্রায়শই যুদ্ধও জেতে। ভিয়েতনামে আমেরিকা সামরিকভাবে হারেনি তারা narrative-এ হেরেছিল। টেলিভিশনে যুদ্ধের বীভৎসতা ঘরে ঘরে ঢুকে পড়ল, দেশের মানুষ বিদ্রোহ করল, এবং সরকার পিছু হটতে বাধ্য হলো। অন্যদিকে ফকল্যান্ড যুদ্ধে মার্গারেট থ্যাচার মিডিয়াকে এতটাই নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন যে ব্রিটিশ জনমত কখনো বিচলিত হয়নি এবং যুদ্ধ জয় রাজনৈতিকভাবে তার অবস্থানকে অপ্রতিরোধ্য করে দিয়েছিল।

তাহলে আমরা, যারা এই সব দেখছি - আমাদের কী করণীয়? প্রথম কাজ হলো বুঝতে পারা যে কোনো বার্তাই নিরীহ নয়। কে বলছে, কখন বলছে, কোথায় বলছে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলছে — এই প্রশ্নগুলো করতে হবে। একটি মুসলিম মুখপাত্রের উপস্থিতি মানেই ন্যায়সঙ্গততার প্রমাণ নয়। একইভাবে, তার অনুপস্থিতি মানেই অন্যায়ের প্রমাণ নয়। মানুষকে symbol হিসেবে ব্যবহার করার পেছনে কী উদ্দেশ্য সেটা খুঁজতে হবে।

দ্বিতীয় কাজ হলো মনে রাখা যে সত্যিকার মানুষেরা symbol নন। এল্লা ওয়াউইয়া একজন জীবন্ত মানুষ, যার নিজস্ব দ্বন্দ্ব আছে, নিজস্ব বিশ্বাস আছে। কর্নেল সোফিয়া কুরেশির নিজের একটি গল্প আছে। তাদের পরিচয়কে শুধু একটি কৌশলের অংশ হিসেবে দেখাটাও আরেকটি সরলীকরণ। পাশাপাশি যারা তাদের সমালোচনা করেন "বিশ্বাসঘাতক" বলেন তারাও একটা narrative তৈরি করছেনএবং সেই narrative-ও ঠিক ততটাই রাজনৈতিক।

সবশেষে, এই পুরো আলোচনার কেন্দ্রে একটাই সত্য - আধুনিক যুদ্ধ কেবল মাঠে হয় না। সে যুদ্ধ হয় আপনার স্ক্রিনে, আপনার ফিডে, আপনার মাথার ভেতরে। এবং সেই যুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলো একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, যাকে আপনি নিজের মতো ভাবেন, কিন্তু যার মুখ দিয়ে অন্য কেউ কথা বলছে। পরের বার যখন কোনো সামরিক মুখপাত্রকে দেখবেন তার পরিচয়ের দিকে মনোযোগ দিন। কারণ সেই পরিচয়টাই হয়তো সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৬
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান নিজে কি পেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৫


ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে একটা প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে — রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান আসলে কী পেল? ইরানের Shahed-136 ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি... ...বাকিটুকু পড়ুন

"মেলা সুন্দর হতো আমাদের শৈশবে, যখন বই ছিল স্বপ্নের প্রতিশব্দ" ~ বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া আমার সাক্ষাৎকার

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৮



প্রশ্ন: মেলায় আপনার নতুন কী বই প্রকাশিত হচ্ছে?

সাজিদ উল হক আবিরঃ গত বছরখানেক ধরে দুটো বইয়ের কাজ করছিলাম। একটা আমার দ্বিতীয় উপন্যাস, সরীসৃপতন্ত্র; দ্বিতীয়টি, মিলান কুণ্ডেরার উপন্যাস দা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল্লাদ খামেনি বাঙ্গুদের কাছে হিরো

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২



বাঙ্গুদের কাছে খামেনি হিরো কারণ সে ইউএসের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিল। কিন্তু বাঙ্গুরা কখনোই জানবেনা এই খামেনির ইরান ২০০৩ সালে তাদের এয়ারস্পেস আমেরিকার জন্য খুলে দেয় যাতে সাদ্দামের বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধ বিরোধী কবিতা: তোমরা বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো

লিখেছেন অর্ক, ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪২



আর আমি ভীষণ দুঃখ পেলাম দেখে
দল বেধে বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো
কুয়াশাচ্ছন্ন বরফসাদা হিম রাত শীতের
তোমরা বিরাটকার কালো আলখাল্লা পরা
উলের ভারি দস্তানা ও মুজো হাতে পা’য়ে;
পাশবিক উল্লাসে শীর্ণকায় শিশু বিড়ালটিকে
কামড়ে আঁচড়েহাঁচড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি সরকার মেয়াদ পূর্ন করতে পারবে কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৩



এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়।
বিএনপির অতীত ইতিহাস মোটেও ভালো না। এরা যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন শুধু দূর্নীতি করেছে। দেশের উন্নয়ন হয়নি। গত ১৭ বছর আওয়ামিলীগ বিএনপিকে কোনঠাসা করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×