somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়ের স্পন্দন (পর্ব ১১-১২)

২৯ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সময়ের স্পন্দন (পর্ব ৯-১০)

নভেম্বরের শেষের দিক। শীতটা এখনো জাঁকিয়ে বসেনি, তবে আসি আসি করছে। সকালবেলা খানিকটা ঠান্ডা ঠান্ডা আমেজ থাকে পরিবেশে। এ আবহাওয়াটা মোটামুটি ভালোই। গরমের তীব্রতাও নেই, শীতেরও বাড়াবাড়ি নেই। সবকিছু একটা মডারেট অবস্থানে। তবে কিছুদিন পরই শীত পুরোদমে যে শুরু হয়ে যাবে, তার একটা অগ্রিম বার্তা যেন বাতাসে আগেই ভেসে আসে। তখন আকাশ থাকবে কুয়াশায় ঘেরা, ঘাস থাকবে শিশিরে ভেজা। গাছি রস কেটে আনবে খেজুর গাছের কাঁটা এড়িয়ে। ছয় ঋতুর মধ্যে অন্যতম ঋতু একটা, যখন প্রকৃতি একদম ভিন্নভাবে সাজে।

বোর্ড পরীক্ষা শেষ শৈলীদের। এখন দেড় মাস অপেক্ষা রেজাল্টের জন্য। এই দেড়টা মাস কেবল শুয়ে বসে কাটানো। কোথাও বেড়াতে যাবে সে ভাগ্য বা সাহস নিয়ে জন্ম হয়নি শৈলীর। এই ছুটিতে মুনা ওদের বাড়িতে গিয়েছে কিছুদিনের জন্য মা আর বোনকে নিয়ে। মিরন সাহেব দেশের বাইরে ট্রেনিং এর জন্য, পনের দিনের ট্যুর। এই পুরোটা সময় মুনারা ওদের বাড়িতেই থাকবে, রূপপুরে আসবে না। সমাপ্তি বড়বোনের বাড়িতে চলে গিয়েছে পরীক্ষা যেদিন শেষ হয়েছে, তার পরদিন সকালেই। লিরাকে ফোন দিয়ে শৈলী পায়নি, ও ফুপুবাড়িতে ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর রজত ছেলে মানুষ! ওর মজা সবচেয়ে বেশি! দুই দিন মামা বাড়ি তো তিন দিন পিসি বাড়ি।

শুধু শৈলীই মুখের সামনে সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ বইটা ধরে ঝিমোচ্ছে সারা দিন-রাত। কখনো সারারাত কাবার করে দিচ্ছে দুই খন্ডের বইটার পাতা উল্টিয়ে। দীপাবলীর জীবনের গল্প পড়তে পড়তে শৈলী কাহিনিতে ডুবে যায়। তখন আর সময়জ্ঞান থাকে না। কেবল তন্ময় হয়ে গিলে একটা প্রতিবাদী, সাহসী, শক্ত মনের মেয়ের জীবন। প্রতিবাদী! সাহসী! শক্ত মন! চুলগুলো খাটের ওপাশে এলিয়ে দিয়ে বইটা বুকের উপর উপুর করে রেখে শৈলী ভাবে, প্রথম দুটোর কি দরকার! কোনো দরকার তো নেই! শুধু… ও যদি শক্ত মনটা একবার গড়তে পারত!

নিজের মনের দুর্বলতার কথা সবসময়ই আনাগোনা করে মনের ভেতর। তাই ভেতরে ভেতরে একটা চাপ অনুভব করে প্রতিক্ষণ। এই চাপটাকে ভুলে থাকার জন্যই শৈলী নিজেকে ব্যস্ত রাখে সমরেশ-কালকূট-বুদ্ধদেবকে নিয়ে। কিন্তু আজকাল দীপাবলীর চরিত্র যেন ওকে প্রতিটি পাতায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, আমি যদি সিঁথির সিঁদুর, হাতের নোয়া খুলে রেখে এতদূর আসতে পারি, নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারি, তাহলে তুই কেন পারবি না? তুই কি আমার চেয়েও বেশি কিছু হারিয়েছিস? সমাজের কাছে কুমারিত্ব বিসর্জন দিয়েছিস কিংবা সাদা কাপড়ে বিধবা সেজেছিস? তাহলে?

শৈলীর মনের ভেতর সত্যি ভীষণ কষ্ট হয় আবারো। কেমন একটা চাপ অনুভব করে। চিৎকার করে কাঁদতে বলে ওকে ওর মন। কিন্তু ও পারে না। নিরবে অশ্রু বিসর্জন দেয়।

কেন ও তমাল স্যারের প্রতি এতটা দুর্বল হয়ে পড়লো? ও তো জানতো এটা কখনো সম্ভব না! তাও কেন এত ভালোবাসল?

শৈলীর মনে পড়ে, ওর মা ওকে খুব বুঝিয়েছিল- এ বয়সটা এমনই। চোখে রঙিন চশমা থাকে। যা দেখে তাই মনে হয় রঙিন। মরীচিকাকেও সত্য বলে ভ্রম হয়। একটা সময় পর আবার সব ঠিক হয়ে যায়।

একটা সময় পর ঠিক হয়ে যায়, সত্যি কি আদৌ ঠিক হয়? শৈলী মানতে পারে না কথাটা। তমাল স্যার বিয়ে করেছেন চার মাস হয়ে গেল। স্যারের ঘরে কি সুন্দর টুকটুকে বউ! কই? এতকিছু জেনেও তো শৈলী মনের দূরত্বটা সৃষ্টি করতে পারেনি? বরং প্রতিটি মুহুর্তে ওর কষ্ট যেন দ্বিগুণ হারে বেড়ে যাচ্ছে। আচ্ছা, ও কি পাগল হয়ে যাচ্ছে? নাকি ও খারাপ হয়ে যাচ্ছে?
শৈলীর প্রকৃত অর্থে ভয় হয়, ও বোধ হয় একটা খারাপ মেয়েই! নয়তো এমন জঘন্য কাজ ও করতে পারে? যে কাজের কথা কাউকে বলা যায় না, এমনকি নিজের কাছের বন্ধুদেরও না! সবার থেকে সযত্নে আড়াল করে রাখতে হয়!

শৈলী ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যায়। ওর মনে হয়, ও এমন কাউকে পেত যাকে মন খুলে সব বলতে পারত, যার বুকের মধ্যে মুখটা গুঁজে ইচ্ছেমতো কাঁদতে পারত! কিন্তু ওকে বা ওর সম্পর্কে পেছনে কারো কাছে একটা নেগেটিভ কথাও বলতো না! কিন্তু নাহ! শৈলী এমনই পাপ করেছে যে ওকে সহানুভূতি দেখানোর জন্য একজন লোকও এ পৃথিবীতে জন্মায়নি। ওর পাশে বসে ওর হাত ধরে ‘আমি তো আছি তোর সাথে’ এটা বলারও কেউ নেই।

হঠাৎ শৈলীর মুনার কথা হয়। মুনা প্রতি মাসে স্কুলে একটা ম্যাগাজিন নিয়ে আসতো, ক্লাসের ফাঁকে-টিফিনের সময় পড়তো। শৈলী ওর থেকে নিয়ে পড়েছে বেশ কয়েকবার। কি যেন নাম! ও হ্যাঁ, কিআ! মানে কিশোর আলো! এই কিশোর আলোতেই শৈলী মনোভুবন বিভাগটা পড়েছিল। কত কিশোর-কিশোরী তাদের সমস্যার কথা লিখে পাঠায় এখানে! কেউ কেউ ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ দিয়েও চিঠি পাঠায়। কয়েকজন মনের ডাক্তার তাদের চিঠি পড়ে পরামর্শ দেন। আচ্ছা, শৈলী কি একবার মনোভুবনে ওর মনের কথা লিখে পাঠাবে? কিন্তু ওর তো মেইল আইডি নেই। ডাক বরাবর পাঠাতে গেলেও বিপত্তি, মা জেনে যাবেন। তবে? শৈলী কি উড়ো চিঠিতেও লিখতে পারবে না ওর মনের কথা? এত বড় ওর পাপের শাস্তি??

শৈলী বালিশে মুখ ডুবিয়ে দেয়। ইচ্ছেমতো কাঁদতে শুরু করে, দম বন্ধ রেখে। কিন্তু পারে না। পাশের ঘর থেকে মা ছুটে আসেন। শৈলী তড়িঘড়ি করে চোখ মুছে স্বাভাবিক হয়।

- কি হয়েছে মা? তুই কাঁদছিস কেন?
- কই মা? কাঁদছি না তো!
- তাহলে এভাবে শুয়ে আছিস যে?
- পেটটা ব্যথা করছে খুব।
- ওহ, আচ্ছা! তুই তাহলে একটু শুয়ে থাক, আমি দেখি তোর জন্য কিছু খাবার বানিয়ে আনি।

আসমা শৈলীর মাথায় হাত বুলিয়ে চলে যায়। শৈলী ভেজা পাতার চোখের সামনে দু’খন্ডের দীপাবলী-কাহিনি ‘সাতকাহন’ তুলে ধরে। ঘরের বাইরের জগৎটা যার সংকীর্ণ, তাকে এই বইয়ের পাতাতেই নতুন জগৎ খুঁজে নিতে হয়।

১২

এক সপ্তাহ হল সুমনা দুই মেয়ে নিয়ে রাজশাহী এসেছে। মিরন ইন্ডিয়ায় গিয়েছে। তাই পরদেশে মেয়ে দু’টোকে নিয়ে একা পড়ে না থেকে একটু বাড়িতে এসে ছুটি কাটিয়ে যাওয়াই ভালো মনে হয়েছিল সুমনার। অনেক দিন আসা হয় না। বাড়িতে বাসিন্দা না থাকলে সে বাড়ি বাড়ি থাকে? জঙ্গলে রূপ নেয়। আসার পর থেকে তিনদিন অবধি শুধু একা হাতে সব গোছগাছ করতেই সময় কেটে গিয়েছে। সূর্যের অস্ত যাওয়া- বাইরের শীতল শীতল হাওয়া কিছুই বোঝার উপায় ছিল না কাজের চাপে। সব কাজ সেরে জঙ্গলকে বাড়িতে পরিণত করে তবে সুমনা একটু স্বস্তি পাবে, এমন সময় মুনটা হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মিরন দেশে নেই। এমন সময় মেয়ের এমন অসুস্থতা সামলাতে আরো একটু ঝক্কি পোহাতে হয় তার। মুনের ডাক্তারের সাথে ফোনে কনসাল্ট করে কোনোভাবে ম্যানেজ করে নেয় সে ব্যাপারটা। তাছাড়া মুনা তো আছেই সাথে। তাই আর মিরন ফোন দিলে মুনের ফের অসুস্থ হয়ে পড়াটাকে আলোচনায় আনে না সে। শুধু শুধু মানুষটা টেনশন করবে!

মুনার বয়স যখন সাত পেরিয়ে আটে পড়েছে, তখনই হঠাৎ পুনরায় সুসংবাদ পায় মিরন আর সুমনা। খুশিও হয় দু’জনে। সুমনার মনে পড়ে সেই বিশেষ দিনটার কথা। মিরন ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলেছিল, আমার কিন্তু এবারো একটা পরী চাই। সুমনা শক্ত করে জাপটে ধরেছিল মিরনের বাহু। তাদের স্বপ্নের সংসার স্বপ্নের মতোই একটু একটু করে সেজে উঠছে।

মুনা জন্ম নিয়েছিল মধ্যবিত্তের সংসারে, বড় হতে হতে চোখের সামনে নিজেদের অবস্থানের পরিবর্তন দেখেছে সে। কিন্তু মুন জন্ম নেয় রাজকন্যা হয়ে রাজার ঘরেতেই। তখনই সবে মিরন প্রমোশন পেয়ে এসিল্যান্ড পদে যোগ দিয়েছে। মোটামুটি অভাব শব্দটা জানারও প্রয়োজন হবে না মুনের, এই ভেবেছিল ওরা দুজন। কিন্তু পৃথিবীতে টাকার সুখ তো আর সবচেয়ে বড় না! এর চেয়েও বড় সুখ অতীব প্রয়োজনীয় এই জগতে। আর এই সুখটা জীবমাত্রই থাকা চাই, সে ছোটই হোক আর বড়- এই সুখটা হলো শরীরের সুখ, সুস্থতার সুখ।


জ্ঞান ফেরার পরে সুমনা যখন শুনতে পেয়েছিল মেয়ে হয়েছে, তখন ভীষণ খুশি হয়েছিল। কিন্তু তার খুশিতে ভরা মুখ মলিন হয়ে উঠেছিল, যখন জানতে পেরেছে, মুনার হার্টে ছোট্ট একটা ছিদ্র! আমার মেয়েটা কি তবে বাঁচবে না? আমার কাছে থাকবে না আমার মৃত্যু অবধি? কান্নাজড়ানো কন্ঠে সুমনা মিরনকে বলেছিল। নিজেকে শক্ত রেখে সুমনাকেও স্বান্ত্বনা দিতে হয়েছিল মিরনের। এই এত বড় একটা দায়িত্ব বোধ হয় বেশিরভাগ সময় পুরুষদেরই নিতে হয়, নিজের কষ্টটাকে চেপে অন্যকে কষ্ট ভুলতে সাহায্য করা।

সময়ের সাথে সাথে খাপখাইয়ে নিয়েছিল ওরা। দুই বছর আগে দেশের বাইরে গিয়ে মেয়ের চিকিৎসাও করিয়ে এনেছে। কিন্তু জোড়াতালি দেওয়া হৃদয় কি কখনো স্বাভাবিক হৃদয় হয়? হতে পারে? এই ভাবনা সুমনাকে আচ্ছন্ন করে রাখে সারাক্ষণ। তাই সময়ের আগুনে দগ্ধ হয়ে নিজেকে শক্ত করে নেয়, নেওয়ার চেষ্টা করে।

নিজের রুমের সাথে লাগোয়া বারান্দাটায় দাঁড়িয়ে এতক্ষণ এসব আবোল তাবোল কথাই মাথায় আসছিল তার। হঠাৎ মুনার কন্ঠ শুনে পেছনে ফিরে তাকায়-
- মা, এবার তো এসে একদিনও বের হইনি। সিমিকে ফোন দিয়ে বলি বাসায় আসতে? দু’জনে একটু ঘুরে আসি?
- আচ্ছা, বল। তবে তাড়াতাড়ি আসতে বল। বলিস যে আমি বলেছি, ও দুপুরে যেন এখানে খায়। খাওয়া-দাওয়ার পরে দু’জনে গিয়ে একসাথে ঘুরে আসিস।




মুনা ল্যান্ডফোন নামিয়ে রাখে। ইশ! কতদিন পরে সিমির সাথে দেখা হবে! কত কথা জমে আছে ওকে বলার জন্য! আনন্দে ভরে যায় মুনার মন। রূপপুর ছেড়ে আসার দিন থেকেই ওর মনটা ভার হয়েছিল! রাফি যে শহরে আছে, সে শহর ছেড়ে এতদিনের জন্য ও চলে আসছে। ওদের মাঝের দূরত্বটা যে শতশত মাইল বেড়ে গেল! আর তখনই ওর একটা কথা মনে হয়েছিল আচমকা, ওদের মধ্যে অদৃশ্য যে দূরত্বটা সেটাই কি নেহায়েত কম? মুনা জানে, সত্যিকার অর্থে বাবা-মায়ের একমাত্র আশা-ভরসা ও নিজেই। মুনের শরীরের যে অবস্থা, ও সবার স্বপ্নের মাঝে থেকেও নাই হয়ে আছে। আর এটাই রূঢ় বাস্তবতা। তাই বাবা-মায়ের সব স্বপ্নের কেন্দ্রে যে, তার স্বপ্নটা কি তারা মেনে নেবেন কোনোদিন? বাস্তবে রূপায়ন করতে সাহায্য করবেন? এই কথা ভাবনায় আসতেই মুনা নিজেই নিজের মনকে শাসায়, কেন নেবে না কেন? আমার রাফি এমন কি খারাপ? আমি জানি, ও চেষ্টা করলে আমার বাবাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারবে। তখন বাবা তার মেয়েকে এমন রাজপুত্রের হাতে তুলে দিতে নিশ্চয়ই দ্বিধা করবেন না! এই ভাবনাটা শেষ হতে না হতেই আরেকটি ভাবনা এসে একে ধাক্কা দেয়, আচ্ছা, রাফি নিজেই মেনে নেবে তো ব্যাপারটা!

সিমি এলে অনেকক্ষণ ওর পাশে বসে থেকে ও কথা বলতে পারবে। রাফি আর দূরত্বের সাথে জড়ানো এই দুঃখটাও ভুলে থাকতে পারবে। মনে হবে না, কি যেন নেই! কি যেন নেই! তাই একটুখানি সুখের আশায় ও আনন্দেই মাতার চেষ্টা করে।

সময়ের স্পন্দন (পর্ব-১৩-১৪)

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৬
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাঁচপোকা লাল টিপ অথবা ইচ্ছেপদ্ম...

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:২৯



‘হৃদয়ে ক্ষত- তা তোমার কারণেই
তাই, তুমিই সেলাই করে দেবে-
বিনা মজুরিতে।
কিছু নেই এমন যা দিতে পারি তোমাকে;
ঠান্ডা মাথায় দেখেছি অনেক ভেবে!
যদি নাও দাও তবে থাকুক এ ক্ষত
এ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৪৬

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ অন্তর্জাল।

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

নিকাহে মুত'আ কাকে বলে?

আরবি: نكاح المتعة‎‎, English: 'wedlease'। নিকাহ মানে, বিয়ে, বিবাহ। আর মুত'আ অর্থ, উপকার ভোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বন্ধু, কি খবর বল...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:০১


সময়ের হাওয়া গায়ে মেখে ভাসতে ভাসতে যখন এই অব্দি এসে পড়েছি, তখন কখনও কখনও পেছনে ফিরতে ইচ্ছে হয় বৈকি। কদাচিৎ ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতাগুলো বেশ উঞ্চ এক ওম ছড়িয়ে দেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ যা পারেনি নেপাল তা করিয়ে দেখালো!

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৭



ভারতীয় যত টিভি চ্যানেল আছে তা প্রায় সবগুলোই বাধাহীন ভাবে বাংলাদেশে সম্প্রাচারিত হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে একটি টিভি চ্যানেলও ভারতে সম্প্রচার করতে দেওয়া হয়না। ভারতের কিছু কিছু চ্যানেলের মান অত্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যবধান

লিখেছেন মুক্তা নীল, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭




পারুল আপা আমাদের সকলের একজন প্রিয় আপা। তিনি সকল ছোটদের খুবই স্নেহ আদর ও আবদার পূরণে একধাপ এগিয়ে থাকতেন। অতি নম্র ও ভদ্র তার কারণে বাড়ির গুরুজনদের কাছে এই আপার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×