--কেমন আছো???
--এইতো ভালো। তুমি???
--আমি আছি আগের মতই।
--কি করছো??
--তারা গুনি ।
--কয়টা গুনলা?
--১৮২৫ টা ।
--পাগলামি ছাড়তে পারলা না??
--নাহ । পাগল রা পাগলামী ছাড়তে পারে না ।
--কে পাগল করলো ?? ঐ মেয়েটা নাকি??
--নাহ ।
--কথা হয় নাকি ওর সাথে??
--ওদের ক্যাম্পাসে গেলে কথা হয় ।
--কি দরকার শুধু শুধু ঐখানে যাওয়ার??
--ঢাকা গেলে সাভারে কিছু কাজ থাকে । সেই সুবাদে যাওয়া হয়।
--দেইখো আবার যেন পাগল না হয়ে যাও।
--....................................................
--হঠাত আজ ফোন দিলে যে।
--এমনিই তোমার কথা মনে পড়ছিলো।
--আজ কি কোন বিশেষ দিন ছিলো ??
--ছিল নাকি?? কই না তো ।
--ও আচ্ছা ।
--চুপ করে আছো যে??
--না এমনিই ।
--ও আচ্ছা ।
-- আচ্ছা আমাদের সম্পর্ক টার নাম কি??
--কেনো ??বন্ধু।
--..................
--আবার চুপ হয়ে গেলা কেনো। সাত দিন পর ফোন দিলাম কথাই বলছো না।
--আচ্ছা তোমার অন্যান্য বন্ধু দের সাথে কি এমন ঘন্টার পর ঘন্টা কথা হয়??
--নাহ।
--আমার সাথে শেয়ার করা ব্যাপার গুলো কি অন্য বন্ধু দের কাছে শেয়ার কর?
--নাহ ।
--মন খারাপ থাকা সময় গুলোতে কি আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে মনে পড়ে??
--নাহ ।
--তারপরও কি আমাদের সম্পর্ক টা শুধুই বন্ধুত্ব??
--আমি রাখি । পরে কথা হবে ।
আবীর নীলার কথা শুনে হাসে । সেই হাসিতে কোন প্রাণ নেই । ক্যালেন্ডারের পাতায় আজকের দিনটা লাল মার্কার দিয়ে দাগ দিয়ে রাখা । ৫ বছর আগে এ দিনটাতেই নীলার সাথে প্রথম দেখা হওয়া । ৫ বছরে তো ১৮৫২ দিন ই হয় তাই না , আবীর ভাবে । আবীর জানে নীলার ক্যালেন্ডারেও দিনটি লেখা আছে । স্বীকার না করাটা শুধুই ইগোর ব্যাপার । আবীরের ভালোবাসা এভাবেই প্রতিটিবার ফিরিয়ে দিয়েছে নীলা । তারপরও কিসের টানে নীলা বারবার আবীরের কাছে ফিরে আসে?? আবীর হিসাব মেলাতে পারে না । নীলা কে খুব নিষ্ঠুর মনে হয় ওর কাছে । পরক্ষনেই আবীর মনে মনে ভাবে "ভালোবাসার মানুষ কে এসব বলতে নেই, সে একান্তই ভালোবাসার"। আবীর ব্যালকোনি থেকে ফিরে আসে । ওর মাথায় একটি গান বাজতে থাকে
আমি বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে শুধু তোমায় ভালোবাসি.......................................আমি লোভে পুড়ে ফিরি তবু তোমায় ভালোবাসি..............তোমার আকাশের শেষ তারার মত জ্বালাবো তোমায়.........................................।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



