somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অনুবাদ গল্প ......২

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পেনিলোপ নামের মেয়েটির ইচ্ছে ছিল ট্রেনটিকে কেবল আমহার্স্ট পর্য্ন্তই নিয়ে যাবে। কিন্তু গাড়ির ঝমাঝম শব্দ আর জানালায় ক্রমশ বদলাতে থাকা দৃশ্যাবলী মেয়েটিকে সম্মোহিত করে ফেলল। গাড়িতেই বসে থাকল সে। দিন যায়। গ্রীষ্মের সবুজ পাতা শুকিয়ে সোনালী মচমচে হয়ে উঠে। কিছু রাত যায় আকা্শ ভরা ঝকঝকে তারা। কিছু রাত কেবলই হিম শীতল। চলার পথে প্রতিটি শান্ত এবং ঝকমকে শহর অতিক্রম করার সময় সে বলত-“একদম মনের মত না।একদম না।” ছয় ডলারে বিয়ার কিনতে গিয়ে পকেট ইতোমধ্যে খালি। পরিত্যক্ত বাদামী ব্যাগে হাতরে ফিরে ছাতাপড়া মিইয়ে যাওয়া চিপস। মাঝে মাঝে আমহার্স্ট এর ভাবনা মাথায় এলেও শহরটির নাম মনে নেই। যাই হোক কোনো না কোনোভাবে ইঞ্জিনটি একটি অপরিচিত লাইনে গিয়ে দাঁড়াল। যেখান থেকে পেছনে যাবার উপায় নেই। সামনে কেবলই সামনের দিকে টেনে নেওয়া।

*******

নোট: এটি ইংরেজীতে এক শ শব্দে লিখিত একটি গল্প। প্রকাশিত হয়েছে বিখাত Reader’s digest ম্যগাজিন এর অক্টোবর 2014 সংখ্যায়। লেখকের নাম বৃয়ান স্ট্যাভলি (Brian Staveley) গল্পটি অনুবাদ করে দিলাম। অনুবাদে এক শ’ শব্দে সীমিত রাখার কোনো চেষ্টা করি নি অবশ্য।

মূল গল্পটি নিচে তুলে দিলাম।

*****

Penelope had intended to take the train only as far as Amherst. But beguiled by the car’s rock and sway, the window’s constant change, she stayed on board. Day faded. Summer’s green crisped to gold. Some nights: sharp stars. Others, just a vast cold. Not quite, she thought, at each easy and besteepled town through which she passed. Not quite. Emptied her wallet on six-dollar Heinekens. Scavenged stale chips from brown and abandoned bags. Thought about Amherst sometimes, but had forgotten the name, and anyway the engine, shackled to the implacable track, could not back up, just pull, pull, pull.
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা আমি তোমাকে ভুলিনি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৫



আমার বন্ধু রফিকের বিয়ে।
সে সাত বছর পর কুয়েত থেকে এসেছে। বিয়ে করার জন্যই এসেছে। রফিক একদিন আমার বাসায় এসে হাজির। আমি তাকে প্রথমে দেখে চিনতেই পারি নাই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্যরচনাঃ ক্যামেরা ফেস

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৫৯


খুব ছোট বেলায় আমাদের শহরে স্টার স্টুডিও নামে ছবি তোলার একটা দোকান ছিল। সেটা পঞ্চাশের দশকের কথা। সে সময় সম্ভবত সেটিই ছিল এই শহরের একমাত্র ছবি তোলার দোকান। আধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবাসন ব্যাবসায় অশনি সংকেত

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১১ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২২




জুলাইয়ের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেল একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের । তারা ৫০ পারসেনট কমে ফ্লাট বিক্রি করছে । মুখ চেপে হাসলাম এত দুঃখের মাঝেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রৌপ্যময় নভোনীল

লিখেছেন স্বর্ণবন্ধন, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯


একটা অদ্ভুত বৃত্তে পাক খাচ্ছে আত্মা মন,
বিশ্বকর্মার হাতুড়ির অগ্ন্যুৎপাতে গড়া ভাস্কর্যের মতো গাড়-
হাড় চামড়ার আবরণ; গোল হয়ে নৃত্যরত সারসের সাথে-
গান গায়; সারসীরা মরেছে বিবর্তনে,
জলাভুমি জলে নীল মার্বেলে সবুজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

""--- ভাগ্য বটে ---

লিখেছেন ফয়াদ খান, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

" ভাগ্য বটে "
আরে! সে কী ভাগ্য আমার
এ যে দেখি মন্ত্রিমশায় !!
তা বলুন দেখি আছেন কেমন
চলছে কেমন ধানায় পানায় ?
কিসের ভয়ে এতো জড়োসড়ো
লুকিয়ে আজি ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×