
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জসীম উদ্দিন হলে গিয়েছি আলী আক্কাস নাদিম ভাইর সাথে দেখা করতে। তিনি নাই। তার রুমে কয়েক বন্ধু আড্ডা দিচ্ছেলেন। একটি গল্প শুনলাম-
কীর্তনে রান্না হচ্ছিল। হাড়ি থেকে চাল মাটিতে পড়ে গেলে, রাঁধুনি দৌড়ে গেলেন পুরোহিতের কাছে, কি করবো?
পুরোহিত জানতে চাইলেন, এক্ষেত্রে মুসলমানরা কি করতো?
রাঁধুনী বলল, ধুয়ে আবার হাড়িতে দিতো।
পুরোহিত সিদ্ধান্ত দিলেন- তা হলে, না ধুয়েই হাড়িতে উঠিয়ে দাও।
নাদিম ভাইকে না পেয়ে এলাম জগন্নাথ হলে, বন্ধু অসীমের কাছে। ও নাই তবে অন্যরা আড্ডা দিচ্ছিল। বসলাম কিছুক্ষণ। এর মধ্যেই ওর এক রুমমেট গল্পটি বলল-
ওরসে রান্না হচ্ছিল। ডেচকি থেকে চাল মাটিতে পড়ে গেল। বাবুর্চি দৌড়ে হুজুরের কাছে গিয়ে কি করবে, জানতে চাইলো।
হুজুর জানতে চাইল- হিন্দুরা হলে কি করতো?
বাবুর্চি বলল, ধুয়ে আবার হাড়িতে দিতো।
হুজুর সিদ্ধান্ত দিলেন- তা হলে, না ধুয়েই হাড়িতে উঠিয়ে দাও।
কাকতালীয়ভাবে একই দিন একই গল্প শুনেছিলাম ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে। হয়তো অন্য কেউ, অন্যকোনভাবে গল্পটি বানিয়েছিলেন। ধর্মান্ধরা সেটাকে নিজেদের সুবিধা মতো বানিয়ে নিয়েছেন। ঘটনা: ১৯৮৯ সালের। অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




