somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হরর?

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রবাসে পড়াশুনার ফাঁকে পার্ট-টাইম জব হিসেবে "ব্রিটিশ গ্যাস" নামক একটি এনার্জি সাপ্লাই কোম্পানীতে "ফিল্ড সেইলস্ এ্যাডভাইজার" হিসেবে কাজ করে ছেলেটি। কাজ তেমন কিছুনা; কাস্টমারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাপ্লাই সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে সব শেষে সাম্প্রতিক প্যকেজসমূহের একটা সংক্ষিপ্ত বয়ান দিয়ে গ্যাস-ইলেক্ট্রিসিটি সেইল করা। সকাল ৯টার পর থেকে শুরু করে রাত ৮টা- এই সময়ের মধ্যে নিজের পছন্দমত যেকোন একটি সময় বের করে নিয়ে কাজে বেড়িয়ে পড়লেই হলো। সপ্তাহ শেষে সর্বমোট কাজের পরিমাণ ২০ ঘন্টা আর সেইলসের টার্গেট (সাপ্তাহিক) বাবদ গোটা বিশেক কন্ট্রাক্ট পূর্ণ হলেই ম্যানেজেরের আর কোন আপত্তি থাকেনা। বেসিক সেলারি তো আছেই তার উপর কমিশন। ভালই চলে যায়।

গ্রীষ্মের এক বিকেল। মাথার উপর তাতানো রোদ যেন কিছুতেই বিদায় নিতে চায়না। তাই ছেলাটি কাজে বের হলো একটু দেরী করেই। বিকেল তখন ৫.৩০ বা তার কিছু বেশী হবে। হাতেগোনা কিছু কাষ্টমারের সঙ্গে বকবক করতেই সময় যে কখন চলে গেল টেরই পায়নি। ঘড়ির দিকে তাকালো ছেলেটা। সন্ধ্যা ৭.৪৫। সূর্য ইতোমধ্যেই অস্তাচলে গেছে। কেমন যেন আঁধার নেমে এসেছে চারদিকে। মেঘেদেরই কান্ড হবে হ্য়তো। তবে এখনও তো ১৫ মিনিট হাতে আছে। একটা কাষ্টমারের কাছে বয়ান দেবার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু যে বাড়িটা সে খুঁজছে তা খানিকটা দুরে। সাবার্বে (শহরের অদূরে কান্ট্রিসাইড) এই এক সমস্যা। সিটির মত বাড়িগুলো সব সময় এক জায়গায় ঘিঞ্জি হয়ে থাকেনা। অগত্যা কি আর করা!

বাড়িটার চেহারা দেখে মনে হ্য়না কেউ এখানে থাকে। প্রধান ফটকে মরিচার আভাস, ক্যাঁচক্যাঁচ করে খুলে ভেতরে ঢুকতেই লনভর্তি ঘাসেদের অবাধ রাজত্ব। হাতে ধরা নকশীটের (কাগজের যে শীটে কাষ্টমারের নাম, ঠিকানা, সাপ্লাই রেকর্ড ইত্যাদি থাকে) দিকে একবার তাকালো ছেলেটি। বাড়ির নাম্বার ঠিকই আছে। কলিং বেলে চাপ দিতে গিয়ে মনে হলো ক্রিং করে বেজে ওঠা এর কর্ম না। অন্ততঃ চেহারা তাই বলে না। দরজার অবস্থাখানাও তথৈবচ। এ দরজা খুলে কেউ বেরুবে? অসম্ভব। বাজি ধরে বলা যায়। তবুও এসে যখন পড়েছে একটা নক করলে কি এমন ক্ষতি! অবাক বিষয়! বেল বাজছে- সুমধুর সঙ্গীত মূর্ছনা তুলেই বাজছে।

মৃদু একটা প্রতিবাদের মত শব্দ করে দরজাটা একটু হা হলো। শুধু কি তাই? ছেলেটিকে রিতীমত বিস্মিত করে দিয়ে একজন সৌম্য দর্শন বুড়ো স্মিতহাস্যে দরজায় দাড়ালেন। ষাটের শেষ কি সত্তুর হবে বয়স। নিপাট ভদ্রলোক বলতে যা বোঝায় তাঁর মধ্যে এর পুরোটাই দৃশ্যমান। ধবধবে সাদা চুল, তার সাথে ম্যাচ করে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি-গোঁফ। গায়ে পড়ে আছেন সফেদ গাউন। সব কিছু মিলিয়ে কেমন যেন একটা শ্রদ্ধা জাগানিয়া অবয়ব।

ছেলেটি শুরু করল, "মিষ্টার ওয়ালেস"?
ভদ্রলোক হাঁ সূচক মাথা নাড়লেন।
"শুভ সন্ধ্যা। আমি 'ব্রিটিশ গ্যাস'-এর পক্ষ থেকে এসেছি। কেমন আছেন"?
"ভাল"।
নকশীটের দিকে তাকিয়ে ছেলেটি বলল, "মিষ্টার ওয়ালেস, আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী আপনি ঠিক দু'বছর আগেও আমাদের ডুয়েল ফুয়েল (গ্যাস+ইলেক্ট্রিসিটি) কাষ্টমার ছিলেন। তারপর থেকে আর কোন সাপ্লাই রেকর্ড নেই আমাদের কাছে আপনার নামে। তার মানে আপনি সাপ্লাইয়ার বদলেছেন। যদি কিছু মনে না করেন, আপনি কি বলবেন ঠিক কি কারণে আপনি 'ব্রিটিশ গ্যাস' ছাড়লেন? মানে আমি জানতে চাচ্ছি, আমাদের সেবায় কোন ত্রুটি বা আমাদের চেয়ে স্বল্পমূল্যে অন্য কোন কোম্পানি....."?
ভদ্রলোক মৃদু হেসে ঘরে ঢোকার আমন্ত্রণ জানালেন। আলো জালাবার প্রয়োজন মনে করলেন না বৃদ্ধ। কারন লিভিং রুমের সাথে লাগোয়া কিচেনের ওদিকে কোথাও থেকে মৃদু আলো এসে ঠিকরে পড়ছিল বুড়োর চোখে-মুখে। অস্তরাগের লালীমা-মাখা নরম আলো; কিচেনের জানালা গলে এসে থাকবে হয়তো। সবকিছু মিলিয়ে কেমন একটা পবিত্র পবিত্র পরিবেশ। অসংগতি যা চোখে পড়ল তা হচ্ছে মেঝেতে পড়ে থাকা ঐ বিশাল আলমারীটা। সম্ভবত বুড়ো শক্তিতে কুলোতে পাড়েনি ওটাকে টেনে তুলতে। আর একটা ব্যাপার হচ্ছে, সারা ঘরে কেমন যেন পঁচা মাংসের গন্ধ। বুড়োর ফ্রিজটা নিশ্চিত রসাতলে গেছে। কবেকার কিনে রাখা মাংস পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

"তুমি এই সন্ধ্যারাত অব্দি কাজ কর"? বুড়ো মুখ খুলল।
"আসলে সর্বোচ্চ ৮টা পর্যন্ত কাজ করার নিয়ম আছে আমাদের। ততক্ষণ পর্যন্ত সাধারণতঃ কাজ করিনা। আজ করছি। এই এলাকাটা আজকের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে আবার নতুন জায়গায়"।
"হুঁ। তা কি যেন বলছিলে"?
"ও হ্যাঁ। আপনি হ্য়তো যৌক্তিক কোন কারণে আমাদের ছেড়ে অন্য কোন কোম্পানির সাথে চুক্তি করেছেন। কিন্তু জানেন কি? আমরা এসময়ে সবচেয়ে কম মূল্যে এনার্জি সরবরাহ করে থাকি। আমাদের কোন রকম স্ট্যান্ডিং চার্জ নেই। তার মানে আপনি এনার্জি ব্যবহার করলেই শুধু চার্জ হবে, অন্যথায় নয়। শুধু তাই নয়। আমাদের সব নতুন কাষ্টমারকে আমরা একমাস গ্যাস অথবা একমাস ইলেক্ট্রিসিটি ফ্রি দিচ্ছি। কোনটা ফ্রি নেবেন তা একান্তই তাঁদের পছন্দ। তার উপর আছে ডুয়েল ফুয়েল ডিসকাউন্ট। অর্থাত্ আপনি যদি গ্যাস এবং ইলেক্ট্রিসিটি দু'টোই আমাদের কাছ থেকে নেন তাহলে আপনি পাবেন বছরে প্রায় ৬৫ পাউন্ডের মত ছাড়। শুধু কি তাই? আপনি যদি নগদে বিল পরিশোধের পরিবর্তে ডাইরেক্ট ডেবিটে পে করেন আপনাকে দেওয়া হবে বছরে আরও প্রায় ৩৫ পাউন্ডের মত ছাড়। আর তাছাড়া ষাটোর্ধ যেকোন কাষ্টমারকে আমরা দিয়ে থাকি উইন্টার বেনিফিট। মানে শীতকালিন অতিরিক্ত খরচ থেকে এনার্জি ব্যয় অনুপাতে একটা নির্দিষ্ট অংক মউকুফ। আশা করি আপনি এবার আপনার পুরণো সাপ্লাইয়ারকে আরেকবার সুযোগ দেবেন সেবা করার"। ছেলেটা এইটুকু বলে থামল।
বৃদ্ধ সেইরকম স্মিত হাসি হেসে কিছুক্ষণ তকিয়ে থাকলো।
তারপর বলল, "তুমি তো দেখতে পাচ্ছ, আমার ঘরে এমনিতেই যথেষ্ট আলো আছে। বিদ্যুতের আলোর প্রয়োজন পড়েনা। আর তাছাড়া আমি গ্যাসও ব্যাবহার করিনা। এইতো বেশ আছি"।
"কি উদ্ভট কথা! গ্যাস-বিদ্যুত ছাড়া কি আর এ শহরে চলা যায়? এ কি আর আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল"? ছেলেটি মনে মনে ভাবল। আসলে সাপ্লাইয়ার বদলানোর কোন ইচ্ছে হয়তো ভদ্রলোকের নেই। একটু রসিকতা করে তা বুঝিয়ে দিলেন।
"আচ্ছা উঠি তাহলে"।
"তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগল। ভাল থেকো"। আবার সেই চমত্কার স্বর্গীয় হাসি হাসলেন বৃদ্ধ।

লন পেড়িয়ে রাস্তায় উঠেই ঘড়ির দিকে তাকালো ছেলেটি। রাত ৮টা।
"এই ছেলে এই ঘোর সন্ধ্যাবেলা এখানে কি করছ"?
পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখল এক বৃদ্ধা ধীর লয়ে হেলে দুলে এদিকেই আসছে।
"আমি আসলে মিঃ ওয়ালেসের সাথে দেখা করতে এসেছিলাম"।
"মিঃ ওয়ালেস"। ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল বৃদ্ধা। "কি ভালো একটা লোক ছিল"!
"ঠিক। চমত্কার একজন লোক তিনি"।
"তুমি কি করে জানো"?
"এইমাত্র তো তাঁর সাথে কথা হলো"।
এটা বলে যেন ছেলেটা মহা একটা অন্যায় করে ফেলেছে- এমনি রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে তার দিকে তাকল বৃদ্ধা। ছেলেটি মনে মনে ভাবল মিঃ ওয়ালেসকে কি তাহলে প্রতিবেশীরা আর ভাল লোক ভাবেনা? কই তাঁর মধ্যে তো খারাপ কিছুই চোখে পড়েনি।
"লোকের কথায় আমি মোটেও বিশ্বাস করিনা"। বৃ্দ্ধা বলে চলেছেন। "তাঁর মত একজন লোক কেন অন্যের খরাপ চিন্তা করবেন"?
ছেলেটি জিজ্ঞাসু চোখে তাকাল।
"তাঁর তো আর কোন কাজ নেই সন্ধ্যে হলেই তোমাদের ভয় দেখাতে ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন! যত সব বাজে লোকের বাজে কথা"।
নাহ্ বুড়ির সাথে কথা বলার অর্থ হচ্ছে বৃথা কিছু সময় নষ্ট করা। কি সব আবোল-তাবোল বলছে! কথার খেই পাওয়া যাচ্ছেনা।
"বাজে একটা দুর্গন্ধ। মাংস পঁচার"। বুড়ি আবার শুরু করল। "এদিকে মিঃ ওয়ালেসকেও নাকি দেখা যাচ্ছনা ক'দিন ধরে! লোকটা গেল কোথায়? ঘরে নিশ্চয়ই ফ্রিজ নষ্ট হয়ে মাংস-টাংস সব পঁচে বসে আছে। প্রতিবেশিরা সবাই মিলে পুলিশে খবর দিল। দরজা ভেঙ্গে না ঢুকে কি আর উপায় আছে? বুড়ো তো উধাও"।
"তারপর"?
"অনেক দেরী হয়ে গেছে। ঐ অত বড় আলমারীর ভার বুড়ো কি...... মাথায় আঘাত....." বিড়বিড় করে আরও কি সব বলতে বলতে বৃদ্ধা সেই রকম দুলতে দুলতে হাঁটতে লাগল।
ধূর্! বুড়ির মাথা পুরোপুরিই গেছে। কি যে বলছে নিজেই জানেনা! ছেলেটি পা বাড়ালো বাড়ির উদ্দেশ্যে।

হঠাত্ থমকে দাঁড়ালো ছেলাটা। আলমারীর কথা কি যেন বলল বুড়িটা? ছেলেটির মনে পড়ে গেল মেঝেতে পড়ে থাকা আলমারীটা। পঁচা মাংসের গন্ধ। "তুমি তো দেখতে পাচ্ছ, আমার ঘরে এমনিতেই যথেষ্ট আলো আছে। বিদ্যুতের আলোর প্রয়োজন পড়েনা। আর তাছাড়া আমি গ্যাসও ব্যাবহার করিনা। এইতো বেশ আছি"। বুড়োর শেষ কথাগুলো কানে বাজতে লাগল ছেলেটির।
"হেই," হাঁক দিল ছেলেটি, "তুমি কি বলতে চাচ্ছ মিঃ ওয়ালেস....."
"মারা গেছে; দু'বছর আগে। সে কথাই তো তোমাকে বলছি এতক্ষণ ধরে। আর তুমি বলছ কিনা তাঁর সাথে কথা বলেছ এইমাত্র....."। গজ গজ করতে করতে চলতে শুরু করল বৃদ্ধা।
ছেলেটির কানে আর কোন কথাই ঢুকছেনা। কেবল পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রইল। এভাবে কতক্ষণ ছিল তা সে বলতে পারেনা। সম্বিত ফিরে পেল গির্জার ঢং ঢং ঘন্টা ধ্বনিতে।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:০৭
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাঁচপোকা লাল টিপ অথবা ইচ্ছেপদ্ম...

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:২৯



‘হৃদয়ে ক্ষত- তা তোমার কারণেই
তাই, তুমিই সেলাই করে দেবে-
বিনা মজুরিতে।
কিছু নেই এমন যা দিতে পারি তোমাকে;
ঠান্ডা মাথায় দেখেছি অনেক ভেবে!
যদি নাও দাও তবে থাকুক এ ক্ষত
এ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৪৬

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ অন্তর্জাল।

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

নিকাহে মুত'আ কাকে বলে?

আরবি: نكاح المتعة‎‎, English: 'wedlease'। নিকাহ মানে, বিয়ে, বিবাহ। আর মুত'আ অর্থ, উপকার ভোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বন্ধু, কি খবর বল...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:০১


সময়ের হাওয়া গায়ে মেখে ভাসতে ভাসতে যখন এই অব্দি এসে পড়েছি, তখন কখনও কখনও পেছনে ফিরতে ইচ্ছে হয় বৈকি। কদাচিৎ ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতাগুলো বেশ উঞ্চ এক ওম ছড়িয়ে দেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ যা পারেনি নেপাল তা করিয়ে দেখালো!

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৭



ভারতীয় যত টিভি চ্যানেল আছে তা প্রায় সবগুলোই বাধাহীন ভাবে বাংলাদেশে সম্প্রাচারিত হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে একটি টিভি চ্যানেলও ভারতে সম্প্রচার করতে দেওয়া হয়না। ভারতের কিছু কিছু চ্যানেলের মান অত্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যবধান

লিখেছেন মুক্তা নীল, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭




পারুল আপা আমাদের সকলের একজন প্রিয় আপা। তিনি সকল ছোটদের খুবই স্নেহ আদর ও আবদার পূরণে একধাপ এগিয়ে থাকতেন। অতি নম্র ও ভদ্র তার কারণে বাড়ির গুরুজনদের কাছে এই আপার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×