একটা মানুষ তার প্রাণের স্পন্দন মুখে ফুটিয়ে তুলে ভাষার মাধ্যমে, এবং সঠিকভাবে তার প্রকাশ মাধ্যম হল মাতৃভাষা। একজন হয়তো অনেক ভাষার পণ্ডিত হতে পারে কিন্তু তার মনে এমন অনেক অব্যক্ত ভাব আছে যা একমাত্র মাতৃভাষাতেই প্রকাশ সম্ভব। তাই জীবনে মাতৃভাষার কোন তুলনা নেই। তেমনই বাংলা হল আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত ভাব প্রকাশের ভাষা, আমাদের মাতৃভাষা। আজ পূর্ণ হল রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত মাতৃভাষা বাংলার ৬৩তম বার্ষিকী। অনেক সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার পর বাংলা আজ পৌছে গেছে নতুন উচ্চতাই, আন্তর্জাতিক মানে। যখন স্কুলে পড়তাম তখন ২১শে ফেব্রুয়ারী মানে ছিল অন্য ধরনের আমেজ, যেন কোন উৎসব। বিশেষ করে আগের রাতের অ্যাডভেঞ্চারটা, এই রাতে আমরা বন্ধুরা মিলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফুল সংগ্রহ (চুরি) করতাম। তারপর ভোরবেলা খালি পায়ে স্কুলের শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়া, একসাথে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া ইত্যাদি। এসব তখন করতাম নিছক আনন্দ লাভের জন্য, তখন হয়তো বুঝতাম না এর মহত্ত্ব কতখানি। তবে আজ বুঝতে পারি যা আগে পারতাম না।
যাই হোক, আজকের এইদিনে প্রাণের অর্ঘ নিবেদন করি সেইসব সৈনিকদের প্রতি যাদের অবদানে বাংলা আজ আমার মাতৃভাষা।
চিরজীবী হোক ভাষাসৈনিকদের আত্মত্যাগ, অমর হোক একুশে ফেব্রুয়ারী।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



