somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিনেমা যেভাবে আমাদের পারসেপশন নিয়ন্ত্রণ করে।

২২ শে আগস্ট, ২০২৪ দুপুর ১২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



উপমহাদেশীয় সিনেমায় আমরা দেখি হিরো তথা গল্পের প্রধান চরিত্র সাধারণত একজন পার্ফেক্ট লোক হয়।

পার্ফেক্ট বলতে সে লেখাপড়ায় ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়, লড়াইয়ে তার সাথে কেউ পারে না, সে হয় একজন ভালো স্বামী, ভালো পিতা, লয়াল প্রেমিক, সে দেখতে সুদর্শন হয়, সে নেশা করেনা, সে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, সে নেতৃত্ব দেয়, পুলিশ হলে সে সৎ পুলিশ হয়, সে দূর্বলের পক্ষে দাড়ায়, সে গরীবকে সাহায্য করে অর্থাৎ সকল মানবিক গুণাবলি তার মাঝে থাকে। ক্ষেত্রবিশেষ দুয়েকটা সিনেমায় গল্পের প্রয়োজনে তার মধ্যে হয়তো দুয়েকটা গুণাবলির অভাব দেখা যায় কিন্তু জেনারলি হিরোরা হয় পার্ফেক্ট ।

এই আমরা এইভাবে প্রগ্রামড হইছি যে একজন ভালো শিপ্লী হলে তার মাঝে অন্যসব মানবিক গুণাবলিও থাকবে, একজন ভালো সাংবাদিক হলে সে আমাদের হিরো সো তার মাঝে অন্যসব মানবিক গুণাবলিও থাকববে। বা কেউ ভালো ইউটিউবার বা ভালো শিক্ষক বা ভালো খেলোয়াড় সো সে যেহেতু আইডল হিরো নায়ক যা ই বলি না কেনো তার মাঝে অন্যসব মানবিক গুণাবলি থাকবে।

এই ভ্রান্ত ধারণাটা আমাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়, ফলে যখন আমরা একজন গায়কের মাঝে অন্যসব মানবিক গুণাবলির কোনো একটা পাই না তখন চরম হতাশায় নিমজ্জিত হই, তারপর শুরু করি তাকে ট্রল করা, গালি দেওয়া দালাল ট্যাগ দেওয়া।
এজন্য রোল প্লে নিয়া আমি একটা বা দুইটা লেখা লেখছিলাম, সবার একটা আলাদা রোল আছে সমাজে, সে সেই জায়গায় পার্ফেক্ট হওয়া যথেষ্ট।
যে নাপিত ভালো চুল কাটে তারে আপনি তার চুল কাটার প্রেমে পইড়া তারে বাবুর্চির দায়িত্ব দিলে তরকারিতে লবণ কমবেশি হওয়ার আশংকা থেকেই যায়। তার কাজ চুল কাটা সেটা ঠিকমতো না করলে তাকে বকা যায়, রান্নায় লবণ কম দিলে তাকে বকা উচিত না, তার কাজ রান্না করা না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০২৪ দুপুর ১২:৫২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই ভুলে গেছে সবাই, শুধু জুলাই ভোলেনি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮


জুলাই কোটা আন্দোলনের প্রায় দুই বছর পূর্ণ হতে চলেছে। গত দুই বছরে দেশে অনেক কিছু বদলেছে। সমাজের অনেক কুৎসিত দিক নতুন করে সামনে এসেছে। অনেক মানুষকে নতুন করে চেনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন

লিখেছেন সামিয়া, ২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৬



হঠাৎ বৃষ্টি নামছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ।
আমি শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় বসে আছি এক মগ কফি হাতে নিয়ে সামনে ভেজা আকাশ। বাতাসে কেমন কাঁচা মাটির গন্ধ। এই গন্ধটা অদ্ভুতভাবে মানুষকে অতীতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ ডিসেকশন অব এ স্করপিয়ন

লিখেছেন আদম_, ২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪২



একজন বৃ্শ্চিক জাতক গান ভালোবাসে- গান সব রাশির জাতকরাই ভালোবাসে, তবে বৃশ্চিকের চয়েসটা ভিন্ন। বৃশ্চিক ভালোবাসে কোয়ালিটি, জেনুইনটি, অথেনটিসিটি। আউল-ফাউল জিনিস বৃশ্চিককে গেলানো যাবেনা- বৃশ্চিক গলার্ধকরণ করেনা খেলোয়ার জাহান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৪১

বিত্তবানের সুখের সায়রে দুঃখের তরী মিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের কাছে শত সুখ আছে তাঁহাদের দাম দিছে।
রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের ঠোঁট হাসিতে মাতিছে তাঁহাদের খোঁজ নিছে।
— শ্রাবণ আহমেদ ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফামস স্ট্যাচু অফ দ্যা টাউন মিউজিসিয়ান অফ ব্রেমেন

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১:৫৬



দুই বছর আগে গিয়েছিলাম, জার্মানির ব্রেমেন শহরে। সেখানে গিয়ে দেখা হয়েছিল ছোটবেলায় গল্পে শোনা চরিত্র গুলোর সাথে। গল্পের সেই চরিত্রগুলোকে কেউ সাজিয়ে রেখেছে এভাবে এই শহরে, যাওয়ার আগে জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×