somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ হিসেবে জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা ।

২০ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১০:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একজন মানুষ হিসেবে জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো আপনি অন্য মানুষের মনে কতোটা হাসি ফোঁটাতে পারছেন। মানুষের জীবন দিন দিন জটিল হয়ে যাচ্ছে। মনে সুখ নেই, আনন্দ নেই। নানা জটিলতা, নানা দুশ্চিন্তা মানুষকে অক্টোপাসের মতো ঘিরে ধরেছে। এই সুখহীন সমাজে আপনার আচরণে, আপনার কথায় কিংবা আপনার সহযোগিতায় যদি অন্য একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটে তাহলে তা থেকে আপনি নিজেকে বঞ্চিত করবেন কেনো? অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর আনন্দ থেকে বঞ্চিত।

একজন মানুষকে সবসময় তার বাহ্যিক অবস্থা দেখে বিচার করা অন্যায়। আপনার প্রতিবেশী যে মানুষটা দিনরাত জীবন সংগ্রামে লিপ্ত, পথিমধ্যে সে আপনাকে দেখলেই মিষ্টি হেসে কুশল জিজ্ঞেস করে, ‘কেমন আছেন?’ আহা আপনার কতোই না ভালো লাগে। একদিন সে আপনাকে দেখেও দেখলো না। চলে গেলো দ্রুত। আপনি তাকে ডাকলেন। তিনি শুনলেন না। আপনি ভাবলেন, ‘লোকটার ভাব বেড়ে গেছে।’ আপনি কথা বলা বন্ধ করে দিলেন। তার খোঁজ আপনি আর রাখেন না।

অথচ আপনি জানেন না এই মানুষটার ভেতর কি চলছে। হয়তো তার বাবা কিংবা তার বিবি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে হাসপাতালে। হয়তো তার ছেলে-মেয়ে ভীষণ কোন ফ্যাসাদে পড়ে তার ওপর ভীষণ দুর্ভাবনার ভার চাপিয়ে দিয়েছে। সেই দুশ্চিন্তা, সেই দুর্ভাবনার ভারে তিনি আপনাকে লক্ষ্য করেননি কিংবা আপনার ডাক তার কানে যায়নি। আহ! আপনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে কতো অন্যায়ই না করলেন। তার এই দুঃসময়ে আপনার একটু সুন্দর কথা কিংব সঙ্গ তার ব্যথা কিছুটা হলেও প্রশমিত করতে পারতো। কিন্তু উল্টো আপনি তার ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিলেন।

মানুষকে ভালোবাসতে হবে প্রতিদানের আশা না করে। মানুষ হিসেবে আপনার কাছ থেকে সুন্দর ব্যবহার পাওয়া অপর একজন মানুষের হক কিংবা এটা তার অধিকার। আপনি তো পশু নন। শুধু মানুষ কেনো জানোয়ারের প্রতিও সদয় হওয়া দরকার, এজন্যই যে আপনি মানুষ। সকল সৃষ্ট জীবই সৃষ্টিকর্তার পরিজন আর সেই ব্যক্তিই উত্তম যে তাঁর (সৃষ্টিকর্তার) পরিজনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১০:০৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাইভারসিটি ভিসা লটারি আবার চালুর নির্দেশ আদালতের

লিখেছেন শিমুল মামুন, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬



যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ অর্থবছরের ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা (ডিভি লটারি) লটারির নিবন্ধন আবার চালু করতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন একটি ফেডারেল আদালত। আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

“‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’: ঘোষণার পর রাষ্ট্র কতটা বদলায়?”

লিখেছেন raselabe, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি পরিকল্পনা তখনই কার্যকর রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে রূপ নেয়, যখন তা ব্যক্তিগত ঘোষণা থেকে বেরিয়ে সুস্পষ্ট নীতি, নির্দিষ্ট দায়িত্ব, বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা এবং পরিমাপযোগ্য জনকল্যাণের লক্ষ্যে পরিণত হয়।

এখানে নেতৃত্বের প্রথম... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭



কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×