somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“অগোছালো শব্দ-কথা” (একুশে বই মেলায়, ভ্রমণ অনুভূতিমূলক গল্পের সংকলন।)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


লেখালেখির শুরুতে কখনোই প্রকাশনার কথা ভাবিনি। কোনদিন লেখক হতে চাইনি। এখনো লেখক নই। স্বপ্নেও কখনো এমন স্বপ্ন দেখিনি।ভ্রমন থেকে ফিরে এসে নিজের অনুভূতি আর অভিজ্ঞতা গুলো নিজের মত করে লিখে যাওয়া। না কোন প্রচার বা প্রকাশনার জন্য নয়। আদৌ নয়। তবে আজকাল যেহেতু ফেসবুক আছে; আছে বেশ কিছু ভ্রমন গ্রুপ, আছে ব্লগ সামহোয়্যার!। সেহেতু সেই অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করতে লাগলাম। পেলাম কিছু ভালোলাগার মত মন্ত্যব্য আর বেশ কিছু অনুপ্রেরণা।

যে অনুপ্রেরণা থেকে লেখালেখিটা একান্ত ভালোলাগা আর ভালোলাগা থেকে নেশায় এবং সব শেষে নেশা থেকে নিশ্বাসের মত হয়ে গেল! তাই লিখে যাওয়া আর লিখে যাওয়া। একেবারেই নিজের মত করে, নিজের একান্ত আনন্দের জন্য।

অনেক শ্রদ্ধেয় জন, শুভাকাঙ্ক্ষী, কাছে-দূরের বন্ধুরা অনেক অনেক বার প্রত্যক্ষভাবে বলেছে প্রকাশনার কথা। আমি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছি। বলে কি? লিখি নিজের আনন্দের জন্য। প্রকাশনার মত বাস্তবতায় যাবো কি বিব্রত আর লজ্জিত হতে! নিজের কাছে নিজেই? তাই প্রকাশনার কথা গায়েই মাখিনি। এক কানে শুনেছি আর অন্য কান দিয়ে বের করে দিয়েছি আন্তরিকভাবেই।

অবশেষে যেদিন একজন প্রকাশক লেখা পড়ে সত্যিকারের আপ্লুত আবেগ প্রকাশ করলেন ই- মেইলে, সেদিন একটু খটকা লাগলো। তবে কি ভেবে দেখবো? নাহ থাক। দরকার নাই আমার প্রকাশনার। কিন্তু না, এবার প্রকাশক তার একজন স্নেহের আর আমার শ্রদ্ধেয় পরিচিতর কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে নিজেই ফোন করে দেখা করতে বললেন। সেদিন সত্যিই একটা শিহরণ বয়ে গিয়েছিল। তাই অবশেষে প্রকাশকের লেখা প্রকাশের একান্ত আর আন্তরিক ইচ্ছা দেখেই নিজেকে নিজে সম্মতি দিলাম।

তবে না হয় হোক, কয়েকটি ভ্রমন অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি নিয়ে আমার “অগোছালো শব্দে-কথায়” গাঁথা একটি ভ্রমন গল্পের সংকলন। দেখা যাক না কি হয় শেষ পর্যন্ত? শুধু একটাই চাওয়া। লেখক হতে চাইনা, চাইনা কোন সস্তা জনপ্রিয়তা, চাইনা কোন ঠুনকো বাহবা, না কোন মাধ্যমের সাময়িক প্রচার কখনোই। শুধু চাই, যারা পড়বেন তাদের ভালো না লাগে না লাগুক। অন্তত নিজেকে যেন বিব্রত মনে না হয়, যেন না হই নিজের কাছেই নিজে লজ্জিত, হেয় আর যেন না জাগে কোন আর্তনাদ বিবেকের কাছে। প্রকাশনার শেষে।

আমি কাউকে এই বই কিনে টাকা নষ্ট করার আহ্বান করছিনা। কারণ অধিকাংশ গল্পগুলোই এই ব্লগে রয়েছে। এটা কিনে পড়ার কোন মানেই হয়না! শুধুই মাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য আজকের এই পোস্ট। তবে তারপরও কেউ যদি দেখে বা একান্ত আগ্রহে কিনতে চান, সেটা একান্তই তার বা তাদের ব্যাক্তিগত ইচ্ছা।

নন্দিনী প্রকাশনী, স্টলঃ ৪৭৪, সোহরাওয়ারদি উদ্যা, ১লা ফাল্গুন, ১৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।

অগোছালো শব্দ-কথা’র গল্পগুলো

লখ্যহীন এডভেঞ্চারের নেশায়
“অধর ছুঁয়েছে অধর!”, “পৃথিবীর সেরা টয়লেট!”, “কারবারির বউ ও মিরিন্ডার বোতল!”, “বগালেকে মৌচাক!!!”, “মহুয়ার গন্ধ ও পাহাড়ের আলিঙ্গন!”, “জাদিপাই ঝর্ণায় আমার অনুভূতি”, এবং “সাজিদের লাঠি”।

ডার্লিং দার্জিলিং......!
“ডার্লিং এর হোটেল আখ্যান...!”, “চোখ মেলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা...!”, “কারো শপিং এ, কারো এক্সপ্লোরিং!”, “সেন্ট পলস স্কুল ও একটি আকাঙ্ক্ষা...”, “রাফটিং রোমাঞ্চ...... তিস্তায়”। “মেঘের মাঝে, মেঘের কোলে কালিম্পং এ” “লালমোহন, সাদাটা!!!”, “চুপিচুপি টাইগারহিলে..!!”

নিঝুম দ্বীপের নির্ঘণ্ট.........
“ইস্ট ওয়েস্ট টু সদরঘাট...!” (এডভেঞ্চার), “কেবিন থেকে করিডোরে... দুই চাদরে চারজন...!!” (অপ্রত্যাশিত), “মনপুরার চরে, একটি সকাল...” (কোমল অনুভূতি), “কোমর সমান কাঁদা!” (রোমাঞ্চ), “নিঝুম দ্বীপের, নিঝুম অরণ্যে”(সুখের সমাহার), “নিঝুম দ্বীপের নিঃসঙ্গ গাছ ও আমি” (একাকিত্তের হাহাকার), “বাঘ চাষের স্বপ্ন......!!” ( অচিন্তনীয়), “উল্টো বাইকে ৩২ কিলো......!!!” (পাগলামি)

স্বপ্নের সিমলা-মানালি
“শুরু থেকে শেষ, এডভেঞ্চার আর রোমাঞ্চে ভরা...”, “উডল্যান্ড ও আমাদের ভ্রমন খরচ!” “বরফের প্রেমে পাগল পারা...!”, “সিমলা-মানালির স্বপ্নিল পথে, অসীম মুগ্ধতায়....”, “মানালির মুগ্ধতায়...”, “বিয়াসের আহ্বানে....”, “সোলাং ভ্যালিতে, পাগলদের পাগলামি”, “উডল্যান্ড সিকুয়্যাল...!”, “পাঞ্জাবের কমলা, আমাদের বিভীষিকা”, “রাজধানী এক্সপ্রেসে, আমাদের দুঃসহ রাত!”
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৩০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মোল্লাতন্ত্র ধর্ষণ-হত্যা ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের সমাধান নয়, বরং তা বৃদ্ধির একটি কারণ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪২


সাত বছর বয়সের ছোট্ট শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যার ঘটনার সমাধান হিসেবে, মোল্লাতন্ত্রের মুখপাত্র আহমাদুল্লাহ হুজুর পুরাতন এক ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়েছেন। এইসব নৃশঃসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেজন্মা

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২১ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


হু বেজন্মা কথা শুনার পর
আমি বিরক্ত মনে করতাম
কিন্তু বেজন্মা কথাটা সত্যই
স্রোতের মতো প্রমান হচ্ছে-
খুন ধর্ষণ করার পশুত্বকে
বলে ওঠে বেজন্মা ক্যান্সার;
ক্যান্সারের শেষপরিণতি মৃত্যু
তেমনী বেজন্মার হোক মৃত্যু-
চাই না এই বেজন্মাদের বাসস্থান
আসুন রুখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালো থাকো ছোট্ট মা এই অনিরাপদ শহরে

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫




মাঝে মাঝেই মনে হয়, পৃথিবীতে আমি যদি সত্যি কাউকে নিঃশর্ত ভালোবেসে থাকি, তবে সে আমার মেয়ে।
ওকে প্রথমবার কোলে নেয়ার দিনটার কথা আমাকে আবেগ প্রবণ করে তোলে ছোট্ট একটা উষ্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

খালাশ

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

ছবি : এ আই

জোর জবরদস্তি,
উঠিত লিঙ্গের দুই মিনিটের সুখ
তারপর ???
গরম, মাথা গরম।
কোপ, কল্লা মাথা আলাদা,
শেষ, নিথর নিশ্চুপ দেহ,
খণ্ডিত ছিন্নভিন্ন।

লাল রক্ত কালচে হওয়ার আগেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র কেন রামিসাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১০


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে যে গভীর ও দমবন্ধ করা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা কোনো কাল্পনিক ভীতি বা বিচ্ছিন্ন অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×