somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী মেধাবী ছাত্রনেতা শরীফুজ্জামান নোমানীর খুনী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন

০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আসসালুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ মতিহারের সবুজ চত্ত্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আবারও রক্তে রঞ্জিত। শিবিরের অসংখ্য নেতা-কর্মীর রক্তে সিক্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রায় এক যুগেরও বেশী সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চলছিল। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর রক্তের হোলি খেলায় মেতে ওঠা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের তান্ডবে প্রাণ হারায় ১৪ কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন, সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব তৈরীর আদর্শ সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারী মেধাবী ছাত্রনেতা শরীফুজ্জামান নোমানী এবং মারাত্মকভাবে আহত হরা হয়েছে অর্ধ-শতাধিক নিরীহ নেতা-কর্মীকে।
সেদিন কি ঘটেছিল ক্যাম্পাসে?
১৯৮২ সালের ১১ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের গুন্ডাদের সশস্ত্র আক্রমনে নিহত শিবিরের ৪ জন নেতাকর্মীর শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গত ১১/০৩/০৯ তারিখে ইসলামী ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ র্যা লি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ চলাকালীন সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা শিবিরের সমাবেশে হামলা করে। ছাত্রশিবির চরম ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ক্যাম্পাসে পড়ালেখার পরিবেশ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে তাদের দখলদারিত্ব কায়েম করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাই পরপর দুই দিন পুলিশ হলগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতভর পুলিশ ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীসহ ৭৬ জন নিরীহ ছাত্রকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে গ্রেফতার করে কোর্টে চালান দেয়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের জন্য ক্যাম্পাস উন্মুক্ত করে দেয়ার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে চালানো হয় এই গ্রেফতার অভিযান। শুক্রবার সকাল থেকে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশনের ছত্রছায়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্র এনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হল সমূহে সশস্ত্র অবস্থান নেয়। পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে বিশ্ববিদ্যালয় সহসমূহেও ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ছাত্রাবাসমূহে নিরীহ ছাত্রশিবির নেতা-কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয় ছাত্রশিবির নেতা শফিকুল ইসলাম, জিন্নাহ, আশরাফ হোসেন, মাহবুব, আবু রায়হান, মাহফুজসহ অর্ধশতাধিক ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ ছাত্র। অপরদিকে সন্ত্রাসীরা ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ আলমসহ ১০-১৫ জন ছাত্রকে শের-ই বাংলা হলে জিম্মী করে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতন করতে থাকে। তাদের উদ্ধারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিকামী শিক্ষকবৃন্দ হলের প্রভোষ্ট ও হাউস টিউটরগণ সকাল ৮.০০ থেকে দুপুর ১২.০০ টা পর্যন্ত সরাসরি ভাইস চ্যান্সেলরের বাসভবনে বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষ প্রশাসনের কক্ষে অব্যাহত অনুরোধ সত্ত্বেও হলগুলোতে জিম্মী হয়ে পড়া নির্যাতিত ছাত্রদের উদ্ধারের কোন প্রকারের কার্যকরী সহযোগিতা পাননি। শিবির নেতৃবৃন্দ বারাংবার অনুরোধ জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেয়নি এবং পুলিশ তাদের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করে। এমতাবস্থায় ১১.৩০ মিনিটে শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারী শরীফুজ্জামান নোমানী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও পুলিশের সাথে কথা বলে আটককৃতদের দেখা করার জন্য শের-ই-বাংলা হলে যাওয়ার পথে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী আওয়াল কবির জয়, ছাত্রলীগ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন মুন, দ্বিপায়ন সরকার দ্বীপ, আরিফুজ্জামান রনি, মঈন, সাহাঙ্গির, সাইফুল, মুরাদ, সোহেল, মোশাররফ, ফুয়াদ, উজ্জ্‌ল, শামীম, অনিক, শান্ত, জাকারিয়াসহ কতিপয় বহিরাগত সন্ত্রাসী শরীফুজ্জামান নোমানীসহ মাববুব, শফিকুল ইসলাম, জিন্নাহ, আশরাফ হোসেনদেরকে টেনে হেঁচড়ে হলের পূর্ব প্রাচীরের দিকে নিয়ে যায়। এই সময় আওয়াল কবীর জয় বলে ওদের খুন করে ফেল। তখন আরিফুজ্জামান রনি তার হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে নোমানীতে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। নোমানী ডান হাত দিয়ে ঠেকালে ডান বৃদ্ধাঙ্গুলটি কেটে পড়ে যায়। এরপর দ্বীপের হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে নোমানীর মাথায় আঘাত করলে মাথা কেটে মগজ বের হয়ে যায় এবং গুরুতর রক্তাত্ব যখম হয়ে মাটিতে লুটে পড়ে। দুঃখজনক হলেও সত্য পুলিশ তখন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। ইসলামী ছাত্রশিবিরকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে উৎকাত করার উদ্দেশ্যে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা নোমানীকে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করে।
শহীদ শরীফুজ্জামান নোমীনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের নিকট অতিপরিচিত একটি নাম। সদালাপী, বিনয়ী, সদাহাস্যজ্জ্বোল নোমানী মানব রক্তের নেশায় উম্মত্ত হিংস্র আওয়ামী হায়েনাদের বিষাক্ত নখরাঘাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কে শোক সাগরে ভাসিয়ে চির বিদায় নিলেন। মানব রূপী দানব খুনি সন্ত্রাসীরা সভ্যতার চরম উৎকর্ষতার যুগে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্মম বর্বরোচিত ভাবে হত্যা করে হীন মানসিকতার সূচনা করেছে। খুনিরা মনে করেছে নোমানীর মত তেজদীপ্ত ঈমানের অধিকারী ছাত্র নেতাকে হত্যা করে দ্বীন বিজয়ের আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দিবে। কিন্তু পৃথিবীর মানব সভ্যতার ইতিহাস ¯^v¶x যারা সত্য কে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজের জীবনের অমূল্য সম্পদ বিলিয়ে দেয়, তারা মরেও চির অমর। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বীন কায়েমের অতন্দ্র প্রহরীদের প্রাণের স্পন্দন যতদিন থাকবে ততদিন শহীদ নোমানীর সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস ¯^Y©vjx অক্ষরে অক্ষুন্ন থাকবে। শহীদ নোমানীর প্রতি ফোটা রক্ত মতিহারের সবুজ চত্বরে অভিশপ্ত ঘাতকদের প্রতি অভিশাপের তীর প্রতিনিয়ত নিক্ষিপ্ত হবে। সময়ের ব্যবধানে আবরো ছাত্র/ছাত্রীদের পদভারে মুখরিত হবে রাজশাহীর মতিহারের সবুজ চত্বর। রাজশাহীর আম্রকাননে পাখিদের কলকাকলিতে উদিত হবে ভোরের সোনালী আকাশ। দিনান্তে বলাকারা ফিরে যাবে নীড়ে, ছাত্র/ছাত্রীরা মুখরিত ক্যাম্পাস থেকে ফিরে আসবে ¯^-¯^ হলে। শুধু পাওয়া যাবেনা শহীদ নোমানীর হাসি মাখা প্রাণের স্পন্দন। জাগতিক নিয়মে এস.এম হলের ছাত্ররা তাদের চিরচেনা বন্ধুবাৎসল্য শহীদ নোমানীকে আর খুজে পাওয়া যাবেনা। মসজিদের মিনারে মোয়াজ্জিনের মধুর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে আজান, কিন্তু সেই নামাজের ইমাম শহীদ নোমানী আজ শুধুই মধুময় স্মৃতি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর কোন দিন কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সোনালী ¯^cœ নির্মাণের গান গেয়ে ফিরে আসবে না। প্রিয়তম বাবা মায়ের কাছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে সদা তৎপর শহীদ নোমানীকে আর দেখতে পাওয়া পাওয়া যাবে না মিছিলে মিটিংয়ে আর আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রসারিতে। নশ্বর এই মায়াময় পৃথিবীর জীবনের সমস্ত মায়াজাল ছিন্ন করে শহীদ নোমানী চলে গেছে না ফেরার দেশে মহান প্রভুর ডাকে। শহীদ নোমানী তাঁর বহুমুখী প্রতিভার গুনে ছাত্রসমাজের নিকট চির অমর হয়ে থাকবেন। যদিও জাগতিক নিয়মে শহীদ নোমানী আর কখনো ফিরে আসবেন না মতিহারের চিরচেনা প্রিয় ক্যাম্পাসে। কিন্তু শহীদ নোমানী মোমেনশাহী জেলার ফুলবাড়ীয়া থানার নিভৃত পল্লীর জান্নাতের বাগানে বসে প্রতি নিয়ত অনুভব করবেন তাঁর রেখে যাওয়া কালজয়ী আদর্শের ¯^v¶x প্রিয় ক্যাম্পাসকে।

হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর প্রিয় নেতা শরীফুজ্জামান নোমানীকে হত্যা আর অর্ধশতাধিক নেতা কর্মীকে মারাত্মক যখন করার মধ্যদিয়ে ঘটনার শেষ নয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে শিবিরের নেতা কর্মীদের শিক্ষাজীবন নষ্ট করার ষড়যন্ত্র চলছে। রাজশাহীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ অচল ফলে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষাজীবন ধ্বংসের পথে। এ অঞ্চলের গরীব মেহনতী মানুষের রুটি-রোজগারের পথ আজ রুদ্ধ, মন্দা শুরু হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। মানুষ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির ভয়ে আতঙ্কিত। এ পরিস্থিতিতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দলীয় সন্ত্রাসীদের পোষণের নীতি ত্যাগ করতে হবে, পুলিশকে রাজনৈতিক দলের নেজুড়বৃত্তি বন্ধ করে নিতে হবে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ।

আসুন এই ফ্যাসীবাদী হায়েনাদের কবল থেকে রাজশাহীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের রুটি-রোজগারের Aej¤^b ব্যবসা-বাণিজ্যকে রক্ষা করি। রুখে দাঁড়াই সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরুদ্ধে এবং সোচ্চার কণ্ঠে আওয়াজ তুলি, অবিলম্বে ১৩ মার্চ সংঘটিত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে, নোমানীর খুনীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে শিবির কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাস্তান ও বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ¯^v‡_© সাধারণ ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। আমরা বিশ্বাস করি “সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত, মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী।”

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৭
৪৮টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×