somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

মিশু মিলন

আমার পরিসংখ্যান

মিশু মিলন
quote icon
আমি বর্তমানে ইস্টিশন এবং সামহোয়্যার ইন ব্লগে লিখি। আমার সকল লেখা আমি এই দুটি ব্লগেই সংরক্ষণ করে রাখতে চাই। এই দুটি ব্লগের বাইরে অনলাইন পোর্টাল, লিটল ম্যাগাজিন এবং অন্য দু-একটি ব্লগে কিছু লেখা প্রকাশিত হলেও পরবর্তীতে কিছু কিছু লেখা আমি আবার সম্পাদনা করেছি। ফলে ইস্টিশন এবং সামহোয়্যার ইন ব্লগের লেখাই আমার চূড়ান্ত সম্পাদিত লেখা। এই দুটি ব্লগের বাইরে অন্যসব লেখা আমি প্রত্যাহার করছি। মিশু মিলন ঢাকা। ৯ এপ্রিল, ২০১৯।
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: শেষ পর্ব)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:১৫

বত্রিশ

কেশিনীর মামাতো ভ্রাতা সুনদের বিবাহ-উৎসবে যোগ দিতে বেণ, কেশিনী, মতঙ্গ আর পৃথু চারজন চারটে অশ্বে আরোহণ করে যাত্রা করে নিষাদপল্লীর উদ্দেশ্যে। বরাবরের মতো এবারও সুনীথা এবং হংসপাদাকে যেতে অনুরোধ করেন বেণ ও কেশিনী, কিন্তু কিছুতেই যেতে সম্মত হননি তারা। কিছুদিন পূর্বে কেশিনীর মামাশ্রী এবং মামী এসেছিলেন তাদের পুত্রের বিবাহের নিমন্ত্রণ... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩৬ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- আটত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৪৮

একত্রিশ

রাত্রে সভাগৃহে বহির্ষ্মতীর বীর যোদ্ধা ও ঘনিষ্ঠ সখাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নৃপতি বেণ খুঁটিতে হেলান দিয়ে জলভরা উদাসীন চোখে বলেন, ‘সঞ্জয়।’

হাত বাড়িয়ে সকলের মাঝখানের জলন্ত প্রদীপের সলতে বাড়াতে থাকা সঞ্জয় বেণের দিকে না তাকিয়েই বলেন, ‘বলো সখা?’
‘শেষ পর্যন্ত আমরা কি হেরে... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৩৬ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- সাঁইত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৬

ত্রিশ

বেণ নৃপতি হবার পর ব্রহ্মাবর্তের আর্যরা একবার মাত্র অনার্যদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে, তাও দেবপতি ইন্দ্রের নির্দেশে, বানরদের সঙ্গে। আর বেণ স্বাধীনতা ঘোষণার পরে অনার্যদের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ হয়নি, আর্যদের নিজেদের মধ্যেও বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী গোষ্ঠীসংঘর্ষ হয়নি। আর্যদের নিজেদের মধ্যে টুকটাক ঝগড়া গণ্ডগোল হয়, অনার্যদের মধ্যেও অন্তর্কোন্দল হয়। বেশিরভাগ... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩২ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- ছত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২৪ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৫৪

উনত্রিশ

বসন্ত-পূর্ণিমার দিন বর্ণিল পুষ্পসজ্জায় দেবায়ণীর আশ্রম যেন হয়ে ওঠে পুষ্পকুঞ্জ! নানা ধরনের, নানা বর্ণের পুষ্প দিয়ে আশ্রম সজ্জিত করে কন্যারা, তাদেরকে সহযোগিতা করে অদূরের কিরাতপল্লীর কিরাতরা। বৃন্দা কিরাত সর্দার খিমবুঙকে বলে রেখেছিল যে বসন্ত-পূর্ণিমার দিন দেবায়ণী দিদির বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে, তারা যেন পুষ্প আর পুষ্পমাল্য দিয়ে সহযোগিতা করে। আজ সাতসকালে... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩১ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- পঁয়ত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২২ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২২

আটাশ

ডানায় গাঢ় নীল রঙের মাঝে সাদার ছিটা দেওয়া বেশ বড় আকৃতির দুটো প্রজাপতি শুন্যে উড়তে উড়তে কখনো একটি আরেকটির কাছে আসে আবার কখনো দূরে সরে যায়, একটি উড়ে গিয়ে লতা কিংবা শাখায় বসলে আরেকটি গিয়ে সেটির ওপর বসে, ডানা ঝাপটায় কিছুক্ষণ, আবার উড়ে বেড়ায় দুটোতে, আবার কোনো লতার ওপর বসে!... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৩৭ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- চৌত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২১ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:০৮

সাতাশ

নৃপতি বেণের শান্তি প্রস্তাব মেনে নেওয়ার পর ব্রহ্মাবর্তের অনার্যদের জীবনে স্বস্তি আসে, আর তাঁর স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে গত কয়েক বৎসর অনার্যদের জীবনে অপার সুখের সুবাতাস বইছে, এমন শান্তিময় নিশ্চিন্ত জীবন তাদের ছিল না বহুকাল। শান্তি প্রস্তাবের আগে অনার্যদের প্রতিটা দিন কাটত আতঙ্কে, দিন শেষে ক্লান্ত শরীরে শয্যায় যাবার সময়... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৪৫ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- তেত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ২০ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৫৮

ছাব্বিশ

অপরাহ্ণে ঝরনার কাছে পাথরের ওপর উপবেশন করে উদাসীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ঋষি দেবায়ণীর হৃদ চরাচরে হাহাকার জাগানিয়া বাতাস বয়ে যায় আর সে-চরাচরের কোথাও এতটুকু রঙের ছিটেফোঁটাও যেন অবশিষ্ট নেই; নদী শুভ্র, আকাশ-মেঘ শুভ্র, বৃক্ষরাজি শুভ্র, তৃণভূমি শুভ্র, শুভ্র পুষ্পদামে অসংখ্য শুভ্র প্রজাপতির মেলা আর এমনও শুভ্রতার মাঝে অধিক শুভ্র... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩১ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- বত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১৯ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৮

পঁচিশ

দুজন নতুন মানুষের আগমনে বাটী পূর্বের চেয়ে অধিক কোলাহলপূর্ণ হবার পরিবর্তে আরো অধিক শান্ত হয়ে ওঠে অঙ্গ নিরুদ্দেশ হওয়ায়। অঙ্গ কোথায় আছেন তা কেউ জানে না, বাটীর কাউকে কিছু বলেও যাননি। এক রাত্রে তিনি বাটীতে না ফেরায় পরদিন প্রভাতে যখন খোঁজাখুঁজি শুরু হয় তখন মনু অঙ্গকে ডেকে নিয়ে বলেন, ‘তোমার... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ৫১ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- একত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:২৬

চব্বিশ

মানবদের কয়েকটি গোত্রের গোত্রপতি এবং তাদের অনুসারী কিছু মানুষ আগে থেকেই বেণের বিরুদ্ধে ছিল, গোপনে নানারকম চক্রান্ত করত, এখন তারা প্রকাশ্যে ব্রাহ্মণদের পক্ষে যোগ দিয়েছে। এমনকি বেণের নিজের গোত্রের কিছু মানুষও ব্রাহ্মণদের পক্ষ নিয়েছে, তারা মনে করছে- বেণ বাড়াবাড়ি করছেন, বেদ এবং মনুর বিধান অমান্য করলে ঈশ্বরের অভিশাপ লাগবে, দেবতাদের... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩০ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- ত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩৩

তেইশ

ব্রহ্মাবর্তে পূর্বেও যেমনি সূর্য উঠত, এখনো তেমনি ওঠে; পূর্বেও যেমনি বাতাস বইত, এখনো তেমনি বয়; পূর্বেও যেমনি মেঘ ভেসে বেড়াত, এখনো তেমনি বেড়ায়। কিন্তু সূর্যের আলো, বাতাস আর মেঘের অনুভূতি ব্রহ্মাবর্তের দুই শ্রেণির মানুষের কাছে এখন দুই রকম! এক শ্রেণি নৃপতি বেণের অনুগামী আর্য মানব ও বিভিন্ন অনার্য জাতি; এদের... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৩৫ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- উনত্রিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১৪ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:২২

বাইশ

নৃপতি বেণের বাটীর সীমানা প্রাচীরের বাইরে মানুষের ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে, বহির্ষ্মতী তো বটেই, বহির্ষ্মতীর দু-চার ক্রোশের মধ্যে থাকা ব্রহ্মাবর্তের অন্যান্য বসতি থেকেও কৌতুহলী মানুষ আসে। বহির্ষ্মতীতে ঘোষণার পূর্বেই বেণের নির্দেশে তিনজন ঘোষক ব্রহ্মাবর্তের অন্যান্য বসতিতে ঘোষণা করেন যে আজ অপরাহ্ণে নৃপতি বেণ ব্রহ্মাবর্তের স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন। ঘোষণা শুনেই পঙ্গপালের... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩৬ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- আটাশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১২ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৮

একুশ

মধ্যাহ্নের পর পর পুরুষেরা কেউ চাষের কাজ থেকে, কেউ পশুচারণ থেকে, কেউবা শিকার থেকে বাটীতে ফিরে স্নান সেরে আহারে বসে; আবার অনেকে আহার শেষ করে বিশ্রামরত; নারীরা গৃহকর্মে ব্যস্ত আর শিশু-কিশোররা নিজেদের মতো হই-হুল্লোর কিংবা খেলাধুলায় মত্ত; এমন সময় ঘোষকের ঢেঁড়া বাঁজতে শুরু করে। ঘোষকের ঢেঁড়া বাজানো মানেই নৃপতির পক্ষ... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৪৫ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- সাতাশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ১১ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৮

কুড়ি

‘কাকাশ্রী, দেখ দেখ আমার মাথায় কেশ নেই! হা হা হা……..! কী মজা, ছোট্ট বাবুদের মতো আমার মাথায় কেশ নেই, হা হা হা……! কাকাশ্রী, দেখ দেখ, আমার ডানহাতের তর্জনী আর মধ্যমা নেই, আমি আর কখনো তীর নিক্ষেপ করতে পারব না কাকাশ্রী, আর আর কখনো কন্যাদের অস্ত্রশিক্ষা দিতে পারব না, ব্রাহ্মণরা তো... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩০ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- ছাব্বিশ )

লিখেছেন মিশু মিলন, ১০ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩৫

উনিশ

‘বিচা…..র, বিচা….র, বিচা…র; কঠিন বিচার। স্ত্রীলোক হয়ে অবিবাহিত কন্যার সতীত্ব নষ্ট করার অপরাধের বিচার। নকুলের জ্যেষ্ঠকন্যা এবং সত্যবাকের জ্যেষ্ঠ স্ত্রী অনূকার বিরুদ্ধে আজ অপরাহ্ণে বিচার বসবে নৃপতির সভাগৃহে। বিচা…..র, বিচা….র, বিচা…র, কঠিন বিচার….।’

বহির্ষ্মতীতে ঢেঁড়া পিটিয়ে বিচারের সংবাদ ঘোষণা করেন প্রৌঢ় ঘোষক পূর্ণভূষণ। অবশ্য তার নিজের নামটি ঢাকা পড়ে... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩৭ বার পঠিত     like!

দেবদ্রোহ (উপন্যাস: পর্ব- পঁচিশ)

লিখেছেন মিশু মিলন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৪৯

আঠারো

অনূকা যেদিন নদীর ঘাটে শশীয়তীকে প্রথম দেখে, সেদিনই তার হৃদয়ে প্রেমের মৃদুমন্দ অনুরণন শুরু হয়; তারপর শশীয়তী যখন ওর ছোট ভগিনী শিক্তাকে নিয়ে আশ্রমে আসতে শুরু করে, নিজের আগ্রহেই আশ্রম ঝাঁট দিয়ে ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার আর ছোট-খাটো নানা কাজে অনূকাকে সহায়তা করতে শুরু করে, তখন ওর আচার-ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে অনূকার হৃদয়ের... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৩৮ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৭১৬৯৮ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ