somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারত ভিসার ই-টোকেন ভেল্কি

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশস্থ ভারতীয় দূতাবাস থেকে বারবার বলা হচ্ছে- ভারতের ভিসার ই-টোকেন পূরণ ও ভিসা সংক্রান্ত কোন কাজে দালালের কাছে না যাওয়ার জন্য। পাশাপাশি ভিসা প্রার্থীদের উপদেশ দেওয়া হচ্ছে- এসব দালালদের সাথে কোন প্রকারের টাকা লেনদেনে জড়িত না হতে। এমনকি বলা হয়েছে- এই সংক্রান্ত তথ্য কারো জানা থাকলে তা পুলিশে জানিয়ে দিতে।

আইনত দূতাবাসের এই আহ্বান সঠিক ও ন্যায্য। এসব দালালদের পুলিশেই ধরিয়ে দেওয়া উচিত বলে আমিও মনে করি। কারণ তারা অনেক অঘটনের নায়ক। কিন্তু মানুষ বা একজন ভিসাপ্রার্থী তখনই দালালের কাছে যায় যখন সে সহজ পথে নিজের কাজটা করতে পারে না বা জটিলতার সম্মুখীন হয়। আর এমন নয় যে দালালরা ফ্রি সার্ভিস দেয়? একজন মানুষকে গাঁটের টাকা খরচ করেই এদের কাছ থেকে সার্ভিসটা কিনতে হয়। তাহলে বাংলাদেশের মানুষ কেন তাদের কাছে যায়? আসুন এটা নিয়ে আমরা কিছু তথ্য প্রমাণসহ আলোচনা করি-

সত্যি বলতে কি, আমি গত ২০-২৫ দিন ধরে ভারতের ভিসার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ রেডি করে ই-টোকেন পূরণ করতে যেয়ে পড়লাম ফ্যাসাদে। নিজহাতে ফর্ম পূরণ করে কিছুতেই Appointment Date পেলাম না। পর পর কয়েকদিন ব্যর্থ হয়ে রাস্তার মোরে সাইন বোর্ড দেখে গেলাম একটা কম্পিউটার সেন্টারে; সেখানে একটা ছেলের সাথে চুক্তি হলো- সে আমাকে ডেট পাইয়ে দিবে শর্তে। আইনত এটা অপরাধ; আমি তা স্বীকার করছি কিন্তু আমি অপারগ কারণ নিজে ব্যর্থ হয়েছি আর তাদের মাধ্যমেই কিছু কিছু ভিসা প্রার্থীকে তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত Appointment Date টা পেতে দেখছি চোখের সামনে, দেখলাম দরদামও।

আমার একটা বিশেষ স্বভাব আছে; সেটা হল- আমি খুব দ্রুত মানুষের সাথে মিশে যেতে পারি, তারা সমাজের যেকোন স্তরেরই হোক না কেন? আর মানুষও আমাকে খুব দ্রুত বিশ্বাস করে। এতে ভাল মন্দ দুই ফলই পাওয়া যায়। সেই কম্পিউটার সেন্টার থেকেই আমি এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরু করলাম, তারপর আমার সর্বদা উৎসুক মন আরও অনেক তথ্য খুঁজে পেলো ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে যার পুরোটা এখনো প্রকাশ করিনি। যাকগে সেসব কথা- এখানে বলে রাখি আমার সেই ছেলেটাও কিন্তু ডেট পায়নি এখনো! আজ প্রায় ১৫ দিনে যাচ্ছে।

দূতাবাসের উপদেশ ও আমার আগের পোষ্টে করা আমাদের প্রিয় ব্লগার এলডোরাডো ভাইয়ের মন্তব্য/উপদেশ মোতাবেক গত ২২ ডিসেম্বর রাতে ল্যাপটপ পাশে নিয়ে শুলাম আর একটু পর পর চেষ্টা চালালাম নতুন পূরণ করা ই-টোকেনে Appointment Date ফেলাতে। বহুবার চেষ্টা করেও ফেল মারলাম। ভোরের দিকে আবার সার্ভারও ফেল দেখলাম।

আজ, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের রাত ৯ টায় শুরু করলাম আবার, দেখা যাক কি হয়-

এখন থেকে আর কথা হবে না; হবে স্ক্রিনশট; বন্ধুরা গ্যালারিতে বসুন এর ভেল্কি দেখতে আর বুঝতে থাকুন মানুষ কেন দালালের কাছে যায়? আমি আজ সারারাত অনলাইনে থাকবো আর আপডেট দেবো। ওকে?

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন >>>
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×