বিএনপির সিনিয়র যুগ্গ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের ব্যবসায়িক পার্টনার ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ড্রাইভারসহ আটক করেছেন সেনাসদস্যরা। বৃহসপতিবার ধানম-ির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় । মামুন আটক হওয়ার পর সাবেক সরকারের একজন প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী হাওয়া ভবনে গিয়ে বিষয়টি বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে জানান। তাকে আটকের পর সেনা গোয়েন্দারা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে জানা গেছে। এর আগে গত 12 জানুয়ারি সেনাসদস্যরা ডিওএইচএসের নিজ বাসা থেকে মামুনকে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পর মামুন আদালতে গিয়ে তাকে মামলা ছাড়া গ্রেফতার বা হয়রানি না করার আদেশের আবেদন জানালে আদালত সে আদেশ দেন। ওই দিনই জরুরি অবস্ট্থা চলাকালে মৌলিক অধিকার সংত্রক্রানস্ন সব মামলার কার্যত্রক্রম স্ট্থগিতের আদেশ দেওয়া হয়। নতুন কোনো মামলাও আর জরুরি অবস্ট্থাকালে নেওয়া যাবে না। এ অবস্ট্থায় মামুনের ব্যাপারে আদালতের দেওয়া আদেশ অকার্যকর হয়ে পড়ে।
সেনাবাহিনীর সদস্যরা বৃহসঙ্তিবার ভোররাতে রাজধানীর গাবতলী ও মহাখালী থেকে ছাত্রদলের 5 কেন্দ্রীয় নেতাসহ মোট 6 জনকে আটক করেছে। এ সময় এদের কাছ 37টি পাসপোর্ট উদব্দার করা হয়। এদের বিরুদব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামঙ্াস এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সেনাসদস্যরা ভোররাতে গাবতলী বাসসদ্ব্যান্ড থেকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদুল মাল্পম্নান ফরহাদ, সামসুজ্জোহা সুমন ও ছাত্রদল ক্যাডার মুরাদ হোসেন মুহিনকে আটক করেন। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ অনুযায়ী মহাখালী থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য নুরুজ্জামান মোঃ মুকিত লিংকন ও এফ রহমান হলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আজমকে আটক করা হয়।ক্যামঙ্াস সহৃত্রে জানা গেছে, দিনের বেলায় এরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ক্যান্টিন ও অলস চত্দ্বরে আড্ডা দিত। আইবিএ গ্যারেজে বসে প্রকাশ্যেই তারা ফেনসিডিল সেবন করত। সল্পব্দ্যা নামতেই মোটরসাইকেলে করে এরা নেমে টিএসসি, চারুকলা ইনসদ্বিটিউটের সামনে, দোয়েল চত্দ্বর এলাকায় ছিনতাইয়ে নেমে পড়ত। ছিনতাই করে অনেক সময় এরা দ্রুত মধুর ক্যান্টিনে ঢুকে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে মিশে যেত। এরই সঙ্গে হলের ক্যান্টিন বয় ও ক্যামঙ্াসের টোকাইদের দিয়ে ফেনসিডিল আনা-নেওয়ার কাজ করত। ক্যামঙ্াসের ভ্রাম্যমাণ ফাসদ্বফুডের দোকান ও চায়ের দোকানে ফাও এবং চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। টিএসসিতে বিলবোর্ড টানানোর জন্য বিভিল্পম্ন বিজ্ঞাপনী সংস্ট্থার লোকদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গভীর রাতে সহৃর্যসেন হল ও জিয়া হলের কয়েকটি নির্দিষদ্ব কক্ষে এদের জুয়ার আসর বসত।
ওই সময় এদের বিরুদব্দে পত্রপত্রিকায় একাধিক রিপোর্টও হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কর্তব্যরত গোয়েন্দা সংস্ট্থার কাছেও এদের অপকর্ম সমঙ্র্কে রিপোর্ট ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


