somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Diary of a Wimpy (!) Kid !!!!!

১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার আগে ধারণা ছিল বুড়া হইয়া গেলেই মানুষ স্মৃতিচারণ করে, পিছনে ফিরে ফিরে তাকায় ! আমি কিন্তু স্মৃতিচারণ করি অনেক কাল আগে হইতেই ! আমার শৈশব শেষ হলে ভীষণ কষ্ট পাইয়াছিলাম ! খুব শৈশব স্মৃতি রোমন্থন করিতাম ! কৈশোর শেষ হলেও কষ্ট পাইয়াছিলাম ! ইস্কুল জীবনের স্মৃতি আজও জলজল করে ! প্রায়ই সে জীবনের জাবর কাটি !

আমার শৈশব কাটিয়াছে মফস্বলে, ক্ষুদ্র এক শহরে ! রাজধানীতে , বড় শহরে বসবাস করিয়া একথা নিঃসন্দেহে বলিতে পারি মফস্বলে বাস করার মতন আনন্দ, আয়েশ আর কোথাও নাই ! রাজধানীর কোলাহল নাই , ঠাঁই ঠাঁই নাই দম বন্ধ হয়ে আসে অমন অবস্থা নাই , আবার গ্রামের প্যাচপ্যাচে কাদা , দলাদলি-গলাগলি , মোড়লদের একঘরে করার চোখ রাঙানি, অবিচার , অনিরাপত্তাও নাই !! সমাজ আছে , তবে সমাজের বাঁধন বড় শহরের মতন আলগাও নহে যে পাশের বাসায় কে মারা গেল তাহা মসজিদের ঘোষণায় শুনিতে হয়, আবার এতো শক্তও নহে যে দলাদলিতে না থাকিলে কেহ আউগাইয়া আসিবে না, বিবাহ-শাদীতে সাহায্য পাওয়া যাইবে না !

আমার শৈশব কাটিয়াছে কলোনিতে ! বাবার চাকুরীর সুবাদে ওখানেই জন্ম ! বিরাট এক কলোনি ! বিশাল জনগোষ্ঠী ! তাই শৈশব কাটিয়াছে, এক দঙ্গল ছেলেমেয়ের মাঝে ! খুব-দুরন্ত , ডানপিটে শৈশব ! কাছাকাছি বয়সের প্রায় ৪০/৫০ জন ছেলেমেয়ে ছিলাম আমরা ! বড়রা সংখ্যায় আরও বেশি ছিল! আমাদের মধ্যে ল্যাদা পোলাপাইন হইতে শুরু কইরা আবালের দপ্তর হইতে নাম কাটা যাইতেছে এমন ইঁচড়ে পাকাও ছিল !!! আমরা ছিলাম খোদার খাসি , ধর্মের ষাঁড়, দেশি মুরগি মতন স্বাধীন , চইড়া খাওয়া ; এখনকার ব্রয়লার প্রজন্মের মতন খাঁচায় আবদ্ধ নহে ! আমরা দুরন্ত ছিলাম সন্দেহ নাই , তবে আমাদের মায়েদের মানুষ করিতে কষ্ট হয় নাই ! আমরা নিজেরাই একটা কমিউনিটি ছিলাম , দল বেঁধে ইস্কুলে যাইতাম , ফিরিতাম ! মায়েদের গিয়ে ইস্কুলের সামনে বসিয়া সোয়েটার বুনিতে হইতো না ! সময়মতন ঘুম হইতে ওঠা, খাওয়া , গোসল , বিকেলে খেলা , সন্ধ্যায় ঘরে ফেরা ,পড়তে বসা অতঃপর রাতের খানা খাইয়া ঘুম এই ছিল আমাদের প্রাত্যহিক রুটিন ! বাবাদের কদাচিৎ দেখা যাইতো !



আমাদের সবাই একই কমুনিটির সদস্য ছিল বলিয়া কেহই খুব একটা ধনী ছিল না , তবে সচ্ছল ছিল ! তাই সামাজিক সম্মান, আত্মমর্যাদাটুকু রাখা যাইতো ! তবে এখনকার পোলাপাইনের মতন চাহিবামাত্রই কোনকিছু পাইবার উপায় ছিল না ! আত্মমর্যাদাসহ চাহিদার সীমা কতটুকু তাহা শৈশবেই শিখিয়া লইতে হইতো ! সীমা অতিক্রম করিলে উত্তম-মধ্যম খাইতে হইবে তাহা বিলক্ষণ জানা থাকিত ! তাই চাহিদাও সীমার মধ্যেই থাকিত !

একেকটি পরিবারের আয়তন মাশাল্লাহ রাবনের গুষ্ঠি না হইলেও ক্রিকেট টিমের অর্ধেক তো হইতই ! তাই এক বা দুই সন্তানের আদিখ্যেতা দেখানোর সময় -সুযোগ মায়েদের ছিল না ! কাজের লোক সহজে পাওয়া গেলেও মায়েরা ঘরে প্রচুর কাজ করিতেন ! রান্নাতো নিজেরাই করিতেন ! টিভি থাকিলেও দেখার ফুসরত, আগ্রহ কমই মিলিত ! সিরিয়াল বা কার্টুন তেমন একটা ছিল না বিধায় টিভির সামনে বসিয়া কুটনামি আর পরকীয়ার কৌশল শেখার সুযোগ যেমন ছিল না তেমনি ছিল না পোকেমন বা ছোটা ভীম দেখিয়া খেলনা কেনার বায়না বা হিন্দি বাত শেখার অপপ্রয়াস ! ! খাওয়া , পড়া আর ঘুম এই তিন সময় ছাড়া বাকি সময় আমাদের কলোনিতে খেলাধুলা , দুরন্তপনাতেই কাটিয়া যাইতো !! ফুটবল, ক্রিকেট , ব্যাডমিন্টনের পাশাপাশি , চোর-পুলিশ , ছি-বুড়ি , গাদন (ব্যাডমিন্টন কোর্টে খেলিতে হইতো), চুড়িপোতা , খেলনাপাতি, কুমির তোর জলকে নেমেছে ; খেলার শেষ নাই ! খেলতে খেলতে আজান শুরু তো খেলা ভঙ্গ, বাড়ি ফেরা ! ঠিক যেন দিন শেষে সন্ধ্যাবেলায় পাখিদের ঘরে ফেরা ! সন্ধ্যায় পড়তে বসা রেগুলার রুটিন ছিল ! সারাদিন খেলার পর পড়তে বসলে যে ঘুম আসিত আমার মনে হয় এখনকার ব্রয়লার প্রজন্ম আত্মহত্যার জন্য মায়া বড়ি খাইলেও সে ঘুম পাইবে না !!

কমিউনিটি যেহেতু একই ধরণের ছিল আমাদের ভাষা, শিক্ষা ,নৈতিকতা প্রায় একই রকম ছিল ! মারামারি, দুরন্তপনা সবই থাকিলেও আশ্চর্যরকমভাবে গালি ছিল নিষিদ্ধ ! হইতে পারে আমাদের মাঝে মেয়েরাও থাকিত বিধায় গালি নিষিদ্ধ ছিল অথবা বড়ভাইদের কড়া নজরদারিতে থাকিতে হইতো বিধায় কাহারও সাহস হইতো না ! কাহারও মুখে শোনাই যাইতো না , গেলে রক্ষা নাই ! অথচ কলোনি হইতে বাহির হইলেই ভিন্ন পরিবেশ। যেসব গালি সেখানে শুনিতাম তাহার অর্থ আমরা তো বুঝিতামই না , যাহারা বলিত তাহারাও বুঝিত কিনা আমার সন্দেহ আছে, কারণ বোঝার বয়সই তখনও হয় নাই ! তবে না বুঝিয়াও বা গালির অর্থ উপলব্ধি না করিয়াও যে গালি হরদম ব্যবহৃত হয় তাহা ঢাকায় আসিয়া বুঝিতে পারিয়াছিলাম !


যাইহোক , কলোনির বাহিরে কিছু দরিদ্র এলাকা ছিল , ছিল বিহারীদের বাসস্থান ! বাঙালিদের যে গালিগুলো শুনিতাম সেগুলোর মিনিং একসময় জানা হইয়া যাইতো ,কিন্তু বিহারীদের হিন্দি/উর্দু গালিগুলো কিছুতেই জানিতে পারি নাই বিধায় একসময় মন থেকেই হারিয়ে যায় !! তবে অর্থ খুব জঘন্য ছিল নিশ্চিত, দুয়েকজন বিহারি বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করিলে বলিত না , চোখ টেপাটেপি করিয়া হাসিত, খুব রাগ হইতো ! বিহারিরা ছিল সাংঘাতিক মারকুটে , ডানপিটে ! নিজে ওস্তাদ হইলেও তাহাদের এড়াইয়া চলিতাম ! একেকজন বয়সে অনেক বড় ছিল ! এক বন্ধু ছিল টুকু ! খুব একটা ঘনিষ্ঠতা ছিল না যদিও ! একবার অনেকদিন পরে দেখা হইলো। দেখি , টুকু প্লাটফর্মে পান-বিড়ির দোকান দিয়াছে !

বলিলাম, কেমন আছিস !

আছি ! পাকিস্তানে যাওয়ার চেষ্টায় আছি ! দুইবার কাশ্মীর বর্ডারে গিয়ে ফেরত আসছি ! টুকু উত্তর দেয় !

আমাকে ওর ভাইয়ের বিয়ের ছবি দেখাইলো ! ভীষণ অবাক হইয়াছিলাম !! বিশ্বাস করিতে মন চায় না , বলিউডের নায়িকারাই এমন সুন্দরী আর অভিজাত হইতে পারে !! আমি তব্দা খাইয়া গেলাম ! ওর ভাইকে চিনিতাম , আমাদের ৪/৫ বছরের বড় হইবে। পাড়ায় মাস্তানি করিত ! হঠাৎ কোথায় যেন গায়েব হইয়া গেল ! সেই ভাইয়ের এই অবস্থা ! ছবিখানা ভালো করিয়া দেখিয়া বলিলাম, তোর ভাই নিশ্চয়ই এমকিউএম (মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট )এর টপ ক্লাস ক্যাডার হইবে ! নাইলে এমন অবস্থা কিভাবে হইবে !! ও হাসে ! জিজ্ঞেস করিলাম, তুই যাস না কেন ?
আর কইস না দোস্ত , পাকিস্তান ভয়ানক কড়াকড়ি করিতেছে। আমার মামা পাক আর্মির বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ! সেও নিতে পারিতেছে না ! মনে মনে ভাবিলাম চিত্তরা চলে গেছে, তোরাও তাড়াতাড়ি যা ! আমরা বাঙালিরা নিজেরা নিজেদের ইয়ে মারামারি করি !! আর কোনদিন টুকুর সাথে দেখা হয় নাই ! কোথায় আছে কে জানে !

সে যাক গা ! প্রসঙ্গে আসি ! কলোনিতে গালি বা অশ্লীল ছড়া আহরণের কোন সুযোগই ছিল না ! ছিল বাহিরে , আর ছিল ইস্কুলে !!! হ্যা ইস্কুলেই ! সুশিক্ষা আর কুশিক্ষা যেন হাত ধরাধরি করিয়া চলে ! আজিব ! শুনিয়াছি ক্যাডেট কলেজের পোলাপাইন সেইরাম উচ্চমার্গীয় গালি শেখে !! বড়ভাইদের মুখে একাডেমিগুলোর কিছু স্বর্গীয় (!) গালি শুনিয়াছিলাম যাহা শুনিলে নরকে যাইতে ইচ্ছা হইবে !! ইংরেজি পরিবেশেও দেখিয়াছি ! তাহাদের গালিগুলোও রাজকীয় , শ্রুতিমধুর মনে হয় , জাতের গালি মনে হয় !!! আর উহাদের জারজ সন্তান মেরিকানদের তো কথাই নাই ! ইনফরমাল পরিবেশে উহারা গালি ছাড়া বুঝি বাক্য পুরা করিতে পারে না !

আইচ্ছা যাউক !! মেরিকানরা কি শিখিল, কি বলিল তাহা দিয়া আমার কাম কি ? আমরা অবশ্য গালি না শিখিলেও ছড়া বানানো , প্যারোডি বানানো কেমতে যেন শিখিয়া লইয়াছিলাম !
তখন একেবারেই ল্যাদা যদিও ! তারপরও কেন জানি মনে আছে ! সেসময় "মিস শ্রীলংকা" নামে একখানা ছবি খুব হিট হইয়াছিল , ববিতা আর ফয়সালের ! উহাতে একখানা গান ছিল
"চুরি করেছে আমার মনটা
হায়রে হায় মিস লঙ্কা "

ইস্কুলে গিয়া ইহা হইয়া গেল
"চুরি করেছো আমার প্যানটা
হায়রে হায় আমি ন্যাংটা !!"

ইহা অবশ্য ইস্কুলেই গাওয়া হইতো , কলোনিতে গাওয়ার সাহসই হইতো না !

এবার আসি এই পোস্টের জন্মকাহিনী লইয়া। কবিতা , ছড়া , গান এগুলো আমার ডোমেইনই নহে ! কোন এক বিচিত্র কারণে আমার মুখস্ত শক্তি খুবই দুর্বল ! মনে রাখিতে পারিনা বিধায় সব জিনিস নোট করিতে হয় ! মাগার গান আমার খুব দ্রুত মুখস্ত হইয়া যায় ! এমনকি একবার শুনিলে মাথার ভিতরে বাজিতে থাকে, কথাগুলো ঘুরিতে থাকে ! তাই পারতপক্ষে গান শুনিনা ! ছেলেবেলার অনেক গান ,প্যারোডি আমার আজও মনে আছে !

আমি সাধারণত জন্মদিন-মৃত্যুদিন এগুলো পালন করিনা , কাউকে উইশও করিনা ! ফেসবুকে হঠাৎ আমার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বন্ধুর ছাত্র তাহার জন্মদিনে উইশ কইরা পোস্ট দিয়াছে দেখিয়া আমার একখানা ছড়া মনে আসিল , বোধহয় জেসনের সঙ্গদোষেই............

আজি এই দিনে
এসেছিলে তুমি জানি,
হেসেছিলো সবাই
ছেড়েছিলে তুমি পানি !!

দেখাদেখি একই ছড়ার আরও দুইটি ভার্সন মনে আসিল !

আজি এই দিনে
এসেছিলে তুমি
হেসেছিলো সবার মনটা,
শুধু দাঁড়িয়েছিল
তোমার ঘন্টা !!

আজি এই দিনে
এসেছিলে তুমি এই ধরায়ে ,
বসেছিল সবাই তোমায় ঘিরে,
তোমার লিলিপুট ছিল দাড়ায়ে !!

ভাবিলাম দোস্তের টাইমলাইনে ছড়া তিনটি ছাড়িব ! পরক্ষনেই মনে হইলো আমার নিজের শিক্ষকেরাও ওখানে আছে, পোলাপাইন তো আছেই ! মহা গ্যাঞ্জাম লাগিয়া যাইবে ! দোস্তের ইজ্জতের সাথে সাথে আমার ইজ্জতও পাংচার হইয়া যাইবে ! ভাবিলাম ইনবক্সে দিয়া দেখি প্রতিক্রিয়া কি হয় ! ইনবক্সে প্রথমটা দিতেই দোস্তের মাথায় প্যাচ লাগিয়া গেল !! এখন বাকি ছড়াগুলো নিয়ে কি করি ? জেসন তো ভাবিয়া পায় নাই ! আমি কিন্তু ভাবিতেই পাইয়া গেলাম, মনের মধ্যে অসংখ্য স্মৃতি জমা হইলো ! তাই পোস্ট দিয়াই ফেলিলাম !

টা টা , বাই বাই !

(জেসনের জন্মদিনে ছড়াগুলো জেসনরেই পাঠামু নাকি ভাবতাছি !! ওর সঙ্গদোষেই লোহা ভাসার মতন টারজানও ভাসিতেছে কিনা !!!)


সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উপলব্ধি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮



আমি সুখী, কারন আমার সাথে কেউ দুর্ব্যবহার করলে আমি অতি দ্রুত ভুলে যাই। শুধু ভুলে যাই না, দেখা যায় তার সাথে গলায় হাত দিয়ে চা খাচ্ছি। গল্প করছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

“এখানে এক নদী ছিলো” সাম্প্রতিক বন্যা নিয়ে একটি হুতাশন ...........

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১৬ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭


ছবি - বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতোলা গ্রোইন পয়েন্টে যমুনা.......

ছোটবেলায় দেখেছি, পাঁচ সাত দিন একনাগাঢ়ে প্রায় সারা দেশ জুড়ে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত হয়ে চলেছে। থামার কোনও বিরাম নেই। তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালোবাসার অপর নাম রোহিঙ্গা HIV AIDS & HBSAg+

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৩৫



আনন্দ সংবাদ: বর্তমান পৃথিবীর সর্ববৃহত্তম রিফিউজি ক্যাম্প বাংলাদেশে

ইয়াবা ফেক্টোরীর কারীগরদের মানবতার দোহাই দিয়ে বাংলাদেশে আমদানী করা হয়েছে। দক্ষ কারীগরদের নাম রোহিঙ্গা। কারীগররা দয়ার সাগর ভালোবাসার সাগর তারা খালি হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এক লোকমা

লিখেছেন আর্কিওপটেরিক্স, ১৭ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৩৭


কোনো এক রৌদ্রস্নাত দুপুর। সাদামাটা একটি বাড়ির কোনো এক ঘর।
প্লেট ভর্তি ভাত। সাথে সবজি এবং ডাল। এক লোকমা ভাত কেবল মুখে দেওয়া হয়েছে। দরজায় ঠক ঠক।

কে?
আমরা।
আমারা কে?
তোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি পেয়েছি! মুক্তির স্বাদ! স্বাধীনতার স্বাদ! আপনি?

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৭ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

মুক্তির মন্দিরে সোপানো তলে
কত প্রাণ হলো বলিদান
লেখা আছে অশ্রুজলে . . . .

সামুর স্বাধীনতা হরণের পর সামুরিয়ানদের এমন কত শত সহস্র, অজস্র বলিদান, কষ্টের অশ্রু, ব্যাথার কাহিনী তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×