somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার আজাইরা পোস্ট : কিছু উদ্ভট আইডিয়া !

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক. হাউজিংয়ে আমাদের রাস্তার বাসাগুলোয় গত দুই বছর ধরিয়া পানি সংকট ! আপ্যার্টমেন্টের ম্যানেজমেন্ট কেমতে জানি আরেকখানা লাইন বাইর কইরা সমস্যা সামলাইয়াছে ! সেসময় দেখিয়াছি পানি লইয়া হাহাকার ! গাড়ি গাড়ি পানি কিনিয়াও সামলানো যায় না ! অবস্থা দেখিয়া আমার অলস মনে পানির অপচয় রোধে কিছু আইডিয়া আসিল ! ভাবিলাম ব্লগের অলস মস্তিস্কওয়ালাদের সাথে শেয়ার করি ! বলা যায় না , কেউ হয়তো আইডিয়া কামে লাগাইয়া জোকারবার্গ হইলেও হইতে পারে ! জোকারবার্গ হইলে কিন্তুক আমারে কমিশন দিতে হইবেক :

১. একদা কাদিয়ানী অফিসে বসিয়া মহা গুরুত্বপূর্ণ কর্ম সারিতেছি। হঠাৎই মাথার মইধ্যে আইডিয়া ফ্লাশ করিল ! আরে , ইয়ে সারিয়া তো ব্যাফক পানি খরচ করিতে হয় ! আচ্ছা , এই ফ্লাশের পানি তো বিশুদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন নাই ! পানি হইলেই চলে ! এমন করা যায় না যে ওয়েস্ট ওয়াটার হিসাবে টয়লেটে, রান্নাঘরে, বেসিনে যে পানি খরচ করা হয় সেগুলোই যদি সংরক্ষণ কইরা যদি ফ্লাশের পানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাহা হইলে বিপুল পরিমান পানি পুনঃব্যবহার হইবে। বিপুল পানি বাঁচিয়া যাইবে ! ওয়েস্ট ওয়াটার তো অনেক ভাবেই ব্যবহৃত হয় ! তবে এইসব পানি যদি আলাদা ট্যাঙ্কে সংরক্ষণ করিয়া ডাইরেক্ট ফ্লাশে দেওয়া যায় তাইলে কাম হইবেক !

২. প্রতি বছর কৃষিকাজে সারের ব্যাপক ব্যবহার হইয়া থাকে ! সারের প্রধান উপাদান হইলো ইউরিয়া ! ইহা ছাড়া গোবর হইতে জৈব সার তৈরী করা যায় ! তাইলে মনুষ্য ইউরিয়া, ম্যানডাং হইতে রাসায়নিক সার, জৈব সার তৈরী করা যাইবে না কেনু ? ইস্কুল , কলেজ, বাস, লঞ্চ টার্মিনাল, স্টেশন , বাসাবাড়িতে যেই পরিমান মনুষ্য বর্জ্য উৎপাদিত হয় তাহা দিয়া ইউরিয়া, জৈব সার তৈয়ার করা গেইলে বিদেশ হইতে সার উৎপাদন করিতে হইবে না , সার কারখানায় বিপুল পরিমান বিদ্যুৎ দিতে হইবে না , কৃষকরে স্বল্প পয়সায় বা বিনামূল্যে সার সরবরাহ করা যাইবে ! ইতোমধ্যে খবরে পড়িয়াছিলাম ব্রিটিশ জাতি ম্যানডাং কাজে লাগাইয়া বায়োগ্যাস উৎপাদনের প্লান্ট বানাইয়াছে ! তাই এই আইডিয়া অবাস্তব নহে ! তাহা ছাড়া মানুষ ব্যাতিত অন্য প্রাণীর ইয়ে যদি মূল্যবান হইতে পারে তাইলে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের ইয়ে মূল্যবান হইবে না ইহা হইতারেনা !

খ. প্রতিদিন ফজরের পর হইতেই ব্যস্ততা শুরু হইয়া যায় ! কামলা দিতে যদিও পরেই যাই ! চিপাচাপা দিয়া মাঝে মাঝে ফাঁকি দিয়া গোল মারিতে পারিলেও মাঝে মাঝে গোল মিস হইয়া যায় ! জ্যামে বসিয়া হঠাৎ কইরা একদিন মাথায় প্ল্যান আসিল ! আচ্ছা জ্যাম দূর করিয়া সবুজ সুফলা শহর তৈরী করা যায় কিনা ! তাহাতেই আইডিয়া প্রসব করিল :

১. এমন একটা শহর গড়িয়া তোলা যায় কিনা যাহার রাস্তা হইবে আসমানে, মানুষ থাকিবে নিচে ! মন বলিল, কেন , ফ্লাইওভার, মেট্রোরেলতো আছে ! উহু উহা দ্বারা হইবে না ! তাইলে ? এমন একটা শহর গড়িয়া তুলিতে হইবে যে শহরের বিল্ডিংগুলো সব একবিঘা জমিতে হইবে ! প্রত্যেক বিল্ডিং এর চতুর্পাশে কমপক্ষে একবিঘা জায়গা খালি রাখিতে হইবে ! বিল্ডিঙগুলোর ভিত ফ্লাইওভারের চাইতেও মজবুত হইবে ! বিল্ডিংগুলো যেহেতু একই উচ্চতার হইবে তাই এক বিল্ডিং হইতে ওপর বিল্ডিঙের সংযোগ রাস্তা করিলেই বিরাট , বিস্তীর্ণ ফ্লাইওভার পাওয়া যাইবে ! বিশাল চওড়া , অসংখ রুট থাকায় জ্যাম লাগিবে না ! নিচ দিয়া কোন যানবহন চলিতে পারিবে না ! উহাতে বাগান , পার্ক হইবে ! খেলার ময়দান থাকিবে ! টারজান ও তাহার প্রজাদের জন্য জঙ্গলও থাকিবে ! স্বাভাবিক প্রয়োজনে মানুষ নিচে হাঁটিবে , যাতায়াতের প্রয়োজন হইলে আসমান দিয়া যাইবে !! মজা না ?

২. খিয়াল কইরা দেখিলাম, শহরে জ্যামের প্রধান কারণ ইস্কুল, কলেজ , অফিস , ইন্ডাস্ট্রি, সরকারি অফিস, কর্পোরেট টাইমের শুরু এবং শেষ ! সবার শুরু এবং শেষের টাইম ডিস্ট্রিবিউট করিয়া দিলে জ্যাম কমিয়া যাইবে। শুরু এবং শেষ এমন হইতে পারে :




আফনারা কি কন মেবাই ?

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৮
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- ১৩৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০২



১। আমাদের দেশের মানুষের অল্পতেই চোখে জল আসে, বিশেষ করে মেয়েদের । এই দেশটা আসলেই বড় বিচিত্র, প্রাকৃতিক দৃশ্যে, সম্পদের উপকরনে, মানুষের স্বভাব এবং চরিত্রে । তাই তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বইমেলা এবং ফেসবুক সেলেব্রিটিদের লেখক হয়ে উঠার দৌড়ঝাপ।

লিখেছেন প্রফেসর সাহেব, ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১০

যেকোনো শিল্পের বিকাশে বা বিলয়ে কালচারাল কনজুমারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে উন্মার্গগামী শিল্পকে সঠিক পথে আনতে একদল রুচিশীল পাঠক/শ্রোতা/দর্শক অকল্পনীয় ভূমিকা রাখেন। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ঠিক তার উল্টোটাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জরাথ্রুষ্টবাদঃ পারস্যর বা মধ্য এশিয়ার প্রথম একেশ্বররবাদী ধর্ম

লিখেছেন শের শায়রী, ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩০



রহস্যময় জরাথ্রুষ্ট। গ্রীক উপাখ্যানেও তার নাম আছে, জরাথ্রুষ্ট নামের অনেক অর্থ আছে, প্রাচীন পার্সিয়াবাসী তারা নামের অর্থ করেছিল “উটের পিঠে আরোহী বার্তা বাহক”। পার্সিয়ার এই ধর্ম প্রচারককে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান কেন বাঙালির চিরকালের নিঃস্বার্থ বন্ধু?

লিখেছেন রায়হানুল এফ রাজ, ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫০



জাপানী সম্রাট হিরোহিতো বাঙ্গলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছিলেন, ‘যতদিন জাপান থাকবে, বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবেনা। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নিঃস্বার্থ বন্ধু’! এটি শুধু কথার কথা ছিলো না, তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির আয়নায়

লিখেছেন নিভৃতা , ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৪





কিছুদিন আগে নস্টালজিতে আক্রান্ত হই আমার বাসার বুয়ার জীবনের একটি গল্প শুনে। স্মৃতিকাতর হয়ে সেই বিটিভি যুগে ফিরে গিয়েছিলাম।

এই বুয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×