পদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং***কন্ঠস্বর নীচু কর***। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর। [সুরা লুকমান: ১৯]
কিন্তু যারা ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করে চিৎকার করে ধর্মের বানী শোনায়, শুনে তো মনে হয় ওখানে কোন ঝগড়া হচ্ছে। ধর্মের বানী শোনাতে হবে নর্ম ভদ্র ভাষায়।
একেতো চিৎকার করে কথা বলে, তার উপর আবার মাইক লাগায়। এরা চিন্তা করে না, কে অসুস্থ, কার পরীক্ষা আর কার ভালো লাগে আর কার লাগে না। জোর করে হলেও তারা তাদের কথা আমাদের শুনাবেই।
এ পর্যন্ত আমার এলাকায় যে কয়টা ওয়াজ মাহফিল হয়েছে তার প্রত্যেকটার মধ্যেই আমি ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য শুনেছি। অথচ কোরআন শরিফে স্পস্ট বলা আছে 'লাকুম দ্বীনুকুম অলিয়া দ্বীন'। অর্থাৎ যার যার ধর্ম তার তার কাছে।
সুতরাং কি বুঝলেন ? উপরের এই দুটি আয়াতের কোনটাই তারা মানে না। অতয়েব এই সব গাধাদের পিছনে নামাজ পড়তে আর ইচ্ছা করে না। পারলে এখন থেকে নিজের নামাজ নিজে আদায় করবো। অবশ্য নামাজ নিয়মিত পড়াও হয় না।
আমি যে সব মানি তা কিন্তু বলছি না, কিন্তু আমি কাউকে বিরক্ত করি না। এই পোস্ট যাদের ভালো লাগবে না, তাদের কাছে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



