শান্তিপুরের মাটি জলে লেগে গেল অশান্তির দাবানল।
ক্ষুধার্ত সন্তানকে ছুঁড়ে ফেলে
মা ছুটলেন উটের পিঠে, খদ্দের ধরবেন বলে।
রক্ত যেন মৃত সঞ্জীবনী,
রক্তের নোনতা গন্ধে প্রাণ পেল মৃত শকুনের দল -
পায়ে হেঁটে,
বাসে চেপে,
এ্যরোপ্লেনে উড়ে
ছেয়ে ফেলল শান্তিপুরের আশ্চর্য সুন্দর আকাশ ।
সোনাঝরা ভোর শুরু হতে না হতেই,
সূর্যের বুকে কে যেন এক পোঁচ কালি ছুঁড়ে দিল।
হঠাত্ গোধূলিতে চেনা মুখগুলি কী আশ্চর্য রকম বদলে গেল!
স্বর্গ হতে নেমে আসা
শিশুর মুখ ফসকে বেরিয়ে এলো দুর্বোধ্য কোনো খিস্তি।
যুবক শশব্দে চড় কষাল যুবতীর গালে।
ক্যানভাস কুঁচি কুঁচি করে ছিঁড়ে শিল্পী বললেন-
'দেখি কন্ট্রাকটারি করে যদি কিছু পয়সা করা যায়!'
নির্বাসনে গেল-
সত্য,
কবি ও দ্রষ্টা,
নারী ও ভ্রষ্টা।
তবু বেঁচে রইল কিছু মানুষ।
বেঁচে রইল,
তবু যেন বেঁচে নেই -
বেঁচে থাকার প্রতি এমনই ঘৃণা তাদের ।
ক্ষমা করো হে সভ্যতা,
ক্ষমা করো হে ঈশ্বর।
আমি এক অসময়ের কবি-
ভুলে যাই এর সবটুকুই নিয়তি...
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


