
গোয়েন্দা বা ডিপি অথবা র্যাব তথাপি পুলিশ এরা কেউই অপরাধ কম করছে না । কথা হলো তাদের অপরাধগুলো কারো চোখে ধরা পড়ছে কার চোখে হয়ত বা পড়ছে না । আর যাদের চোখে ধরা পড়ছে তারাও হয়ত কেউ কেউ ভয়ে মুখ খুলে না । তাও বড় কথা নয় । কথা হলো রাজধানী ঢাকা স্থল সহ সারাদেশে বিভিন্ন এলাকায় বা মহল্লায় গোয়েন্দা র্যাব ডিপি পুলিশ সেঁজে নানা রকম ভাবে মানুষকে হয়রানী করে । প্রশ্ন হলো এদের অপরাধ গুলোর শেষ কোথায় বা এদেরকে চেনার উপায়কি কারো জানা আছে ?
আর সব থেকে বড় আইন প্রশাসন পরিচালনা । আমাদের দেশের আইন শিঙ্ক্ষলা রক্ষা বাহিনী অযথা কাউকে ধরেই ভাল মন্দ যাচাই
না করেই অপরাধী বানিয়ে ফেলে । কেউ ভয়ে প্রশ্ন করে না কারন যত প্রশ্ন করবে ততই তারা জামেলা বাধায় । তবে ভুয়া আইনের লোক পরিচয় কারীদের ধরতে হলে আগে পুলিশ র্যাব ডিপি গোয়েন্দা সহ যে সকল প্রশাসন এবং আইন রক্ষা বাহিনী আছে তাদেরকে সরকার ও এজেন্টের সাফাই বাদ দিয়ে সাধারণ জনগণের বন্ধু হতে হবে । তাহলে অনেক জটিল সমস্যার সমাধানও করা সম্ভব ।
আজ কাল ঢাকার রাস্তায় গায়েপায়ে বেশ বড়সড় মাথায় ছোটছোট চুল মাইক্রোবাসে সাদা পোশাকের ছয় থেকে সাতজনের ছোট একটি দল দেখা যায় । আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে থাকা যে সকল সরঞ্জাম এবং অস্ত্র থাকে এই দলের কাছেও সে ধরণের জিনিস থাকে । আবার তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের সামনেই থাকে ডিবি অথবা র্যাব লেখা স্টিকার । এরা আসল না নকল তা বুঝার মত
যেমন কোন ব্যবস্থা নেই তেমন এরা আসলে কারা তাও বুঝার কোন উপায় নাই । তা ছাড়া এরাই অনেক ক্ষেত্রে ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ, চাঁদাবাজী এবং নারী নির্যাতনসহ সকল বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে বা করে থাকে । নিজেদের এরা কখনো র্যাব এবং ডিবি পরিচয় দেয় । প্রশ্ন আসলে এরা কারা ? পুলিশের দাবি এরা ভুয়া ডিবি পুলিশ বা র্যাব গোয়েন্দা । তাদের এই দাবির সত্যতা মিলে মাঝেমাঝে চক্রের কোনো দল আটক হলে । তা ছাড়া জানার উপায় নেই তারা আসল নাকি নকল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৫ সকাল ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



