বিরম্নদ্ধে মামলা করেছে র্যাব। মামলার নং: 32/2/2007। মামলার এজাহারে উলেস্নখ করা
হয় যে, গত 12 ফেব্রম্নয়ারি রাত 11.30 মিনিটে রমনা থানাধীন 115, শহীদ তাজউদ্দিন স্বরনী
বড় মগবাজারে একটি বিল্ডিং এর বেজমেন্টে ও ছয়তলার একটি কক্ষে অপারেশন চালায় র্যাব।
সেখান থেকে 14টি টেলুলার, অনিক কোম্পানির 36 টি ওয়্যারলেস সেট লোকাল লুপ, 3টি কুয়ান্টাম, গ্রামীণফোনের সক্রিয় ইনডোর বিটিএস, গ্রামীণফোনের 40টি সিম
এবং অনেকগুলো ভিওআইপি যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে র্যাব। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
র্যাবের ঊধর্্বতন এক কর্মকর্তা জানান, উক্ত বেজমেন্টে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির জন্য গ্রামীণফোন 64টি সিম বরাদ্দ দিয়েছিল। আমাদের অপারেশনের আগে হয়তো সেখান থেকে কিছু সিম সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। ফলে আমরা পেয়েছিলাম গ্রামীণফোনের 40টি সিম।
এই অপারেশনের পরে র্যাব বাদী হয়ে 13 ফেব্রুয়ারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোন এবং
অন্য তিন ব্যক্তিকে আসামি করে রমনা থানায় একটি মামলা করে। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামীরা অবৈধভাবে ভিওআইপি স্থাপন করিয়া অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করন ও সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশ বিদেশে টার্মিনেশন ও অরিজিনেশন করিয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন 2001 এর 61 ও 78 ধারা, 1974 সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে 15 ধারায় অপরাধ করিয়াছে।
(আম্মাআআ)
উক্ত কর্মকর্তা আরো জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে র্যাব মামলাটি
তদনত্দের দায়িত্ব নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী আমরা 60 দিনের মধ্যে তদনত্দ রিপোর্ট জমা
দেব।
জানা গেছে, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরো একটি মোবাইল অপারেটরের বিরম্নদ্ধে শীঘ্রই মামলা করবে র্যাব। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিও সংগ্রহ করেছে তারা। তবে বাকি অপারেটরদের বিরম্নদ্ধে এখনো অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
[link|http://www.shaptahik2000.info/issues/2007/issue_42/pdf/bp20070302a.pdf|GB m
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


