আলোর সাথে অন্ধকারের যুদ্ধ।। তালেবান জিহাদ ।
পাকিস্তানে তালেবানের এই হত্যাযজ্ঞ শুধুই কি রাজনীতি, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ,ইহুদী-নাসারার ষড়যন্ত্র , বিচ্ছিন্ন কোন সন্ত্রাসী ঘটনা,বা পাকিস্তানী রিজিওনাল পলিটিক্স । শুধুই কি বলে সান্ত্বনা পাব, এসব ইসলাম নয়,ইসলাম শান্তির ধর্ম । তালেবানরা মুসলমান নয় ইত্যাদি ?
ওরা তো হত্যা করছে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে,বুকের মধ্যে দোয়া দরুদ বেঁধে,পুরো ইসলামী বোধে জোশে প্লাবিত হয়ে তাহলে? ওর থেকে কত তুচ্ছ কারণে আমরা মানুষকে অমুসলিম ঘোষনা করি,দেশ থেকে বের করে দিই ব্লাশফেমের অপরাধে ।আর সারা পৃথিবীতে এই মানুষ হত্যা করছে ,কোথাও আলকায়েদা,আইএসএস,কোথাও তালেবান- এসব তারা করছে ইসলামের নামে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে । তাহলে আমরা কেন বলছি এসব ইসলাম নয় , ইসলাম সন্ত্রাস নয়। ইসলামের নামে এরা ইসলাম অবমানা করছে, তাকে ধ্বংস করছে , যদি তাই হয় তবে কেন এদের বিরুদ্ধে পথে নামিনা, যেমন নামি সালমান রুশদি, তসলিমা,দাউদ হায়দারের বিরুদ্ধে ? যেমন নামি কাদিয়ানির বিরুদ্ধে তাদের অমুসলিম ঘোষণাকরে, তাদের মসজিদ লেখা সাইনবোর্ড নামিয়ে ‘উপাসনালয়’ টাঙিয়ে দেই,তাদের বই নিষিদ্ধ করি? কোরান ফ্ল্যাশ,মুহাম্মদের কার্টুন, রসুলে জীবনী নিয়ে সিনেমা করা বা ছবি আঁকা প্রভৃতি কত তুচ্ছ কারনে বিশাল বিক্ষোভ হয়েছে,শত শত ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে । সেই প্রতিবাদের তার কনা মাত্র দেখলাম না মুসলিম উম্মার মনে এই তালেবানি কিশোরশিশুহত্যা যজ্ঞের বিরুদ্ধে ।।
গাজার জন্যে যে প্রতিবাদ হয়েছে , এখন তো সেই মুসলিম শিশুরই নিষ্ঠুরতা প্রত্যক্ষ করলাম-কোন প্রতিক্রিয়া নেই ।মুসলিম কতৃক ,তাদের হাত দিয়ে হয়েছে বলেই গাজার প্রতিবাদকারীরা নিশ্চুপ ?
প্রতিক্রিয়া নেই আইএসএস দের কার্যকলাপেও । যে নিষ্ঠুর কাজ তারা করে চলেছে,কুর্দিদের উপর ,শিয়াদের উপর ।
কোন সে প্রেরণা যার বলে একটি শিশুর বুকে রাইফেল দিয়ে ঝাঁঝরা করে দিতে একটুও কাঁপেনা প্রাণ ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


