
(আগের পুষ্টের পর.........)
মাইয়ারে আমি ক্লাস এইট থেকে চিনতাম! এই মাইয়ার নাম ছিল (রিডাক্টেড)! আর মাইয়া সম্পর্কে আমার পারসেপশন খুব ভালো ছিল না! এরে আমি নিজের চোখে পুলাপাইনের লগে বহুত টাল্টি-বাল্টি করতে দেখছি (নো ডিসরেস্পেক্ট )! এ ছিল মহিলা প্লেবয় (নাকি প্লেগার্ল!!!)! আমার নিজের উপ্রে বহুত রাগ হইতেছিল তখন! আমি ক্যামনে এরাম বোকামিটা করতে পারছি! মান সম্মান বইলা আর কিচ্ছু থাকলো নাহ! সব প্লাস্টিক হইয়া গেল!!! কথা বলার ধান্দায় আমি যার তার সাথে কথা বলছি! কুয়ালিটি বলে আর কুনো জিনিস বাকি থাকলনা আমার! তবে মেয়েটা একজাক্টলি কেমন ছিল সেটা আমি ঠিক গ্যারান্টি দিয়া বলতে পারব না
এই আকামটা করাতে এত্ত শরম পাইছি! এরাম ধরা খাওয়া শরমের ফিলিং আমার হাতে গোনা কয়েকটা হইছে (সেই কুয়ালিটির একটা শরম ইদানিং পাইছি, কিন্তু কারণটা অন্য!!!)
যাইহোক, এরপর তাহার মিসকলের আর কুনো জবাব দেই নাই! মাইয়াও বহুত ইস্মাট আছিল, প্লেগার্ল বইলা কথা! আমারে আর জ্বালায় নাই! আমার বান্ধবীর উপ্রেও অবশ্য আমার মেজাজ বিলা হইয়া গেছিল! আর কাউরে পাইলি না, আমারে এই মাইয়ার নাম্বার দিছিলি ক্যান? না দিয়াই তো ভালো আছিল!
এইবার আসল পিরিতের কাহিনী শুরু করা যাক! প্রথমে আবার একটু ব্যাকগ্রাউন্ড!!!!
কাহিনীটা শুরু হইছিল ইন্টার পরীক্ষার পর! আমরা চার ক্লোজফ্রেন্ড ছিলাম, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ভিত্রে ভিত্রে একটা সাইলেন্ট কম্পিটিশন ছিল আমাদের মধ্যে! আমাকে আনফিসিয়ালি আমাদের গ্রুপের মধ্যে সেরা মনে করা হলেও, আই ওয়াজ বিটেন বাই মাই ক্লোজেস্ট কম্পিটিটর ইন এস এস সি। একটু মনঃখুন্ন হইলেও মাইনা নিছিলাম। ইন্টারের টেস্টে ফেইল করার পর (হ্যাঁ! টেস্টে ফেইল মারছিলাম!) যখন আমার বোর্ড পরীক্ষা দেওয়া হবে কিনা এইটা নিয়া সংশয়ে ছিলাম, তখন সেই ফ্রেন্ড আমাকে এক রাতে মেসের ছাদে নিয়া পুরা এক মহাভারতের মতন লম্বা কাহিনী শুনাইল! সে কয়, তর সাথে ক্লাস সেভেন থেকে আমার কম্পিটিশন! আই ফট উইথ ইউ দ্য হোল টাইম!
জাস্ট লাইক মাই ফাদার হি ওয়াজ কাইন্ডা সিউর দ্যাট,আই ওয়াজ ফাকড এন্ড ক্যান্ট রিকাভার! সে বেসিক্যালি বলতেছিল, আই ওন, ইউ লুজার!
নিজেরে তখন আসলেই লুজার লুজার লাগতেছিল! যদিও আমি কোন রিয়াকশন শো করি নাই কিন্তু এইটাই আমার ওই মেস থেকে মুভিং আউট টা ট্রিগার করছিল। (এন ইডিয়ট ইন লাভ!!!(দুই))। এই ঘটনার সময় আমরা কিন্তু একই মেসে ছিলাম।
কিন্তু আমি রিকভার করছিলাম বেশ ভালভাবেই!
আমাদের মধ্যে পিরিত আর মাইয়া সম্পর্কিত ব্যাপারগুলা নিয়া গল্প আর ইনফরমেশন এক্সচেঞ্জ হইত রেগুলার! আমি মুভ আউট হবার পর একদিন ও আমারে বলে, একটা খুব ভালো মাইয়ার নাম্বার আছে নিবি? মাইয়া এস এস সি দিবে আগামী বছর! মাইয়া নাকি মেসের এক ছোট ভাইয়ের দুর সম্পর্কের ছোট ভইন! আমি তো সানন্দে নাম্বার লইলাম! আমার মাথার মধ্যে আসলে পিরিতের কুনো ধান্দা ছিল না। আমি মনে করছিলাম “ফ্রেন্ড” হমু আর কথা কমু। এইভাবে শুরু!
আমারে মাইয়া ভাইয়া ডাকত!!! দিনাজপুরে রেটিনাতে মেডিক্যাল কুচিং করতেছিলাম আর মাইয়ার সাথে ভাইয়া হিসাবে ধুমাই কথা কইতেছিলাম! একদিন আমার ফ্রেন্ড আমারে কয়, ওই বেটা মাইয়া তো তরে পছন্দ করে! পিরিত করতে চায়! শুইনা তো আমার দিল চক্কর খাইয়া গেল! কিন্তু পরের মুহূর্তে চিন্তা করতেছিলাম, এই ব্যাটা আমারে নাম্বার দিল, আবার মাইয়ার লগে পিরিত করাই দিতে চায়! ঘটনাটা কি? সামথিং ইজ স্মেলিং লাইক ফিস! নেক্সট মোমেন্টে আমি টের পাইলাম, এই ব্যাটা যদি আমারে এই মুহূর্তে একটা পিরিতের জালে জড়াই লাইতে পারে তাইলে আমার আর কোথাও এডমিশন নেওয়া লাগত না! আমি এমনিতেই কুপোকাত হইয়া যামু! সেই পুরান ফাইট! স্যাবোট্যাজের ধান্দা!!!
কিন্তু আমাক ওইদিন নির্ঘাত পাগলা কুত্তা কামড়াইছিল,আমি মনে করছিলাম, কাহিনীটা তো জানি। জানা থাকলে কিচ্ছু হইত না! স্যাবোট্যাজের ষড়যন্ত্র বানচাল কইরা দিমু কিন্তু তার আগে এই চান্সে পিরিত করলে ক্যামন লাগে সেই সুখানুভূতিটা লইয়া লই! অরে কইলাম, সিরিয়াস তো? অয় কয় হ সিরিয়াস! আমি তখন কইলাম আমি কিন্তু পিরিতের কথা মাইয়ারে কইতে পারতাম না, আমার দ্বারা হইত না এই কাম! আমার ফ্রেন্ড কয়, কুনো সমস্যা নাই! সব ব্যাবস্থা আমি করমু!
একটা জিনিস লক্ষণীয়, এই মাইয়ারেও কিন্তু আমি দেখি নাই, মাইয়াও আমারে দেখে নাই (ন্যাড়া বেলতলায় বার বার যায়)!!!
(চলপে.........।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


