একটি রাসায়নিক ব্যাখ্যা : সখি ভালোবাসা কারে কয়...?
রবীন্দ্রনাথ নিজেও জানতেন না ভালোবাসা কারে কয়। আসলেইতো ভালোবাসা কাকে বলে?
ভালোবাসা কি কচুপাতার টলমলে শিশির ফোটা নাকি রাতের আকাশে চাঁদের মাঝে মনের মানুষকে দেখা? ভালোবাসা কি বারান্দায় রোদ্দুর নাকি বৃষ্টিতে প্রিয়/প্রিয়ার সাথে ভেজা? ভালোবাসা কি পার্কে বসে আইসক্রিম খাওয়া নাকি অভিমান করে দূরে থাকা? নাকি রাত ১২টার পরে মোবাইলে কথা বলা নাকি রাস্তায় মেযয়দেরকে দেখে শীষ দেয়া?
মানুষ আসলে কেন বলে "আমি তোমাকে ভালোবাসি"। কেন এই কথা বলে, ভাবতে বসলাম, অনেক রেফারেন্স ঘাটাঘাটি করলাম, যে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি হতে পারে?
তখন বুঝলাম এর পেছনে রাসায়নিক কিছু প্রভাব আছে।
ভালোবাসার প্রক্রিয়াকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়: ১) কামনা (কাম ভাব)
২) আকর্ষন
৩) সম্পর্ক
কামনা (কাম ভাব) মানুষকে অপরের কাছে প্রকাশ করতে উদ্বুদ্ধ করে, আকর্ষণ বন্দ্ধুত্ব তৈরীতে উতসাহিত করে এবং সম্পর্ক ভালোবাসাকে পূর্ণতা দান করে।
টেস্টস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন মানুষের দেহে যৌনতাকে জাগিয়ে তোলে, ফলে সে তখন তার বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃস্ট হয়। বিশেষ কারো প্রতি এই আকর্ষনের ফলে brain তখন pheromones, dopamine, norepinephrine, and serotonin সহ আরো কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরন করে যা brain এর pleasure centerকে উত্তেজিত করে এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে হৃদস্পন্দনকে বাড়িয়ে দেয়, ক্ষুদামন্দা বাড়ায়, ঘুম কেড়ে নেয়, অর্থাত ভারোবাসার লক্ষন বলতে যা বোঝায় আরকি। আর এই অবস্থার সৃষ্টি হলেই আমরা বলি-I have fall in love.
একটি ছবি দিচ্ছি :
তারপরই ঐ বিশেষ জনকে কাছে পেতে চেষ্টা শুরু করে এবং সম্পর্ক তৈরি হয়।
মূলত ভালোবাসা হচ্ছে ক্ষুধা, তৃষ্ঞার মতোই একটি রাসায়নিক জৈব প্রক্রিয়া, যার শুরু হয় যৌনাকাঙ্খার ফলেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


