বাংলাদেশে খুলনা অঞ্চলের দিকে একটি উগ্রবাদী ইসলামের বিকৃতরূপী জঙ্গি সংগঠন আছে, তাদের থেকে সাবধান, তাদের সংগঠনের নাম হিজবুত তাওহিদ এদের সংগঠনের প্রধান ইয়াং একজন যুবক মাঝে মধ্যে স্যোসাল সাইট ও ইউটিউবে দেখা যায় অগ্নিঝরা বক্তব্য দিতে, এরা ইসলামকে লিখে “এসলাম” ঈমানকে লিখে এমান এদের মূল নেতার নাম বায়েজিদ পন্নি সে দিখি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে মোটিভেশনাল বক্তব্য প্রধান করে এবং অন্যরা করতালীতে বাহ্ বাহ দেয়।
কেয়ামতের আগে মুসলিমদের ঈমান রক্ষাই যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এদানিং পঞ্চগড়ের কাফের আহমদীয়া (নিজেকে শেষ নবী দাবি করা) কাদিয়ানী কাফেরদের আনাঘোনা বেড়েছে ইউটিউবে দেখলাম তারা আবার যুক্তিও দেখা, এদের যুক্তি শুনাও পাপ, কাদিয়নীদের যেখানে পাবেন সেখানে প্রতিহত করাই ঈমানী দায়িত্ব।
আর হিজবুত তাওহিদ জঙ্গীদের অভিলম্বে নিষিদ্ধ করার দাবি ঘোষনা করে জঙ্গীদের তালিকায় রাখা হোক । এবং বাংলাদেশের সকল বিজ্ঞ মুফতিদের নিয়ে কমিটি করে ইসলামী ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব দেয়া হোক । এবং দেশের সকল মসজিদকে তারা নিয়ন্ত্রণ করবে, তারাই সকল ফতোয়া জারি করার ক্ষমতা রাখে, এবং জুমা সহ অন্য কোন জায়গায় মনগড়া বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত রাখতে হবে । না হয় ইসলামী আকিদা টিকে রাখা কঠিন হবে ।
সেই সাথে দেশের সকল মাজারকে গুটিয়ে দিয়ে জাস্ট কবরটাকে রেখে কবরের ১০ হাত দূরে দেওয়াল দিয়ে ঘিরে শুধু জিয়ারতের ব্যবস্থা করে বাকি সকল ভন্ডামী বন্ধ করতে হবে। মাজারের পাশে থাকা মসজিদ সরিয়ে দিতে হবে । মাজার থেকে সকল দানবক্স সরিয়ে নিতে হবে। এবং মাজারের কোন ওরশ বা বার্ষিক অনুষ্ঠান করতে দেয়া যাবে না।
মুসলিমদের সখ্যতা থাকবে মুসজিদে মাজারে নয়, কবর জিয়ারত ছাড়া সেখানে কোন প্রকার ভন্ডামি করা শিরক শিরক শিরক।
আর আটরশি, মাইজভান্ডার, দেওয়ানবাগী, শয়তানবাগি, সহ যতো জুতাবাবা, উলঙ্গবাবা, গাঞ্জাবাবা, তালাবাবা , বিড়িবাবা ওমুক শাহ তমুক শাহ আছে সকলকে পাগলা গারদে নিয়ে মানসিক চিকিৎসা দিয়ে ইসলামী শিক্ষায় দিক্ষিত করতে হবে ।
কাফের কাদিয়ানীদের ভন্ডামীতে কেউ পা দিবেন না, কারণ বিশ্বনবীর পরে যে বা যারা নিজেকে নবী দাবি করবে তারা নিঃসন্দেহে কাফের এদের কোন যুক্তিও চলবে না ।।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



