১৯৭৯ সালে, প্রথম মগের মগের মুল্লুকের জেনারেলরা রোহিংগাদের উপর আঘাত হানে: তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়, সব মানবিক অধিকার থেকে বন্চিত করে; ভীতি ছড়িয়ে দিয়ে, দেশ ছাড়তে বাধ্য করার জন্য তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয় পুলিশ,সেনা বাহিনী ও রাখাইনদের দিয়ে। অপ্রস্তুত রোহিংগাদের ১২ লাখের মাঝে ৩ লাখ পালিয়ে আস চট্টগ্রামে; এটাই তআদের জন্য সহজ ছিল।
এ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারেনি রোহিংগারা ও জেনারেল জিয়ার সরকার; রোহিংাদের বুঝার দরকার ছিল যে, স্হানীয় রাখাইনরা যখন তাদের বিপক্ষে গেছে, এটা কোনদিকে মোড় নিবে, স্হায়ী সমাধান কি। জেনারেল জিয়ার সরকার বুঝতে ব্যর্থ হয় যে, সময়ের সংগে রোহিংগারা ক্রমেই আক্রমনের সন্মুখীন হবে, স্হায়ী সমাধান কি হতে পারে!
রোহিংগাদের জন্য তখনই স্হায়ী সমাধান খোজার দরকার ছিল জিয়ার সরকারের; কারণ, চট্ট্রামে আসা রোহিংগাদের শিক্ষা দীক্ষার মান থেকেই সেটা বুঝার দরকার ছিল। জিয়া বা ততকালীন বাংলাদেশে সরকারের কথা কেন আসছে? কারণ, একটা প্যাটার্ণ ছিল যে, রোহিংগারা বাংলায় কথা বলে, বাংগালীদের সাথে তাদের মিল, এবং কাছের নিরাপদ যায়গা হলো বাংলাদেশ।
জিয়া মগের মুল্লুকের জেনারেলদের সাথে কথা বলে, রোহিংগাদের ফেরত পাঠায়, যা আসলে কোন সমাধান ছিল না; আর রোহিংগারাদের শিক্ষিত অংশ সমস্যাটির স্হায়ী সমাধান করার জন্য এগিয়ে আসেনি; শিক্ষিতরা থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পালিয়ে গিয়ে নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়।
কোনদিক থেকে কোন পদক্ষেপ না থাকায় অশিক্ষিত অপরাধ প্রবন কিছু রোহিংগা নিজ জাতিকে ধ্বংস করার ব্যবসায় নেমে পড়ে, মানব পাচার, যা আমরা দেখছি।
জিয়া সমস্যা বুঝতে পারেনি, সমাধান বের করতে পারেনি; এখন সেই সমস্যা শেখ হাসিনার সরকারের ঘাঁড়ে এসে পড়েছে; শেখ হাসিনা হয় এর গুরুত্ব বুঝছে না, অথবা সমাধান জানে না; উনি চুপ করে বসে আছেন, যেন কিছুই ঘটছে না। সঠিক কোন পদক্ষেপ না থার সুযোগ নিয়ে রোহিংগাদের দুস্ট অংশ নিজেদের পায়ে কুড়াল মারছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



