somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধিক !! ও আহারে !! সেরা ব্লগার সার্টিফিকেট!!

০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিজাজটা খারাপ হৈচে তার্পরদিন থেকেই-ডয়েচে ভেলের সেরা ব্লগার নির্বাচনের সি্স্টেম যেদিন জেনেছি-নিয়ম করে ২৪ ঘন্টা পর পর ভোট দেন ১০টি!!
ছাগলামি আর কাকে বলে!!
মাইন্ষ্যের জানি আর কোন কাম-কাজ নাই, প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে (ফেবু, টুইটার মিলে) আসেন তাগ সাইটটায় হিট বাড়াই, বিদেশীরা ম্যালা আগেই এই আঁতলামি ভোট ত্যাগ করেছে..আমরা হীন্মন্য বাংগালী পিরাইমারির ৩য় বিভাগের সার্টিফেকেটের জন্য সময় ও অর্থ নস্ট করে ভাই হয়ে ভাইয়ের/বোনের ঘাড়ে কুপিয়ে চলছি অবিরাম।

ব্রাভো, ডভে। ডিভাইড ও ডমিন্যান্টের জন্য মীর জাফর+রাজাকার বাংগালীর তুলনা বিরল।ওরা আমাদেরকে এখানেই বেছে নিয়েছে।
আমরা এখন ত্রিধা-বিভক্ত। বালের আমার সার্টিফিকেট!! যে সার্টিফিকেট ভাইয়ে ভাইয়ে কোপাকুপি লাগায়, কোন উন্নতি/উপযোগিতা (ইউটিলিটি) যোগ করার চেয়ে বিদ্বেষ আর পারস্পারিক হানাহানী বাড়ায়- সেই সার্টিফিকেটে আমি থু ফ্যালাই।
একজন আইরিন, ইমন জুবায়ের, অমি পিয়াল, সাবরিনা, ম্যাভেরিক, রেজোয়ানা, ফিফা, দাসত্ব, পারভেজ আলম, জাহাজী পোলা, আরিফ জেবতিক আমাদের ব্লগস্ফিয়ারের সম্পদ (কমপক্ষে ৫০ জনের নাম আসবে- আমি বিভিন্ন ঘরানার কয়েকজনের নাম বল্লাম) ।
মত-বিমত থাকতেই পারে। ভাই ভাই বিরোধ বা প্রতিযোগিতা হতে পারে। কিন্তু বাপের বিরুদ্ধে কেও লাগতে আসলে তারে সবাই মিলে দেখে নেয়। এটাই ভ্রাতৃত্ব। আমরা যারা মানবিকতা,সমঝোতা ও পারস্পারিক সহাবস্হানের কথা বলি ও উচ্চমার্গের ঢেঁকুর তুলি আজ তারাই হরিদাস পালের সার্টিফিকেট পাবার জন্য ভাইয়ে ভাইয়ে জাঁহাবাজী করছি।বালের সার্টিফিকেটের জন্য কোপাকুপি!!
দিনের পর দিন ব্লগে সময় ধ্বংস!! যুদ্ধ জয়ের সবগুলো নেগেটিভ অস্ত্রের স্বার্থক ব্যবহার করা লাগবে। কোথার সুশীলতা, কোথায় ঔদার্য!!কোথার ছাড় দেবার মনোভাব!!

হায়রে জার্মান ভ্রমণ, হায়রে পাপী বাংগালী!!
নিজেরে নিজে ধিক্কার দেই- মানুষ হৈলিনা বাংগালী।
স্বর্গে নাকি বাংগালীদের পাহারাদার লাগে না।
নিজেরাই নিজেদের টেনে নামায়।

আর একটা যুদ্ধ লাগলে এই নামকরা অনেক ব্লগার বড় রাজাকার হবেন। মতের কোন মিল নাই। সামগ্রিক বা বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ব্যক্তি স্বার্থ বলি করা জরুরী। এখানেও তারা জিরো পাবেন। তারা ঐ আমাদের বুদ্ধিজীবিদের মতই নোংরা। যারা আমাদের দেশে উচ্চ পদে আছেন, দেশের বাইরে মাথা বিক্রী করে দেশপ্রেমিকের শয়তানি মুখোশ পড়ে। আমরা তাদের স্বরুপ চিনিনা- ব্যক্তি বা বিশেষ শ্রেনীর স্বার্থের জন্য তাদের জঘন্যতা ও হিংস্রতা জানিনা, পিছনে চাকু মারা সম্পর্কে ওয়াকিভাল নই।

যা হোক এই সকল মেধাবী, ক্রিয়েটিভ, জনপ্রিয় ব্লগারেরা আমাদের সম্পদ, যে প্লাটফর্মেরই হোক না কেন। সকল ব্লগারেরাই আজ বিভক্ত। তাদের হাত দিয়েই বাংলা ব্লগ নাগরিক সাংবাদিকতার একটা প্লাটফর্মের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগে থেকেই প্রতিযোগিতা এদের মাঝে ছিল বা থেকে থাকতেই পারে। প্রতিযোগীতা থাকা ভাল-তাতে কোয়ালিটি ও কেয়ারিং বাড়ে, শুদ্ধতা আসে, কমপক্ষে গা ভাসানী বা একচেটিয়া বা একনায়কতান্ত্রিকতা থেকে দুরে থাকা যায়।

কিন্তু হায়!! আজ সেই ব্লগারেরা যে জিঘাংসুক খেলায় মেতে উঠেছে সিম্পল একটা সার্টিফিকেটের জন্য। আম ব্লগারেরা ও বাকী জনপ্রিয় ব্লগারেরাও ইলেকসনের সীমাবদ্ধতা, কারচুপি, প্রতিযোগী অন্যব্লগারের বস্ত্র হরনের তালে আছে, ফালতু হাততালী বা অন্যের বিষোদগার পাচ্ছি ফ্রি। এই নোংরা কাদা লাগা হানাহানির ফল শুভ নয়। কেও কারো মুখ দেখা বন্ধ করে দিতে পারে, ব্লগে ব্যক্তি আক্রমন বেড়ে যেতে পারে, ব্লগার্সরা ভাগাগাগী হয়ে উপদলে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে (অলরেডী অনেকগুলো ঘটে গেছে)।
এই ক্ষতির সামগ্রিকতা থেকে কি আমরা সহজে উত্তরণে যেতে পারব? মনে হয় না। এই ইলেকসনের পর ভাল কিছু ব্লগার যদি ব্লগিং ছেড়ে দেন! যদি আর না লিখেন!! তাইলে!! ভাগ্য যে এই প্রতিযোগিতায় সব ভাল ব্লগারের নাম ওরা রাখেনি। তাইলে আমরা নিজেরা নিজেরাই শেষ হয়ে যেতাম। কেন আমাকে ভাই ভাইয়ের মাঝে এমন নোংরা ও নগ্নভাবে চয়েসে নামতে হবে? কেন আমরা নিজেদেরকে বিভেদের সুযোগ দিব!
আমাদের হুশ কবে হবে? সব হারিয়ে যাবার পর!! আজ ও সময় আছে বাংলা ব্লগ অংগনকে পরিচ্ছন্ন রাখার। আসেন আঁওয়াজ দেই। বয়কট করি এই ঘৃন্য খেলা আর কারো শিকার না হই নিজেরা।
প্রতিযোগিতারও একটা সৌন্দর্য আছে। যিনি ভাল লিখেন তাকে কেন ভাল মার্কেটিয়ার হতে হবে? তার পাবলিক রিলেসন্স ক্ষমতা কম থাকতে পারে, স্ট্র্যাটেজী ভাল নাও থাকতে পারে। তাই বলে কি উনি ভাল লিখেন না? ববং এই প্রতিযোগিতার নাম হতে পারত বেস্ট স্ট্র্যাটেজীক ব্লগার

প্রতিযোগীরা পার্লে ১১ তারিখের আগেই নাম তুলে নেন। মানসিক দৈন্যতা থেকে দুরে থেকে কিছু ছাড় দেই। তবুও ব্লগস্ফিয়ারকে সুসংহত হতে দিন।
তয় ডয়েচে ভেলের-গন্ধ পচা খবরের মতই তাদের ভুটাভুটি স্টান্ডার্ড।
আসেন ডভেরে গদাম দেই।
আমাদের মাঝে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ভাইকে ভাই থেকে পৃথক করার জন্য।
---------------------------++++++++++--------------------
আমি সাবরিনাকে ভুটাইছি-কেবল ওকে বার বার ভোট করেন,উনি সেরা ব্লগারের লড়াইয়ে ভাল ভাবেই আছেন। বাকী সব ত্যাগ করেন।
(জিশান ভাইয়ের ব্লগে কমেন্ট কর্তে গিয়ে কনসেপ্টা এল-পোস্ট দিয়ে দিলাম)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৯
৬৫টি মন্তব্য ৬৪টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সমাজের অসহায়-দরিদ্র মানুষদের জন্য আপনি কি করতে চান?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য মানুষের সেবা করা।
যে কোনো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যখন কোনো দূর্ঘটনা ঘটে যায়, অনেক সাহসী মানুষও অসহায় হয়ে পড়ে। তখন আমি অসহায় মানুষের হাতের লাঠি হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম কর্ম

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



আপনার দিনের পর দিন ধর্মীয় লেখা পোস্ট করার কারণে -
হয়তো, আপনার কম্পিউটারটি স্বর্গে যেতে পারে।
কিন্তু, আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।


ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ



...বাকিটুকু পড়ুন

মিমস যুদ্ধ: রাজনীতিতে হাসি-ঠাট্টার কৌশল”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সাম্প্রতিক সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডগুলো বেশ মজার। ট্রল আর মিমসের দুনিয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে যা আমাদের বিনোদনের খোরাক জোগায়। ওপরের তালিকার সাথে আরও কিছু চলমান মিমস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৫১


মাইলস্টোন স্কুলের কথা কি এখনও মনে আছে? একটা ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল স্কুলের ওপর। ছোট ছোট বাচ্চারা ক্লাস করছিল, হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে এল মৃত্যু। ঠিক যেমনটা আমরা সিনেমাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাওড়া স্টেশনের স্মৃতি

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৫৮



মায়ের সাথে স্মৃতির শেষ নেই। আজ মা দিবস উপলক্ষে, মাকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম সেই স্মৃতি নিয়ে কিছু কথা লিখছি।

হাওড়া স্টেশন। মা, সাহস, নিপু, আমি। প্রচণ্ড ভীড়ের ভিতর আমরা হাঁটছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×