ইচ্ছে করে কুসুমভাঙা ডিমের পোচে
লালঝুটির ঐ -রাতভাঙা গান শুনতে
ইচ্ছে করে জলের কণায়
মূর্তি তোমার আপন মনে গড়তে।
ইচ্ছে ; ছোটবেলার রেশ এই বয়সেও টেনে নিয়ে যায় - বাধা বন্ধনহীন সূতোকাটা ঘুড়ি যেন - কেবলই অপার্থিব বাতাসে উড়ে যেতে চায় মেঘমুল্লুকে, কারন বোঝে না সে, বারন সে তো কত দুরের কথা, গোত্তা খেয়ে পড়ে যাওয়ার ভয়ও ছোয় না। অসাম্ভব্যতার প্রশ্ন সেখানে অবান্তর। এই দেখো না এখানে রাত নামে দিনের আলোয়, সূর্য আলো ছড়ায় অন্ধকার দিগন্ত জুড়ে। সে দিগন্তের সীমানা পাহাড়ের সুউচ্চ চূড়ায় যে দিগন্ত ধরা দেয় তার চাইতেও কত সহস্রগুন বিসতৃত সে হিসাব নেবার গজ ফিতা কার আছে। এখানে তোমার বিজ্ঞান এসে হার মানে, যদিও সমাজ ধর্ম সংস্কার ভ্রূক্থটি মেলে চোখ রাঙায় ঠিকই ু কিন্তু সে চোখে চোখ রাখবার সময় আছে কার - তোমায় না বলে কয়ে সে ঠিকই বেরিয়ে পড়ে কোথায় সে হিসাব সংসার কেমনে রাখে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


