অতন্দ্রীলা- অরণ্য, কাল রাতে আবার তোমায় লিখতে বসেছিলাম।
যখন ব্যস্ত শহরে নেমে এল মৃত্যুপুরীর বিষাদের কালো ছায়া,
ঠিক তখনই আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।
হাতের মুঠোয় বন্দী ছিল কিছু আকাশী রঙের স্বপ্ন;
আকাশী রঙের স্বপ্নগুলো বড় বেশী শান্ত হয়।
এদের জন্মই হয় ধূসর বর্ণে, তাই সহজে মিইয়ে যায় না।
নিশিরাতে চাঁদকে জিজ্ঞেস করলাম,
-"একাকীত্ব কাকে বলে জানো?"
চাঁদ নির্দ্বিধায় বলে দিল,
-" দলছুট নক্ষত্রের কাছে যাও,
সে-ই পারবে একাকীত্বের সঠিক সংজ্ঞা দিতে।"
নক্ষত্রের অত সময় কই? সেতো হারানো প্রিয়জন খুঁজতে ব্যস্ত।
অতঃপর মুঠো আলগা করে স্বপ্নগুলো নীল আকাশে
উড়িয়ে দিলাম। তুমি ছাড়া ওগুলো তো বড্ড বেশী একলা।
জানো অরণ্য- বিশাল আকাশটাতেও কিন্তু রাতের আঁধারে
বিষাদের কালো ছায়া গ্রাস করে ফেলে।
তখন আকাশটা ভীষণ একলা হয়ে পড়ে।
একলা আকাশকে প্রশ্ন করেছিলাম,
-"একাকীত্ব কাকে বলে জানো?
বেদনায় নীল হয়ে আকাশের উত্তর,
-নক্ষত্রখচিত ঝলমলে আলোও আমায় আলোকিত করতে
পারে না, জ্যোৎস্না ফেটে পড়া চাঁদ, পেঁজা মেঘ
সবাই আমার বুকে আশ্রয় নেয়।
কিন্তু রাতের আঁধার আমায় ঠিক অমানিশায় ভরিয়ে তুলে।
একাকীত্ব কাকে বলে জানি না,
তবে আমার ভীষণ একলা একলা লাগে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



