
বাংলাদেশ তথা বিভিন্ন দেশের আইন অনুযায়ী ফাঁসির আসামীকে ফাঁসীর পূর্বে নিজ নিজ ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী শেষ বারের মত সৃষ্টিকর্তার কাছে মাফ চাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়। দুনিয়ার আইনে তার সাজা কার্যকর হলেও যেন এই শাস্তির বিনিময়ে সে পরকালীন মুক্তি পায় এ কারণে।
দুনিয়ার আইনে এক ব্যক্তি ১০০ খুন করলেও তাকে ১ বার মৃত্যুদন্ডের চেয়ে আর বেশী সাজা দেয়া যায় না। তাই যখন তার মৃত্যু হয় তাকে তার ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী সমাহিত করা হয়। সমাহিত করার পর আর কোন শাস্তি দেয়া সম্ভব নয়। যে কারণে অনেক অপরাধ করেও শুধুমাত্র মৃত্যুর কারণে অনেক বড় বড় মামলা থেকে মৃত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
কে কার ব্যক্তিগত কবরে কী লিখবে এটার দায়িত্ব কি ছাত্রলীগ নিয়েছে? বাংলাদেশের সংবিধানে 'শহীদ' লেখা বিষয়ে কোন আইন আছে? মৃত ব্যক্তির কবরের সামনে জিয়ারত ছাড়া অন্য বক্তব্য, আস্ফালন, শো ডাউন, হুড়াহুড়ি, ভিডিও করা কি ইসলাম সমর্থন করে? ছাত্রলীগের কেউ কবরে যাবেনা কখনো?
আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়তে চাইছে না পরবর্তী পরিণতির কথা ভেবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে সবচেয়ে বেশী অসুবিধা হবে ছাত্রলীগের। কারণ, এরা বয়সে তরুণ এবং এদের বিপক্ষ দলের কর্মীরাও তরুণ। আওয়ামী লীগের উপরের দিকের নেতারা না হয় পালিয়ে বিদেশ চলে যাবে। কিন্তু এই ছাত্রলীগ নেতারা কোথায় পালাবে? তারা তো ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে না। জানি না কত মায়ের বুক খালি হবে এই হিংসার বীজ বপনের কারণে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



