somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্ব ভাল বাঁশ দিবস

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

থার্টি বাঁশ নাইটের পর আসছে বেশরম বেহায়া মহিলা পুরুষদের শয়তানী দিবস 'বিশ্ব ভাল বাঁশ দিবস।'

অধীর আগ্রহে স্বেচ্ছায় বাঁশ খাওয়ার (ধ্বংস হওয়া, সতীত্বকে বিলীন করে দেওয়া) অপেক্ষায় বসে আছে হাজার হাজার উচ্ছৃঙ্খল তরুণী। ফটকা পোলাপান, আর কিছু জোয়ান-মর্দা-বুড়া লোল ঝরাতে ঝরাতে অপেক্ষা করছে কখন আসবে সেই প্রতীক্ষীত বাঁশ দেওয়ার দিন।

মুসলমান নারী-পুরুষ ভ্যলেণ্টাইনস ডে পালন করতে পারে না। একমাত্র শয়তানের পূজারীরাই শয়তানকে খুশী করে।

যখন প্রকাশ্যে অন্যায় হয় আর সেখানে বাঁধা দেয়া না হয় তখন সেখানকার মানুষের ওপর শাস্তি স্বরূপ আল্লাহ তায়ালা রহমত উঠিয়ে নেন ও আযাব প্রেরণ করেন। যার ফলে পৃথিবীতে অশান্তি প্রভাব বিস্তার করে।

মানুষের কৃতকর্মের দরুণ জলে স্থলে (সর্বত্র আজ) বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তায়ালা তাদের কতিপয় কাজকর্মের জন্য তাদের শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাতে চান, হয়তো তারা ফিরে আসবে। (সূরা আর রূম, আয়াত ৪১ এর অনুবাদ)

আল্লাহ রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু য়ালাইহু ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি কোন জনগোষ্ঠীতে কোন ব্যক্তি গুনাহের কাজে লিপ্ত হয় এবং ঐ জনগোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে শক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা উক্ত গুনাহ হতে বাধা না দেয়, তবে মৃত্যুর পূর্বে দুনিয়াতেই তাদের ওপর আল্লার আযাব এসে যায়। (আবু দাউদ, ঈবনে মাজাহ)

আজকে মানুষ এমন সব আযাবে গ্রেফতার আছে যা থেকে মানুষ মুক্তি পাচ্ছে না। পেট্রল বোমার আগুনে ভস্ম হয়ে মানুষ কাতরাচ্ছে। এর চেয়ে বড় আযাব এ জনপদে আর কি আছে এখন?

আল্লাহর রাসূল একদিন মসজিদের মিম্বারে তাশরীফ রাখলেন। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা বর্ণনা করে এরশাদ করলেনঃ হে লোকসকল! আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তোমরা সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করতে থাক। নতুবা এমন সময় আসবে যখন তোমরা দোয়া করবে কিন্তু উহা কবুল করা হবে না, তোমরা সওয়াল করবে কিন্তু উহা পূরণ করা হবে না, তোমরা শত্রুর বিরুদ্ধে আমার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করবে কিন্তু আমি তোমাদের সাহায্য করব না।" হুযুর সাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম এ পবিত্র কথা কয়টি বলে মিম্বর হতে নেমে আসলেন। (ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)

তো আজকে মুসলমানদের চোখের সামনে শয়তানের পূজারী মূর্খরা কালচারের নামে ভ্যলেণ্টাইনস ডে শিরোনামে সমাজে অশ্লীলতা বিস্তার করবে। মুসলমানদের উচিত অন্যায় কাজে বাধা দেয়া। কারণ আল্লাহ তাদের অন্যায়ের কারণে এবং আমাদের বাধা না দেয়ার কারণে সমাজে আযাব প্রেরণ করবেন। আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে বাঁচতে মূর্খদের সঙ্গ পরিত্যাগ করুন। তাদের বাধা দিন, তাদের বুঝান। যদি তাদের বুঝাতেও না পারেন, সে হিম্মত যদি আপনার না হয় তাহলে ঘৃণা করুন। তাদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক, বিয়েশাদী পরিত্যাগ করুন।

ভ্যালেণ্টাইনস ডে মুসলমানদের কালচার নয়। ভ্যালেণ্টাইনস ডে বাঙ্গালীদের কালচারও নয়। এটি একটি নতুন শয়তানী প্রোডাক্ট যার কুফল সমাজকে আসমানী বালা-মুসিবতে নিমজ্জিত করে ফেলছে। আল্লাহ তায়ালা জিনার ধারে কাছে যেতে নিষেধ করেছেন, কিন্তু ভ্যালেণ্টাইনস ডে-র নামে জিনাকে সামাজিকায়ন করা হচ্ছে। হযরত লুত য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের জনপদে আল্লাহ তায়ালা ব্যভিচার-অযাচারের ভয়াবহ শাস্তির কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

ভ্যালেণ্টাইনস ডে একটি কুফরী দিবস। আল্লাহ তায়ালা আমাদের পবিত্র করতে চান। কিন্তু শয়তান চায় আমরা অপবিত্র হই। ভ্যালেণ্টাইনস ডে-র সাথে সংশ্লিষ্টরা মুসলমান হতে পারে না। তাই ঈমানী চেতনাসম্পন্ন মুসলমানরা এ ধরণের লোকদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করুন। তাদেরকে জানতে দিন তারা আল্লাহর জমিনে শয়তানের পূজা করছে। ফেতনা ফেসাদ সৃষ্টি করছে। তাদেরকে বলে দিন তোমরা আমাদের কেউ নও, আমরাও তোমাদের কেউ নই।

পড়ুনঃ

চিরকুটঃ সতর্কতাঃ ১৯৮৮

থার্টি বাঁশ নাইট
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:৩৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×