একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে নির্বিচারে শিশুসুলভ কিশোর কিশোরী শিক্ষার্থীদের পাখির মত গুলি করে মারা, শিক্ষক(শিক্ষিকা)কে গুলি করে মেরে তাকে আবার আগুন ধরানো ..........
বর্বরতারও একটি সীমা থাকতে পারে (আমার তা মনে হোত), কিন্তু পাকিস্তানের স্কুলের তালেবান কর্তৃক স্বীকৃত ও সম্পাদিত এই জঘন্য ঘটনা সব কিছুকে হার মানায়। আন্তরিক সমবেদনা তাদের প্রতি যাদের এই বিরাট ক্ষতি হয়েছে। সন্তান হারানো জীবিত পিতামাতার জন্য সর্বদা করুন। আর এই ভাবে? বেদনা অনেক গভীরে থেকে যায়।
কিন্তু এটি নিশ্চয়ই একদিনে গড়ে ওঠেনি।
নিচে পাকিস্তানের গোষ্ঠি কর্তৃক অংকিত কার্টুন থেকে তা কিছুটা হলে অনুমান করা যাবে।

আমাদের বাংলাদেশেও কি এরকম কিছু দৃশ্য বা পরিবেশ বয়ে যাচ্ছে কি না!
যদি না হয়ে থাকে ভাল, আর যদি যথাযথ কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এ ধরনের কিছু হওয়ার উপাদান বাংলাদেশে সামান্য হলেও বিদ্যমান, তা' হলে প্রতিকারের পদক্ষেপ এখন থেকেই।
ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায়ঃ-
১। আমাদের কোন পৃথক স্কুল থাকা উচিত নয়।
২্। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেবে।
২.১ ।ঐ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারও যদি কোন ধর্মের বিশেষ শিক্ষা প্রয়োজন হয়, তা হলে ঐ শিক্ষার্থী একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৃথক ক্লাস নেবে। (তার জন্য আলাদা স্কুল করা বা থাকার প্রয়োজন নেই।
এতে করে সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে সহ মর্মিতা ও সমঝাোতা আরও ভাল ও উন্নতর হবে।
আসুন সকলে এই জিনিষটি উপলব্ধি করি এবং এই লক্ষে এগিয়ে যাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


