
ঊনিশ বছর বয়সী একটি মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে গতকাল। ওর নাম সোহাগী। আর ধর্ষণ এবং হত্যার ঘটনা ঘটেছে খোদ সেনানিবাসে। সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। অলিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে সোহাগী অলিপুরেই এক বাসায় টিউশনি করতেন।
কারো মুখে উচ্চবাচ্য নেই। বড় পত্রিকাতেও কিছু সংবাদ নেই। ক্যান্টনমেন্টের মত স্থানে আমাদের মেয়েরা নিরাপদ নয়, ধর্ষন করবার পর হত্যা, এটি কি এতই সহজ একটি ব্যাপার?
একটি সমাজ, একটি রাষ্ট্র ঠিক কোন পর্যায়ে গেলে এধরণের ভয়ংকর জঘন্য অপরাধগুলো ডাল ভাত হয়ে যায়, জানিনা।
একটি দেশ চেতনার ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা কতটা হাই থাকলে এইসব অপরাধী নিয়ে কথা বলা নিষেধ?
নাকি এই মেয়ে হিজাবী দেখে কথা বলা যাবেনা? সংখ্যালঘু কেউ হলে এতক্ষনে ফেইসবুক আর নিউজপেপারগুলো প্রতিবাদের তুবড়ি ছুটিয়ে দিতো। সোহাগীকে নিয়ে কিছু নেই কেন? এই কিশোরী মেয়েটির জীবন কি জীবন না? তার স্বপ্ন ছিলোনা?
শাহবাগী জানোয়ারেরা আর সরকারের গোলামেরা জবাব দেবেন কি? পতাকা দিয়ে অপরাধ ঢেকে রাখবার এই দেশপ্রেমের মুখে বালতি থুথু!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



