" আমার একটি খুব প্রিয় গান আছে, গিয়াসউদ্দীন সাহেবের লেখা "মরণ সঙ্গীত" -
" মরিলে কান্দিসনা আমার দায় ।"
প্রায়ই ভাবি আমি মারা গেছি,শবদেহ বিছিনায় পড়ে আছে, একজন কেউ গভীর আবেগে গাইছে - 'মরিলে কান্দিসনা আমার দায়'''
----হুমায়ূন আহমেদ ( চলে যায় বসন্তের দিন )
প্রতিথযশা এক লেখক বাঙলা সাহিত্যকে দিয়ে গেলেন এক বিশেষ রূপ, তিনিই আজ আমাদের মাঝে নেই !! ভাবতেই কেমন অবাক লাগে হিমু,মিসির আলীর জনক চিরতরে চলে গেলেন । আজ কেন জানি মনে হচ্ছে স্যরের মৃত্যুর সাথে সাথে এই অনবদ্য হিমু চরিত্রের বুঝি মৃত্যু ঘটলো
অনেক বড় লেখক হয়তো এই দেশে জন্মাবেন, তবে এ কথা বলা যায় হুমায়ূন তাঁর সংবেদনশীলতা নিয়ে আমাদের সাহিত্যের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে জ্বলজ্বল করবেন অনাদিকাল পর্যন্ত ।
---------------------------
জয়তু হুমায়ূন ।
কিছুদিন আগে গিয়েছিলাম স্যারের নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লীতে ।
ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে হোতাপাড়া বাজার। বাজার থেকে পশ্চিমে ৮ কিলোমিটার দূরে পিরুজালী গ্রাম। সেই গ্রামেই নুহাশপল্লী। গ্রামের ভেতরে সবগুলো রাস্তা পিচঢালা হলেও নুহাশপল্লীর রাস্তাটি ছিল কাঁচা।
কত্ত সুন্দর হতে পারে, মনে হয় যেন নিপুণভাবে সাজিয়েছেন নিজের স্বপ্নের উদ্দান ।
কিছু ছবি :
নুহাশপল্লীতে কবর জেয়ারত ছাড়া ভিতরে যাওয়া পুরোপুরি নিষেধ,তারপর ও দীর্ঘ দেড় ঘন্টা এদিক ওদিক পায়চারি করার পর আমরা দুই বন্ধু অনেক কাকুতিমিনতি করার পর ম্যানেজারকে রাজি করাইলাম
যখন ফিরছিলাম সবাইতো অবাক!!
যাক আল্লাহর রহমত!!
আর আমরা দুই বন্ধু ও বিজয়ের হাসি হেসে ফিরে আসছিলাম
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





