ঘরে তিনতিনটা বউ । ছোট ভাই বৈনেরা মিলা সবার সমস্যা দেখতে দেখতে আমি ব্যস্ত হৈয়া যাই আগের তুলনায় অনেক বেশি । মাইঝা সাইঝা দুইভাইই তিনমাস পরে ফিরা যান । সব কাজের যন্ত্রনা পড়ে আমার উপর । বড় ভাবীর পিত্তে পাথর নিয়া অপারেশনের জৈন্য ঢাকা যাইতে হয় উনারে নিয়া । শুধু খাটাখাটনিই কৈরা চলি আমি । শান্তির দেখা পাই না । ঢাকা থাইকা রাশেদাআপারে ফুন কৈরা কই আমার দুঃখ যন্ত্রণার কথা । বলি তারে আমি বিয়া করবার চাই । সবাই কি কৈব সেইটা নিয়াতো আর আমার জীবন চলবো না । রাজি করান যায় না তারে ।
মাস ছয়েক পরে আমার বিয়ার জন্য মাইয়া দেখা শুরু হয় । নিজে কিছু না কৈলেও বয়সসীমা বাইধা দিই । সতের বছরের উপরে হৈলে হৈব না । মাদরাছার মাইয়াও চলব না । আম্মা মাইনা নেন । আব্বার কাছে কেউ জিগায় না ।
বিয়ার দিন ফুন কৈরা রাশেদাআপার সাথে শেষ কথা বৈলা নিই । মুবাইল থাইকা নাম্বারগুলা ডিলিট করি ।
রাইতে ঘরে গিয়া বেকুবের মত খাড়াইয়া থাকি কিছুক্ষণ । থিতু হওনের সুযোগ নিয়া একজন আইছে জীবনে । ইচ্ছা করে তারে ভালো কোনো কথা কই । মাথার ভিতরে খুইজা কিছু পাই না । রাশেদাআপা কিংবা মিলিরে দেয়া অনেক ডাইলগ মনে আসে । কিন্তু সেইগুলা এইখানে কৈতে ইচ্ছা করেনা ।
বউরে বলি , নামায পড়নি তুমি ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

